সংগৃহিত গল্পসমগ্র --- XOSSIP web archive - অধ্যায় ৫৬

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-50991-post-5025609.html#pid5025609

Posted on Mon Nov 14 2022 by ddey333 (Profile)

642 words / 3 min read

Parent
তুই এই সময়ে এসে ভাল হয়েছে আমরা কুমিল্লায় থাকি। আমি চিটাগাং একটা ভাল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেলাম। আর চিটাগাঙে আমার বড় আপুর বিয়ে হয়েছে। আমার বোন আমার থেকে ৬ বছরের বড়। আমি আমার আপুকে অনেক ভালবাসতাম, ছোটবেলা আমরা একসাথে খেলা করতাম, আপু কোথাও গেলে আমাকে সাথে নিয়ে যেত। তাই ঠিক হল আমি চিটাগাঙে কলেজে ভর্তি হব আর আপুর বাসায় থাকব। একদিন সব গুছগাছ করে বড় আপুর বাসায় চলে গেলাম। আপু জানত আমি আসব কেননা বাবা আগেই আপুকে বলে রেখেছে। আপু আমাকে দেখে খুব খুশী হল আমাকে জড়িয়ে ধরল। আমি ঘুরে ঘুরে আপুর বাসা দেখতে লাগলাম। তিন রুমের ছোট বাসা। আমি দুলাভাইয়ের কথা জিজ্ঞাসা করলাম। আপু বলল তোর দুলাভাই তিন মাসের ট্রেনিং করতে ভারতে গেছে। তুই এই সময়ে এসে ভাল হয়েছে আমি একা একা মেয়ে মানুষ থাকি। আপুর একটা ৯ মাসের ছেলে আছে। যেহেতু দুলাভাই এখন নাই আর ছোট বাসা তাই আপু আমাকে তার সাথে একই বিছানায় তার বাচ্চার পাশে রাতে ঘুমাতে বলল। বাচ্চাকে আমাদের দুজনের মাঝে রেখে ঘুমালাম। সবকিছু স্বাভাবিকভাবেই চলছিল। কিন্তু ঘুমে আমি আমার আপুকে নিয়ে স্বপ্ন দেখলাম যে আপু আমাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খাচ্ছে। সকালে আমার ঘুম ভেঙ্গে গেলে আমি স্বপ্নের কথা ভেবে লজ্জা পাচ্ছিলাম। আমি পাশে তাকিয়ে দেখলাম আপু তখনও ঘুমুচ্ছে। আপুর শাড়ির আচল বুক থেকে সরে গেছে, আর তার নিঃশ্বাসের সাথে তার দুধ উঠা নামা করছে। আপুর দুধ তার ব্লাউজ থেকে বের হয়ে আসতে চাইছে। আপু ভিতরে কোন ব্রা পরে নাই মনে হয় বাচ্চাকে রাতে দুধ খাওয়ায়। আপুর দুধের বোটা বোঝা যাচ্ছে। আমার ভিতর এক অজানা শিহরন বয়ে গেল। আমি আপুর শরীর দেখতে লাগলাম। হঠাৎ আপু চোখ মেলে তাকাল। আপু তার ঘুম জড়ানো চোখে বুঝতে পারল না যে আমি তার শরীরের দিকে তাকিয়ে ছিলাম। আমি স্বাভাবিকভাবে আপুকে বললাম, গুড মর্নিং আপু। আপুও বলল, গুড মর্নিং দিপু, এত সকালে ঘুম ভেঙ্গে গেল তোর? আমি হেসে বললাম নতুন জায়গা নতুন বিছানায় শুয়েছিলাম তাই মনে হয় তারাতারি ঘুম ভেঙ্গে গেছে। আপু বুঝল তার শাড়ির আচল সরে গেছে কিন্তু কোন তাড়াহুড়া না করে স্বাভাবিক ভাবে আচল দিয়ে তার মূল্যবান বুক ঢেকে দিল। আমি হাত মুখ ধুয়ে ফ্রেশ হলাম। আপুও ফ্রেশ হয়ে নাস্তা বানাল, আমরা একসাথে নাস্তা করলাম। আপু ঘরের কাজে ব্যাস্ত হয়ে গেল। আমি বসে বসে একটা গল্পের বই পড়তে লাগলাম। দুপুর ১১ টার দিকে আমি আপু কি করছে দেখার জন্য আপুকে খুজতে তার রুমে গেলাম। আমি দেখলাম আপু বাথরুমে তার বাচ্চাকে গোসল করাচ্ছে। আপু আমাকে দেখে হেসে বলল, কিরে দিপু ভাল লাগছে না। আমি বললাম, না ঠিক তা না তুমি কি করছিলে দেখতে আসলাম ভাবলাম তোমার সাথে গল্প করি আর তোমার কাজে সাহায্য করি। আপু বলল, তুই যখন ছোট ছিল তখন আমি তোকে এইভাবে গোসল করিয়ে দিতাম। আর তুই আমার সামনে তোর কাপড় খুলতে লজ্জা পেতি। আমি বললাম, হ্যাঁ আপু আমার মনে পরে তুমি যখন আমাকে গোসল করাতে আমি কান্না করতাম। এখনও মনে হয় কেউ যদি আমাকে গোসল করিয়ে দিত তোমার মত তাহলে ভাল হতো। আমার নিজে গোসল করতে ভাল লাগে না। আপু হেসে বলল, ওকে আমার লক্ষ্মী সোনা ভাই আমি তোমাকে গোসল করিয়ে দিব। তোর যা কিছু লাগে আমাকে বলবি। আমি অবাক হয়ে ভাবতে লাগলাম, আপু এখনও আমাকে অনেক ছোট আর ভদ্র ভাবছে। আমি সাহস করে বললাম ঠিক আছে আপু তোমার বাচ্চার গোসল শেষ হলে আমাকে গোসল করিয়ে দিও। এটা বলে ভাবলাম আপু মনে হয় আমাকে বকা দিবে। আপু বলল, ঠিক আছে দিপু তুই ঘরে গিয়ে বস আমি শেষ হলে তোকে ডাক দিব। আমি নিজেও বুঝতে পারছি না কি হবে সত্যি কি আপু আমাকে গোসল করিয়ে দিবে। আমি রুমে এসে বসে নানা কথা ভাবতে লাগলাম। আপু কিভাবে আমাকে গোসল করাবে, আর আপু কি সত্যি বুঝতে পারছে না আমি এখন আর ছোট নেই। আমি আপুর গলা শুনলাম আমাকে ডাকছে। আমি আপুর কাছে যেতেই আপু বলল, আগে বাবুকে ঘুম পাড়িয়ে নেই তারপর তোকে গোসল করিয়ে দিব। আমি বললাম ঠিক আছে আপু, আর আবারও ভাবতে লাগলাম আমি কি আপুর সামনে আমার এই ভদ্রতার মুখোশটা ধরে রাখতে পারবো, আমি কি আমার উত্তেজনা কন্ট্রোল করতে পারবঠল। শিট! এইসব ভাবতেই আমার ধন শক্ত হয়ে উঠল। ওহ আমি কি করব, এমন সময় আপু আমাকে আবার ডাক দিল।
Parent