২টি ছাদ ও কয়েকটি বিকেল... - অধ্যায় ৫
পর্ব ৫
ব্যাংকের ভবনটা বাইরে থেকে খুবই সাধারণ। সাদা রঙের দেয়াল, মাঝখানে কাঁচের দরজা, সামনে ছোট্ট একটা বাগান—দুটো বক্সে মানিপ্ল্যান্ট, পাশে ঝরাপাতা। বাইরে থেকে দেখলে বোঝাই যায় না, ভেতরে কত স্বপ্ন ঢোকে প্রতিদিন, কত হিসাব মেলে, কত জীবন নতুন করে শুরু হয়।
কিন্তু রাফির কাছে এই ভবনটা ছিল শুধু একটা অফিস না—একটা দরজা। পুরোনো জীবন থেকে নতুন জীবনে পা রাখার দরজা।
প্রথম দিন সকালে সে বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে আয়নার সামনে দাঁড়িয়েছিল বেশ কিছুক্ষণ। সাদা শার্টটা আগের রাতে নিজে ইস্ত্রি করেছে। প্যান্টে ভাঁজ ঠিক আছে কিনা বারবার দেখে নিয়েছে। চুল আঁচড়াতে গিয়ে হাত কেঁপে যাচ্ছিল। সে নিজের বুকের ভেতর শ্বাসের শব্দ শুনতে পাচ্ছিল—দ্রুত, ভারী।
সে জানত, আজ থেকে তার পরিচয় বদলাবে। “বেকার” শব্দটা মুছে যাবে। কিন্তু একটা নতুন দায়িত্ব তার কাঁধে চেপে বসবে। সে কি পারবে? সে কি এই নতুন জায়গায় টিকে থাকতে পারবে? নাকি আবারও কোথাও হোঁচট খাবে?
ব্যাংকের কাঁচের দরজা ঠেলে ভেতরে ঢোকার সময় তার মনে হলো, যেন সে কোনো পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুকছে। ভেতরে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঠান্ডা বাতাস। কাউন্টারে ব্যস্ত মানুষ। কম্পিউটারের শব্দ। একটা পেশাদার পরিবেশ—যেখানে ভুল করলে তা চোখে পড়ে, আর সঠিক করলে তা হিসাবের খাতায় উঠে যায়।
রিসেপশন থেকে তাকে বলা হলো—ম্যানেজমেন্ট অফিসারের কেবিনে যেতে।
দরজার সামনে দাঁড়িয়ে সে এক মুহূর্ত চোখ বন্ধ করল। তারপর নক করল।
ভেতর থেকে ভদ্র, স্থির কণ্ঠ—
“Come in.”
রাফি দরজা খুলে ঢুকল।
চেয়ারে বসে থাকা মানুষটা ফাইল থেকে চোখ তুলে তাকাল।
সাইফ।
মুহূর্তটা যেন থেমে গেল। ঘরের ভেতরের বাতাস ভারী হয়ে উঠল। দুই জোড়া চোখ স্থির হয়ে রইল একে অপরের দিকে।
রাফির বুকের ভেতর ধক করে উঠল। সে যেন আবার সেই সন্ধ্যায় ফিরে গেল—যেদিন নীলার বিয়ের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। যেদিন সে শুনেছিল, সাইফই সেই পাত্র। যে ছেলেটা প্রতিষ্ঠিত, ভদ্র, পরিবারের পছন্দের।
সেই মানুষটাই এখন তার সামনে বসে—তার বস হিসেবে।
সাইফের চোখেও প্রথমে বিস্ময় ফুটে উঠেছিল। কিন্তু সে খুব দ্রুত নিজেকে সামলে নিল। চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়াল। ঠোঁটে হালকা হাসি এনে হাত বাড়িয়ে দিল।
“আপনি রাফি, তাই তো? Welcome.”
কণ্ঠে অদ্ভুত স্বাভাবিকতা। যেন কোনো অতীত নেই। কোনো প্রতিযোগিতা নেই।
রাফির হাত কাঁপছিল, কিন্তু সে হাত বাড়াল।
“জি, স্যার।”
সাইফ একটু হেসে বলল, “স্যার বলবেন না। এখানে আমরা টিম। সাইফ বললেই হবে।”
ভাগ্যের নির্মম পরিহাস—যে মানুষটা তার প্রেমের সামনে দাঁড়িয়ে আছে, সে-ই এখন তার পেশাগত ভবিষ্যতের দায়িত্বে। প্রথম কয়েকদিন রাফির ভেতরে অস্বস্তি কাজ করছিল। সে প্রতিটা ফাইল ধরার আগে দুবার ভাবত। ভুল করলে কি সেটা ইচ্ছে করে বড় করে দেখা হবে? তার কি চাকরি থাকবে?
মনে হচ্ছিল—যেকোনো মুহূর্তে একটা ঠান্ডা ইমেইল আসবে, “আপনার সেবা আর প্রয়োজন নেই।” কিন্তু বাস্তবতা অন্যরকম। সাইফ অদ্ভুতভাবে সহযোগী। ফাইল বুঝিয়ে দেয়, ধৈর্য ধরে ভুল ধরিয়ে দেয়। একদিন তো নিজেই কফির জন্য ডাকল। “রাফি, কফি খাবেন? কাজের ফাঁকে একটু ব্রেক দরকার।” রাফি প্রথমে দ্বিধায় ছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে বুঝল—এখানে অন্তত সাইফ পেশাদার। ব্যক্তিগত সম্পর্ককে অফিসে টেনে আনছে না।
সাত দিনের মাথায় তাদের মধ্যে অদ্ভুত একটা স্বস্তি তৈরি হলো। কাজের আলোচনা থেকে কথা চলে গেল সিনেমা, বই, জীবনের গল্পে। এক বিকেলে, অফিস প্রায় ফাঁকা। জানালার বাইরে সূর্য ডুবছে। আলো কমে আসছে। সাইফ জানালার পাশে দাঁড়িয়ে হঠাৎ বলল— “আপনি নীলাকে ভালোবাসেন, তাই না?”
রাফির বুকের ভেতর যেন কিছু একটা ভেঙে পড়ল। প্রশ্নটা সে আশা করেনি। এতদিন ধরে না বলা একটা সত্য হঠাৎ শব্দ হয়ে বেরিয়ে এলো। কয়েক সেকেন্ড সে চুপ। তারপর ধীরে বলল—“হ্যাঁ।”
ঘরটা ভারী হয়ে গেল। সাইফ দীর্ঘশ্বাস ফেলল। বলল- “ও আপনাকে খুব ভালোবাসে। পাগলের মতো।” এই স্বীকারোক্তি রাফিকে আরও অস্বস্তিতে ফেলল। সে বুঝতে পারছিল না—এটা সহানুভূতি, না কোনো অদৃশ্য কৌশল?
তার মাথায় ভয়ংকর কল্পনা জন্মাল—
সাইফ বাইরে হাসছে, ভেতরে প্রতিশোধের আগুন জ্বলছে।
চাকরি থাকবে না। সম্মান থাকবে না।
সে ভাবতে শুরু করল—
“আমাকে বেছে নিতে হবে। চাকরি? না নীলা?”
কিন্তু সাইফের চোখে শত্রুতা ছিল না। ছিল ক্লান্তি। জটিল, দ্বিধাগ্রস্ত ক্লান্তি। “আমি ওরে বিয়া করতে চাই না,” সাইফ ধীরে বলল। “কিন্তু পরিবার… চাপ… আপনি বুঝবেন।”
¬¬রাফি চুপ করে শুনছিল। জীবনে প্রথমবার সে বুঝল—শত্রু ভাবা মানুষটাও হয়তো নিজের লড়াইয়ে ক্লান্ত।
এদিকে পাড়ায় অন্য এক ঝড় তৈরি হচ্ছিল। বাপ্পির মায়ের জানাজা।
লোক কম। খুব কম। চোরের মায়ের জানাজায় কারো আগ্রহ থাকে না। মানুষ মুখে সহানুভূতি দেখায়, কিন্তু পায়ে রাখে দূরত্ব। কেউ কেউ শুধু কানে ফিসফিস করে—“দুঃখজনক ঘটনা।” কেউ আবার লাজুকভাবে চোখ নামিয়ে চলে যায়। কিন্তু যে সত্যি বোঝে, সে জানে—এই শূন্যতা, এই নিঃসঙ্গতা, তা শুধু মায়ের নয়, পুরো ছেলের জীবনকে ছুঁয়ে গেছে।
রহিম চাচা এসেছিলেন। গম্ভীর মুখ, চোখে দুঃখের রেখা। তিনি জানতেন, মানুষ ঠিক সময়ে আসে, কিন্তু কিছু মানুষ কেবল দেখে—কেউ বোঝে না। নতুন বউ মমতা একটু দূরে দাঁড়িয়ে। মাথায় ওড়না টানা। চোখে লজ্জা, মুখে আতঙ্কের ছায়া। সে জানে, এই চোখগুলো তার প্রতি আগ্রহী, কিন্তু সতর্ক। নতুন জীবন, নতুন দায়িত্ব, নতুন আশঙ্কা—সব একসাথে।
রকি ছিল, কিন্তু অস্বস্তিতে। সে জানে, আজকের দিন তার শক্তি প্রমাণের দিন নয়। এখানে উপস্থিত থাকা শুধু তার প্রভাব বাড়ায় না, বরং তার দুর্বলতাকেও প্রকাশ করে।
আর শামসুর।
মাটি দেওয়ার সময় বাপ্পির চোখ শুকনো। কান্না শেষ হয়ে গেছে। শোকও একসময় শুকিয়ে যায়। তখন শুধু শূন্যতা থাকে। শুধু সেই নিঃশব্দ বাতাস, মৃতদেহের পাশে থাকা ধুলো, এবং মানুষের চোখের অদ্ভুত, বিরক্তিকর দৃষ্টি। কিন্তু শামসুরের চোখ অন্যদিকে।
মমতার দিকে।
সেই দৃষ্টি শিকারীর। হিসাবি। লোভী। যেন সে মানুষ না—একটা সুযোগ দেখছে। সে এই পরিস্থিতি পড়ে চিন্তা করছে, কে কোথায় দুর্বল। তার চোখে আগ্রহ, কৌশল, ধৈর্য। বাপ্পি খেয়াল করেছিল। কিছু বলেনি। কিন্তু ভেতরে একটা আগুন জ্বলল। সেই আগুন ছিল—ভয়, ক্ষোভ, প্রতিরোধের মিশ্রণ।
শামসুর অনেক আগেই রকিকে নিজের দলে টেনেছে। এখন তার দরকার বাপ্পি। একটা ভাঙা ছেলে—যার হারানোর কিছু নেই। যে কাঁদে, কাঁপে, ভয় পায়, কিন্তু প্রয়োজন হলে নিজের অস্ত্র নিজেই ধরতে পারে। শামসুর জানে—বাপ্পির ভেতর সেই আগুন আছে, এবং যখন তা সঠিকভাবে চালু হবে, সে শক্তিশালী হবে।
কয়েকদিন পরের ঘটনা।
রহিম চাচা দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন। রাতের অন্ধকার হালকা বৃষ্টি নিয়ে এসেছে। রাস্তার পিচ্ছিল মাটিতে বাতাসে ঠান্ডা নরম ঘাম। দরজা আধখোলা। কণ্ঠে কোন শব্দ নেই, শুধু তেমন এক অস্থিরতা।
ভেতরে ঢুকে দেখলেন—শামসুর বসে আছে। মমতার সাথে গল্প করছে। নরম গলায় কথা, মুখে হাসি। এমন হাসি যা মনে হয় তাতেই কোনো ভয় নেই, কোনো বাধা নেই।
মমতার চোখে অস্বস্তি স্পষ্ট। সে বারবার দরজার দিকে তাকাচ্ছিল। যেন চেষ্টা করছে—“আমি কি নিরাপদ?” কিন্তু সেই নির্ভরতা, সেই ভয়—শামসুরে আগ্রহ জন্মাচ্ছিল। তার উপস্থিতি সহজ ছিল না, প্রভাবশালী ছিল।
রহিম ঢুকতেই শামসুর উঠে দাঁড়াল।
“এইদিকে আসছিলাম ভাই, ভাবির সাথে একটু পরিচয় করা দরকার আছিল।”
কথাটা হালকা। ভেতরে বিষ। এমন ভয়, এমন শক্তি—যার মোকাবিলা করা সহজ নয়। রহিমের চোখে অস্বস্তি। ভেতরে ভয়, অপমান, রাগ—সব একসাথে জমল। বুক ভারী। শ্বাস কষ্টকর।
শামসুর বের হওয়ার সময় রহিমের কানে কানে বলল—
“বয়স তো অনেক হইছে ভাই। এই বয়সে বিয়া মাশাল্লাহ ভালোই করছেন। কাল দোকানে গিয়া চাঁদা না পাইলে, মাঝেমধ্যে ভাবির সাথে আইসা গল্প কইরা উসুল কইরা নিবো।”
রহিমের শরীর কেঁপে উঠল। কণ্ঠ হারিয়ে গেছে। কিছু বলতে পারেনি। তার ভেতর ধুয়ে গেছে এক অদ্ভুত বিরক্তি, হঠাৎ টানে ভয়, অপমান। মনে হলো, সময় থমকে গেছে।
এই কথাটা খুব দ্রুত ছড়াল না। কিন্তু বাপ্পির কানে গেল।
রাত গভীর। বাতাসে আর্দ্রতার সাথে এক অদ্ভুত শীত। রহিম চাচার ছোট্ট দোকানের সামনের রাস্তায় আড়ম্বর নেই, শুধু শূন্যতা এবং অস্থিরতা। লাইট ফ্লিকার করছে—একটা অদ্ভুত ছায়া খেলা করছে দেওয়ালে।
শামসুর দাঁড়িয়ে আছে। পাশে রকি। ধূসর রাতের আলোয় শামসুরের মুখ অদ্ভুতভাবে দৃঢ়, চোখে অদ্ভুত স্বচ্ছ, কণ্ঠে আভা—কঠোর এবং নির্ধারিত। রকির চেয়ে সে আরও বড়। সে জানে, প্রতিটি মুহূর্তই তার নিয়ন্ত্রণের পরীক্ষা। সিগারেটের ধোঁয়া বাতাসে মিশছে, চকচকে রোদ বা ফ্ল্যাশ নেই, শুধু রাতের নীরবতা আর সিগারেটের সাদা লম্বা রেখা। বাপ্পি এগিয়ে আসে। চোখ লাল। চোয়াল শক্ত। সে জানে—এই রাত তার জীবনের মোড়। শ্বাস নিয়েছে, পায়ের তলায় শক্তি।
“আপনি ভাবির নাম নিয়া কথা কইছেন কেন?”—কণ্ঠে কম্পন, কিন্তু ভয় লুকানো নেই।
শামসুর ঠোঁট বাঁকাল। চোখে ঝলক—“তোর সমস্যা কী?”
বাপ্পি হালকা পিছনে হেলান, কিন্তু ভেতরের ঘৃণা তাকে থামতে দিচ্ছে না।
“আমি খারাপ হইছি ঠিক, কিন্তু ওই মানুষগুলা আমার।” শব্দগুলো বাতাসে ভেসে যায়, কিন্তু বোঝা যায়—ভয়, প্রতিরোধ, আবেগ সব মিশে আছে।
কথা থেকে ধাক্কা। ধাক্কা থেকে হাতাহাতি। রকি ঝাঁপিয়ে পড়ল। তার চোখে আতঙ্ক। সে জানে—শামসুরের সাথে সে খেলতে পারবে না। কিন্তু বাপ্পি? সে শক্ত। সে ক্ষোভে পূর্ণ। তিনজনের ধস্তাধস্তি শুরু হলো। চেয়ার উল্টে গেল, কাঁচ ভেঙে ছড়িয়ে পড়ল। রক্তের গন্ধ বাতাসে মিশে গেছে। বাপ্পির হাতে একটা ছোট ছুরি ছিল—ভয় দেখানোর জন্য, আর শূন্যতার ভেতর লুকানো প্রহরের মতো। সে রকির দিকে ছুড়ে মারল।
রকি সরে গেল, হাত কাঁপছে। এক মুহূর্ত। ছুরিটা… ঠিক সোজা চলে গেল। শামসুরের চোখের ভেতর দিয়ে। সবকিছু থেমে গেল। কোনো নাটকীয় শব্দ না। শুধু ভারী শরীরের ধপ করে পড়া। রক্ত। চোখ। নীরবতা। শামসুর মাটিতে পড়ে রইল। নিঃশ্বাস নেই। রকি দৌড় দিল। অন্ধকার গলি তাকে গিলে ফেলল। বাপ্পি দাঁড়িয়ে। হাত কাঁপছে। চোখ বিস্ফারিত। মনে হচ্ছে সময় থমকে গেছে। সে বুঝতে পারছে না—সে কী করেছে। তার ভেতরে ভয়, লজ্জা, পাপের বোঝা একসাথে জেগে উঠেছে।
পাড়ায় বাতাস কেঁপে উঠল। লোক জড়ো হতে শুরু করল। ফিসফিস। চিৎকার। “কী হলো?” “কেন?” “ছুরি!” সবাই ভয়, বিস্ময়, উত্তেজনার মিশ্রণে ভেসে যাচ্ছে। পুলিশ এসেছে। হঠাৎ আলো। রেড ব্লুজ ফ্ল্যাশ। ব্যারিকেড। লোকেরা ধীরে ধীরে সরিয়ে নেয় রাস্তা। কেউ কানে ফিসফিস করে—“এই কি সত্যি? শামসুর?” কেউ চোখ নামিয়ে তাকায়, কেউ মাথা নাড়ে।
রহিম চাচা সব দেখেছেন। মুখ গম্ভীর, চোখে অশ্রু, ভেতরে অজানা ব্যথা। সে জানে—এই রাত তার জীবন পরিবর্তন করেছে। বাপ্পি মাথা নিচু করে বলল— “আমি পালামু না।”
তার কণ্ঠে ক্লান্তি। আত্মসমর্পণ। শুধু একটি সত্যি শব্দ—“আমি।” ভয়, দায়িত্ব, ভুল, পাপ—সব মিলিয়ে।পুলিশ তাকে নিয়ে গেল। পড়ে থাকা রক্ত, ভাঙা কাচ, ছিঁড়ে যাওয়া চেয়ার—সবই রাতের স্মৃতি হয়ে রইল।
পাড়ায় একটাই প্রশ্ন ঘুরছে। যে বাপ্পি রহিমের সংসার বাঁচাতে শামসুরকে মারল— রহিম কি আদালতে সত্য বলবে? নাকি বলে দেবে—বাপ্পি ইচ্ছা করে হত্যা করেছে? তার সামনে দুই পথ।
সত্য।
না হয় ঋণ শোধ।
(চলবে...)
[As a writer, I sincerely apologize to everyone. I had my semester finals recently, so I suddenly stopped updating the story. I hope from now the story will be going on without any interruption. Please stay with me and keep supporting.]