আমার দুনিয়া ✍️Relax--Session with শাশুড়ি✍️ - অধ্যায় ১০১

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-70990-post-6170973.html#pid6170973

🕰️ Posted on Fri Mar 27 2026 by ✍️ Ra-bby (Profile)

🏷️ Tags:
📖 1086 words / 5 min read

Parent
(১০২) মায়াজাল আজকাল আমার মাথার যন্ত্রণা কোনোমতেই ছারছেনা। জীবনের প্রথ উপলব্ধি করছি, দেহের উপর একখানা মাথা আছে। মাইগ্রেনের ব্যাথা লেবার পেইনের ব্যাথার চেয়েও খারাপ বোধায়।  রাব্বীল মারা যাবার পর থেকেই এই ব্যাথা শুরু। যেন সে মারা গিয়ে এই ব্যাথা দিয়ে গেসে। ৫ সপ্তাহ হতে চললো এই বালের ব্যাথার। অসহ্য। ইদানিং মা আমার সাথে কথা বলতেও ভয়ে থাকে কখন জানি ঝাড়ি খাই। প্রতিদিন বাসাই কেউনা কেউ বালছাল আসছেই। ভাল্লাগছেনা এসব। আমার আর মানুষ ভাল্লাগেনা। বিগার লাগে। মাঝে মাঝে মনে হয়, মাকেই বাড়ি থেকে বের করে দিই। আলবাল বাড়িতে এনে ভর্তি করে আর সারাদিন দু:খের কেচ্ছা কাহিনি। এসব শুনতে আর ভাল্লাগেনা। আমার এখন সারাদিনে মাত্র দুইটা কাজ----১/সারাদিন শুয়ে শুয়ে ফেসবুকের রিলস দেখা। ২/রাত হলেই আমার স্বামিকে চিঠি লিখা। লাস্ট কদিন রাব্বীলকে চিঠি লিখেই কিছুটা ভালো লাগছে। যেন মনের ভেতরের কস্ট কিছুটা হলেও দূর হচ্ছে। আমার এমন অবস্থা দেখে গত পরশুদিন, যখম সেবহান আংকেল আসলেন, সেদিন আমাকে বলছিলো, আমি ধিরে ধিরে নাকি রাব্বীলের মতই হয়ে যাচ্ছি—সারাদিন চুপচাপ। মায়ের এমন কথা শোনার পর মাথায় আগুন উঠে গেসিলো। সাথে সাথে মাকে ঝাড়ি মেরে ঘর থেকে বের করে দিসি। বেয়াদ্দব মহিলা বলে কি!!! আমি নাকি রাব্বীলের মত ঘরকুনো হয়ে যাচ্ছি! মানে আমার স্বামিকে ঘরকুনো বলছে!!! দুনিয়ার কোন বালছাল আসলেও যদি আমার স্বামির নামে একটা টু কথা বলে, তার জিহবা আমি টেনে বের করে নিব। তাতে হোক সে আমার মা। দুনিয়ায় আমার স্বামিই হচ্ছে সেরা স্বামি। আমি আমার স্বামির পোস্ট মর্টামের দিন, হস্পিতালে দারিয়ে দারিয়ে স্বামিকে কথা দিয়েছি, আমি অল্প সময়ের মধ্যেই তোমার কাছে আসবো। আমরা পরদুনিয়ায় এক সাথে থাকবো। এই দুমিয়ায় ঘাতক ট্রাক তোমাকে আমার থেকে কেড়ে নিয়েছে, আমি একা থেকে কি করবো!?! “মিম, আই মা খেয়ে নে।” আসছে আবার বালছাল বকতে। আমি কতবার করে বলেছে, মা তুমি যখন তখন আমার রুমে ঢুকবানা। আমার কারো মুখ দেখতে ভালো লাগেনা। আমি একা আছি। ভালো আছি। আর যখন আমার খুদা পাবে, গিয়েই খেয়ে নিব। তবুও কেন যে এই মহিলা বুঝেনা আল্লাহ জানে! “আমি এখন খাবোনা। তুমি যাও।” “এমন কেন করছিস বলতো মা, এভাবে চললে শেষ হয়ে যাবি তো!” হয় হয়। আমি তো এটাই চাই। চার চারবার ঘুমের অসুধ খেয়েছি। বালের শরিরকে কাবুই করতে পারেনি। মেডিক্যাল গিয়ে দুদিন থেকেই সব ঠিক ঠাক। যদি না খেয়েই আমি আমার স্বামির কাছে যেতে পারি, তবে সেটাই করবো আমি। “তাহলে তো ভালই হবে। আমি খাবোনা। যাও।” “মিম!!!” “মা তুমি ঝাড়ি দিয়ে কথা বলবেনা। আর আমার সামনে কোনো কথাই বলবেনা। আমাকে কোনো কিছু বলতে মন চাইলে দরজার বাইরে থেকেই বলবা। যাও আমার রুম থেকে।” আমি উঠেই মাকে ধরে ঘর থেকে বের করে দিলাম। ঠিক করেছি। এই মহিলার মতলব ভালো না। সেদিন আংকেল চলে যাবার সময় আংকেলকে বলছলেন, “ভাইসাব, নাকি মিমের একটা বিয়ে দিয়ে দিব! তাও যদি মেয়েটা ভালো থাকে।” মানা যাই! এই মহিলা আমার বিয়ের কথা মুখে নেই কিভাবে! একজন মানুষ কয়বার বিয়ে করবে! আমার তো স্বামি আছেই। বিয়ে করলে তুই করগা। আমায় টানিস কেন! বদজাত মহিলা। আমিও সেদিন মনে মনে অনেক গালি দিয়ে দিয়েছি মাকে। আমি পণ করেছি, খাবোনা। না খেয়েই থাকবো। ঘরে শুয়ে শুয়ে রিলস দেখবো। রিলস দেখলে আমার খুদা লাগেনা। গত রাত থেকে কিছুই খাইনি। তবুও খুদা নাই।  আমার সারাদিন রাতে এখন একটাই কাজ, কিভাবে স্বামির কাছে যাবো। প্রতিদিন আমার স্বামিকে চিঠি লিখি, কোনো উত্তর দেই তবে হয়, অন্তত জানতে পারি, তোমার কাছে যাবার সহজ রাস্তাটা বলে দাও। সেখান দিয়েই তোমার কাছে যাবো। কিন্তু স্বামি তো কোনো উত্তর ই দেইনা। বুঝেনি, রাব্বীল আমার উপর রাগ করেছে নিশ্চয়। কক্সবাজার ট্যুরে গিয়ে লাস্ট দুইদিন আমি রাব্বীলের সাথে ভালো মত কথা বলিনি। যেদিনি তার ল্যাপটপ থেকে আমার হাজারো ছবি দেখি, আর বেশির ভাগই উলঙ্গ ছবি, সেদিনের পর থেকেই তার সাথে তেমন খোলামেলা কথা বলা হয়নি। প্রায় সময় সেবহান আংকেলের সাথেই লুকিয়ে লুকিয়ে কথা বলতাম। কথা বলিনি জন্যেই কি স্বামি আমার উপর এখনো রাগ করে আছে? সেদিন সেবহান আংকেল আমাদের বাসাই এসে যখন ল্যাপটপ চেক করে বললেন, তোমার স্বামির একটা নিজস্ব জগত আছে যেখানেই সে এই ছবি গুলো ইউজ করে, আর চিন্তার বিষয় নাই, সে এই ছবি কাউকেও দেখাইনা। সে নিজেই নিজেই দেখে।  আমার রাগ অভিমান তো সেদিন ই চলে গেছিলো। কিন্তু স্বামির জীবনে এমন এক দু:ঘটনা আসবে, কে জানতো! অহ হ্যা, মনে পড়েছে------রাব্বীলের তো নিজস্ব একটা জগত ছিলো, আংকেল বলছিলেন। আমি যদি ঐ জগতে গিয়ে রাব্বীলকে চিঠি লিখি! তবে কি রাব্বীল আমার কথা শুনবে! এই বুদ্ধিটা এতোদিন আমার মাথায় আসেনি কেন? উফস স্যরি, সেই জগতের নাম ই তো আমার জানা নেই। আংকেল সেদিন কি নাম বলছিলেন যেন??? BD দিয়ে কি যেন নাম…….BDhome.com এটা কি?.....না না এটা না মনে হয়। আচ্ছা সার্চ করে তো দেখি। পাওয়া যাই কিনা! ফোনটা নিয়ে গুগল করলাম BDhome.com  কে। ওমা, এই নামে সাইট আছে তো! থ্যাংক্স গড, মাথায় হঠাৎ করে বুদ্ধিটা দেবার জন্য। আমি যদি স্বামির নিজস্ব জগতে গিয়ে তাকে চিঠি লিখি, তাহলে সে হয়তো শুনবে। আমাকে তার কাছে যাবার রাস্তা দেখাবে। এইতো ঝামেলা! ইমেইল চাচ্ছে ঢুকতে….আবার ভেরিফাই চাচ্ছে……প্রোফাইল ক্রিয়েট করতে বলছে…..কি নামে করি! আমার নামেই করি, তাহলে রাব্বীল সহজেই চিনতে পারবে। না না নিজের নাম দিব না। রাব্বীল আমার একটা নাম রেখেছিলো। বিশেষ মুহুর্তে সে সেই নামেই ডাকতো----শু। হি হি হি, প্রথমে আমি শুনতে হাসতে হাসতে শেষ, আরেহ বাবা “শু” কারো নাম হয় নাকি!  প্রোফাইল ডান। এখন কি করবো! কিভাবে চিঠি লিখবো! এখানে তো আর কিছুই দেখছিনা। এটা অনেকটা WhatsApp এর মতই ফিচার। কিন্তু রাব্বীল কিভাবে নিজস্ব জগত তৈরি করতো এখানে! আর তো কিছুই দেখছিনা। নাহ। মাথা ব্যাথা আবার শুরু হলো। কিছুক্ষণ মাথার উপর বালিস চেপে শুয়ে থাকবো। ফোনটা পাশে রেখে একটা বালিশ মাথার কানের উপর দিয়ে চাপা দিয়ে শুয়ে গেলাম। দুনিয়া এখন অন্ধকার। শব্দে ও আলোয়। স্বামি তুমি গেলে তো গেলে, আমায় রেখে গেলে কেন! আমার যে কোনো কিছুই সহ্য হচ্ছেনা। সবকিছুই অসহ্য লাগছে। এমনকি মাকেও।  তুমি চলে যাবার পর থেকে আমি কথা বলাই বন্ধ করে দিয়েছি। হি হি হি, তাহলে আমি এত কথা কেমনে বলছি??? মনে মনে। হি হি হি। হুমায়ুন আহমেদের অপেক্ষা উপন্যাসের একটা চরিত্র ছিলো। একটা মেয়ের চরিত্র। নাম কি ভুলে। গেসি। যেকিনা কথা কম বলতো। কেউ কিছু জিজ্ঞেস করলে কিছুই বলতোনা। কেউ বকলে চুপে থাকতো। কিন্তু দে মনে মনে ঠিকই কথা বলতো। যাকে বকার বকে দিত। যখন যেই কথা বলার তখন সেটাই বলতো। তবে মুখে উচ্চারণ করে না। মেয়েটার অকাল মৃত্যু হয়।  আমি কি সেই পথেই হাটছি! হলে তো ভালই হয়। —Hellow Boss, You have one message. কে মেসেজ দিলো আবার! ফেসবুকে তো আমায় কেউ মেসেজ দেইনা। এমন কি আমিও কাউকে মেসেজ দিইনা। আ!!! BDhome.com থেকে মেসেজ এসেছে!! এখানে আবার কে মেসেজ দিবে! কি!?! Potar Bap নামের একটা প্রোফাইল থেকে মেসেজ! হি হি হি। এই আবার কেমন নাম! এই নাম দিয়ে কেউ প্রোফাইল খুলে! আজিব দুনিয়া। রাব্বীল তুমি Potar Bap দের দুনিয়ায় নিজের জগত বানিয়েছিলে! হি হি হি। কি লিখেছে Potar Bab!?!  “আপনার নামটা সুন্দর–--- “শু”। নাইস নেম।” কি! শু নাম সুন্দর! এমা! Potar বাপের থেকে আর কিই বা আশা করবো। হি হি হি। বলে কিনা, শু নামটা সুন্দর! ৩৫ দিন পর হাসলাম। Potar বাপের মেসেজ দেখে। হি হি হি।
Parent