আমার মায়ের গণচোদন - অধ্যায় ১৫
মা এখন বাড়িতে ঢুকলো। মার চোখে মুখে এখন প্রচন্ড রুদ্রমূর্তি। সে আমাকে এমন ভাবে দেখতে লাগল যাতে মনে হচ্ছে যে আমাকে এখনই কেটে কচুকাটা করবে। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম যে কি হয়েছে এরকম ভাবে সে রেগে আছে কেন? সে আমাকে জিজ্ঞেস করল যে তুই ওই সকালবেলার যে আমাকে হেনস্থা করছিল তাকে চিনিস। আমি বললাম হ্যাঁ চিনি? প্রচন্ড চিল্লিয়ে মা আমাকে জিজ্ঞেস করল কিভাবে আমি তাকে চিনি? আমি বললাম চিনি বলতে তার নামে পাড়ায় খুব বদনাম আছে। কেন কি হয়েছে? তারপরে আমি জিজ্ঞেস করলাম যে মা তোমার শাড়ি ব্লাউজ পাল্টে গেল কেন? মা আমাকে বলল হ্যাঁ অনেক কিছুই হয়েছে তার সাথে আমার এখন বোঝাপড়া করতে হবে। এই বলে মা কিছু জিনিস খুঁজতে লাগলো। এবার আমাকে জিজ্ঞেস করল যে সে কোন ঘরে থাকে? আমি মাকে বুবুন কাকুর ঘরটা দেখিয়ে দিলাম। মা এখন কিছু খুঁজছে পাগলের মতন। অবশেষে মা রান্নাঘর থেকে একটা কাঠের ভাঙ্গা টুকরো বার করে আনল। আমি কাঠের ভাঙ্গা টুকরো মায়ের হাতে দেখে চূড়ান্তভাবে আঁতকে উঠে জিজ্ঞেস করলাম মাকে, যে মা এই কাঠের টুকরোটা দিয়ে কি হবে, তুমি এটাই বা বের করে আনলে কেন? প্রচন্ড রুদ্রমূর্তি তে মা বলল যে আজকে আমি ওই শুয়ারের দফারফা করেই ছাড়বো। আমি মাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে বলতে লাগলাম যে তুমি ওকে চেনো না ও কিন্তু খুব ভয়ংকর লোক। কিন্তু কে কার কথা শোনে? আমাকে একপ্রকার ধাক্কা দিয়েই মা বুবুন কাকুর ঘরে যেতে লাগল। বুবুন কাকুর ঘরে গিয়েই দরজা ধাক্কাতে লাগলো। বুবুন কাকু বুঝতে পারিনি যে তার সঙ্গে কি হতে চলেছে। বুবুন কাকু দরজা খুলতেই, বুবুন কাকুকে কিছু বুঝতে না দিয়েই মা ওই কাঠের বাড়ি গিয়ে বুবুন কাকুকে পিটাতে লাগলো। সকালের মার এই চটকাচটকির বদলা যে এইভাবে মা নেবে সেটা আমার বা বুবুন কাকুর কারোর পক্ষেই বোঝা সম্ভব ছিল না। এদিকে বুবুন কাকু যন্ত্রণায় চিল্লাতে লাগলো। বুবুন কাকুর চিল্লানি দেখে ভাড়াটিয়া ও বাড়ির মালিক রাজু কাকু জোগাড় হয়ে গেল। মা এবার এদের প্রত্যেককে দেখে বলল তোমরা প্রত্যেকেই মিলে আছো। এদিকে মার কাছাকাছি শ্যাম কাকুর থাকাতে মা এখন লাঠির বাড়ি দিয়ে বুবুন কাকুকে ছেড়ে শ্যাম কাকুকে পিটাতে লাগলো। মা এখন মা চন্ডীর রূপ ধারণ করেছে। কিন্তু এই মা চন্ডীর রূপ যে কত বড় একটা ভুল মার জন্য সেটা মা আর কিছুক্ষনের মধ্যেই টের পাবে। বুবুন কাকু তো যন্ত্রণায় কাতড়াচ্ছে, ওদিকে শ্যাম কাকুও এখন মার খেয়ে যন্ত্রণায় কাতড়াচ্ছে। এইবার রাজু কাকু যেটা করল সেটার জন্য মা প্রস্তুত ছিল না। রাজু কাকু পাগলের মতন ছুটে গিয়ে মার কোমরে পিছন থেকে লাথি মারলো। এর ফলে মা নিজের ভারসাম্য হারিয়ে মাটিতে পরল এবং মায়ের সাথে মার লাঠিখানাও পড়ে গেল। মা এবার ঘুরে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করতে লাগল। রাজু কাকু এবার যেটা করলো সেটা মা ধারণার মধ্যে আনেনি। রাজু কাকু মার ওপর ঝাপিয়ে পরল পিছন থেকে। এর ফলে মা উঠতে পারল না। ওদিকে রাজু কাকু তার দুহাত দিয়ে মার দুহাত চেপে ধরেছে। ওদিকে আস্তে আস্তে শ্যাম কাকু আর বুবুন কাকু উঠে দাঁড়িয়েছে। তারা এখন মার দিকে এগোচ্ছে এমনকি বিল্টু আর পল্টুও মার দিকে এগোচ্ছে। মা প্রাণপণে চেষ্টা করছে উঠার ওদিকে রাজু কাকুও প্রাণপনে চেষ্টা করছে মাকে মাটিতে ফেলে মার উপর চেপে বসে থাকার। ওফ সে কি দৃশ্য! বুবুন কাকু এগোতেই রাজু কাকু মার ওপর থেকে উঠে গেল। বুবুন কাকু কোনরকম দয়া-মায়া না করে মাকে সোজা দাঁড় করিয়ে দুহাত দিয়ে মার ব্লাউজটা টেনে ফর ফর ফর করে ফাঁক করে মার ম্যারা দুটো বুকের মাঝখান থেকে উন্মুক্ত করে দিল। মায়ের ব্লাউজটা এখন দুভাগ হয়ে ছিড়ে গেছে। মায়ের শরীরে এখন পাঁচ জোড়া হাত খেলা করছে।