অসুস্থ মাকে ভালবাসা দিয়ে সুস্থ করে তোলা। - অধ্যায় ২৭
আমি- মা এবার কি করবে কি কেনাকাটা করলে আমাকে জানালেও না।
মা- আগে খাবার খেয়ে নেই তারপর সব কথা হবে। মানে আমার একা কিছু কাজ আছে যা কথা হবে তোমার সাথে রাতে।
আমি- আচ্ছা তবে আমি কি খাবার নিয়ে আসবো কারন বাজারে যাওয়ার সময় তোমাকে তো কোলে করে বসিয়ে নিয়ে গেছি বাবা দিদি তো দেখেছে তুমি এখনো সুস্থ না।
মা- জানি সেজন্যই খাবার নিয়ে আস, দুপুরের সব তো আছেই তাই না।
আমি- কেন থাকবেনা অনেক বাজার করেছিলাম আমি দেখি দিদি আর বাড়তি কিছু করেছে কিনা।
মা- তাই যাও আমি এদিকে একটু কাজ করি।
আমি- আচ্ছা বলে জামাকাপড় ছেরে হাত মুখ ধুয়ে নিয়ে বাইরে বের হব।]
মা- হ্যা যাও তুমি যাও আমিও হাত মুখ ধুয়ে রেডি হই খাবারের জন্য।
আমি- হুম বলে দরজা খুলে বেড়িয়ে এলাম বাবা তখনো আসেনি দিদি আমাদের ফিরতে দেখে রান্না ঘরে আছে। আমি কাছে গিয়ে কিরে দিদি রাতের খাবার রেডি তো, খুব গরম পড়েছে আগেই খেয়ে নেই না হলে খাবার নষ্ট হয়ে যাবে কি বলিস।
দিদি- আরে না আমি সব ফ্রিজে রেখে দিয়েছিলাম দাড়া সব গরম করে দিচ্ছি।
আমি- দিদির পাশে দাঁড়ালাম দিদি একটা ওভেনে একটা মাইক্রোতে দিল আর একটা ইন্ডাক্সনে দিল চাপিয়ে। আমি বাবা সবার দুই হাত সমান চলে তোর তো দিদি তিন হাত চলেরে।
দিদি-হেসে কেন রে সে কি।
আমি- কেন আবার একবারে তিন দিকে চাপিয়ে দিয়েছিস তাই বললাম।
দিদি- মলিন হাঁসি হেঁসে ভাই যার স্বামী নেই তাকে বাঁচতে গেলে অনেক কিছু করতে হয়, মা চোখে দেখতে পারেনা বাবার মন জুগিয়ে চলতে হয় না করে উপায় আছে। বাবা আছে বলে আমি বেঁচে আছি ভাই না হলে গলায় দড়ি দিত হত আমার মায়ের যা ব্যবহার কি বলব তোকে আবার তোকে কত ভালোবাসে।
আমি- দিদি আমি তোকে আবার বিয়ে দেব তোর কি বয়স এ বয়সে আবার বিয়েতে বসতে পারবি।
দিদি- না ভাই ন্যাড়া বেল তোলা একবার যায় আর দরকার নেই জীবনে বিয়ে হারে হারে টের পেয়েছি আর চাইনা আমি এইরকম থাকতে পারলে চলবে। মা দেখতে না পারলেও বাবা তো আছে। আর আমাকে কে পছন্দ করবে বল। একটা বাচ্চা সহ কেউ বিয়ে করে। আর আমি তো দেখতে ভালো না। না আছে রুপ না আছে গুন।
আমি- দিদি অমন কথা বলিস না কেন তুই খারাপ কিসে আমার দিদি দেখতে অনেক ভালো একটু রং চাপা তাছাড়া তোর মতন কয়জন আছে এই তল্লাটে বলতো। তুই যেমন লম্বা তেমন সব কিছু।
দিদি- আবার মলিন হেঁসে লম্বা ছাড়া আর কি আছে আমার একটা মেয়ে ছাড়া। কেমন মোটা হয়ে গেছি কেউ পছন্দ করে এইরকম মেয়েদের।
আমি- কি বলব দিদি সত্যি কথা বললে তুই আবার কি ভাবিস না থাক বলবো না, দে তুই খাবার হলে আমাদের দে মা একা বসে আছে নিয়ে যাই।
দিদি- ভাই আমাকে বলতে তোর কিসের লজ্জা কি ভাব্বো আমি বল না তোর যা মনে আসে বল আমি কিছু মনে করব না।
আমি- সত্যি বলছিস কিছু মনে করবি না তবে বলছি আমার যেটুকু অভিজ্ঞতা হয়েছে নেট ঘেটে তাতে তোর মতন ফিগার ১২ আনা পুরুষের পছন্দ এটা হলফ করে বলতে পারি।
দিদি- তুই আমার মন রাখতে এমন কথা বলছিস।
আমি- দিদি তোকে তো জামাইবাবু অনেক ভালবাসত তা এমন কেন হল কি এমন হয়েছিল রে।
দিদি- তুই ভাই তোকে কি বলব সব বলা যায়না এটুকু বলতে পারি, নিজে খারাপ সঙ্গে যুক্ত ছিল আর আমাকেও তেমন করতে চেয়েছিল আমি বাঁধা দিতেই এমন বিপত্তি আর বলতে পাড়বো না। ভেতরের কথা সব বলা যায়না।
এর মধ্যে মায়ের ফোন ঘর থেকে কিরে কি হল খাবার নিয়ে আয়।
দিদি- মায়ের ফোনের কথা শুনে বলল মাকে বল একটু দেরী হবে গরম না হএ খেতে পারবেনা সব ভালো করে গরম করে দিচ্ছি।
আমি- দিদির কথা মাকে শোনালাম।
মা- শুনে বলল আচ্ছা নিয়েই আয় তবে।