বহুগামিনী - অধ্যায় ১৪
সমীর বললো তার কারণ শ্রীদেবী , মাধুরী এখন একটা ব্র্যান্ড। mr. ইন্ডিয়ার মতো সিনেমা করলে সবাই শ্রীদেবীর কোথায় ভাববে, শ্রী দেবীর ডেট না পেলে শ্রীদেবীর জন্য অপেক্ষা করবে, কিন্তু শাহেনশাহ সিনেমার জন্য কি কেউ মীনাক্ষী শেষাদ্রির জন্য ওয়েট করবে, অমিতাভ বচ্চনের সিনেমা, একটা নায়িকা রাখতে হয় রাখা , ও মীনাক্ষী ,কিমি। মাধবী, যে কেউ হলেই চলবে।আর ওই ভাগ্যশ্রী মেয়েটা ভালো অভিনয় করছে। মুন্না বললো কি দেখে বুঝলেন , ওর তো একটা সিনেমাও রিলিজ হয়নি , সমীর বললো অরে এক একটা ফিল্ম শট একে বাড়ে ওকে করে দিচ্ছে। আর তোমার ওই মীনাক্ষী শেষাদ্রি ৪০টা সর্টেও একটা সিন ওকে এ করতে পারেনা।জানো এক একটা ফিল্ম নষ্ট হলেও কত খরচ হয় , . এইতো কিছুদিন আগে শানদার ছবির শুটিং দেখছিলাম ,টিসি দেওয়ানের ছবি , ডিরেক্টর টা নতুন। একের পর শর্ট নিচ্ছে ,মীনাক্ষীর আর সব শর্ট বাতিল হচ্ছে। মীনাক্ষী কিছুতেই নিজের মুখের এক্সপ্রেশন টা আন্তে পারছেনা ,৭০ টা শর্ট বাতিল হবার পর দেওয়ান সাহেব ডিরেক্টর কে বললো ওহ মাই বাপ , এতো ফিল্ম নষ্ট করলে মাগীটাকে যে কম পয়সায় সই করা হয়েছিল, সব নষ্ট হয়ে , ফিল্মের খরচ ধরলে মাগীটার রেট তো শ্রীদেবীর রেট এর ডবলের চেয়ে বেশি হয়ে যাবে, ডিরেক্টর আমতা আমতা করে বললো না না সেই সেক্সি এক্সপ্রেশন টা পাচ্ছিনা , দেওয়ান বললো অরে বোকা এই সব মাগীরা অভিনয়ের কিছু জানে যে মুখ দিয়ে সেক্সি এক্সপ্রেশন ফুটিয়ে তুলবে,, এদের এই ভাবে সেক্সি দেখতে হয় , দাড়াও আমি দেখাচ্ছি। শুটিং স্পটে এ একটা বড়ো ড্রাম ভর্তি জল ছিল. দেওয়ান মীনাক্ষী কে বললো রানী ,অনেক খেল দেখিয়েছো , এখন ড্রামে নেমে ,নিজেকে একটু ঠান্ডা করো। মীনাক্ষী শেষাদ্রির পরনে একটা পাতলা হলদে সারি ছিল ,মীনাক্ষী বুজতে পারলো দেওয়ান কি চায় ,সে ড্রাম এ নেমে পড়লো। ৩/৪ মিনিট পর যখন র যখন ড্রাম থেকে বেরুলো , তখন মীনাক্ষীর ভূগোলের চড়াই উৎরাই সব স্পষ্ট। দেওয়ান ডিরেক্টর কে বললো নাও এয়ার ছবি তোলোআর যত পারো সেক্স ফুটিয়ে তোলো ,সারা সকাল তাই মাটি করে দিলো। তারপর ডিরেক্টর কে বললো এই মাগি যদি সেক্সি এক্সপ্রেশন ফুটিয়ে তুলতে পারতো ,তাহলে শ্যাম বেনেগাল একে সই করাতো , তাহলে আমার মতো ছোট প্রোডিউসারের ৩ নায়িকার এক নায়িকা হতোনা।