চাষির ছেলে মায়ের স্বামী। - অধ্যায় ৮৪
বোন- হ্যা উঠেছে তবে মেয়েকে নিয়ে শোয়া আছা এখনো তোর কথা জিজ্ঞেস করছিল, আমি বলেছি খেতে গেছে বলল আসুক তারপর তোর সাথে নাকি একটু ঘুরতে যাবে।
আমি- আচ্ছা তবে চল মেশিন নিয়ে যাই।
বোন- কেন তুই আমার আমার সাথে কথা বলতে চাইছিস না কেন দাদা।
আমি- আরে পাগলি কেন রে সের কেন বাড়ি যাবো না মা একা একা রান্না করবে নাকি।
বোন- তাঁর বর আছে তোর এত কিসের চিন্তা মাকে নিয়ে।
আমি- আরে বাবা থাকে নাকি বাড়িতে তোরা আছিস তাই না হলে তাসের আসরে তিনটায় বসে আর রাতে বাড়ি আসে। মা রাগে ফোস ফোস করে দেখিস্না বাবা কিছু করেনা বলে কেমন করে মা, বাবার রাগ আমার উপর ঝারে। বাবার বয়স হয়েছে তারপর অসুস্থ আমাকেই সব সামাল দিতে হয় আমি কাজ না করে দিলে বাবার রক্ষে আছে নাকি।
বোন- তুই তো একদম মায়ের আঁচলের নিচে থাকা ছেলে নিজের কোন সখ আহ্ললাদ নেই তোর। শুধু বাবা আর মা, এমন করলে মা তোকে বিয়েও দেবে না।
আমি- দরকার নেই তোরা আছিস না আর কাকে দরকার। তুই মা আর কাকে লাগবে আমার।
বোন- তাই এমনিতে বোনকে পাত্তা দাও না আর মাকে পাত্তা দাও বাবাকে বাঁচাতে এই করে যাও। নিজের কিছু লাগবেনা।
আমি- পাগল ফসল উঠুক হাতে টাকা পয়সা আসুক তারপর ভাবা যাবে। তোর বিয়ের দেনা সবে শোধ হল বুঝিস না বাবা মায়ের কি চিন্তা নেই আমাকে নিয়ে অবশ্যই আছে।
বোন- আমার জন্য অনেক করলি দাদা বিনিময়ে আমি তোর জন্য কিছুই করতে পাড়লাম না।
আমি- পারবি সময় আছে উতলা হচ্ছিস কেন। তোরা এসেছিস তোদের এখনো কিছু কিনে দিতে পাড়লাম না। এই তোরা কয়দিন থাকবি তো।
বোন- না দাদা সে মনে হয় হবেনা, আজকেই যেতে চাইছিল কিন্তু বাবা আজকে থেকে যেতে বলল।
আমি- ভালো তো বাপের বাড়ি এসেছিস বেরাবি না তাই হয়। এই বলে মেশিন কাঁধে তুললাম।
বোন- কি চলে যাবি নাকি এখন বাড়ি।
আমি- হ্যা চল বাড়ি যাই।
বোন- এখন কোন কাজ আছে যে বাড়ি যাবি তোর কাজ হয়ে গেছে তো দাড়া না একটু কথা বলি। এদিকে তো কেউ নেই আমরা দুজনে। এই নাইটিটা আসার আগে আমাকে কিনে দিয়েছে কেমন লাগছে আমাকে দাদা।
আমি- ও সকালে বুঝি পড়েছিস এটা আমরা আসার পরে খেয়াল করিনি তো। দারুন লাগছে তবে কালকে তোকে লেজ্ঞিন্সে অনেক ভালো লেগেছিল তোকে।
বোন- কেন আমাকে এখন কি খারাপ লাগছে নাকি এই নাইটিতে।
আমি- না তবে ভেতরে কিছু পরিস নি কেন।
বোন- না বাড়িতে এমনিতেই পরিনা এরকম থাকি আর বাপের বাড়ি এসে তো একটু স্বাধীন থাকবোই। তোর খারাপ লাগছে আমাকে দেখে।
আমি- দাদার সামনে এমনভাবে কেউ থাকে চল বাড়ির দিকে যাই।
বোন- দাদার কাছে বোনেরা স্বামীর থেকেও নিরাপদ বেশী আমার কিসের ভয়। এই বলে নাইটি একটু তুলে নাড়া দিল আর দুধ দুটো এদিক করে উঠল।
আমি- একটা কথা বলব তুই স্বামির কাছে সুখ পাস না সত্যি বলবি।
বোন- সত্যি বলব পাই মাঝে মাঝে ও তো চড়ুই পাখির মতন বার বার ওঠে নিজের হলেই হল আমার কি হল সে ধ্যান ওর নেই।
এর মধ্যে আবার মায়ের ডাক কি হল তোরা আসছিস না কেন বাড়ি আয় আমি একা পারি, মা পুকুরের অপার থেকে ডাক দিল আমাদের যদিও দেখা যাবেনা কিন্তু মায়ের গলা আমারা শুনতে পেলাম।
আমি- চল বাড়ি যাই পরে কথা বলব আমরা।
বোন- না দাদা যাচ্ছি সব তো মায়ের কাজ করে দিয়েছি মা কেন এত ডাকে বুঝিনা তুই দারাতো।