ডোনার(সংশোধিত ও পরিপূর্ণ) - অধ্যায় ৫
আসলে নেহাই কৌশলে "তোমার ব্লাড তোমার আদল ছাড়া অন্য কারো সন্তান গর্ভে নিতে পারবো না আমি" বলে বাছাই করে অনিলকে।নিজের বাবা রাহুল ইতস্তত করায় নেহাই বোঝায় তাকে যে আর যাই হোক দুজনার মাঝে কখনো আড় হয়ে দাঁড়াবেন না অনিল।আধুনিক ছেলে রাহুল তার উপর নেহাকে চোখে হারায়।ব্যাক্তিত্বময়ী বৌএর প্রস্তাব তাই অনেকটা সহজেই মেনে নেয় একপ্রকারে।নিজের বাবাকে কখনো দেখেনি নেহা।একটা ইডিপাস কমপ্লেক্স সেই কিশোরীকাল থেকেই প্রবল তার ভেতরে।তাছাড়া প্রথম দর্শন থেকেই একটা অমোঘ আকর্ষণ সে অনুভব করেছিলো বয়স্ক পুরুষালী বিপত্নীক শ্বশুরের প্রতি।আসলে নিজের ইন্সটিন্ক্ট দিয়ে বুঝেছিলো নেহা যে তার প্রতি পুত্রবধূ হিসাবে স্নেহ আর ভালোবাসাই শুধু নয় একটা অন্যরকম আকর্ষণও আছে অনিলের আর সেটা যে খুব একটা নিরামিষ নয় সেটাও নারীসুলভ অনুভূতি দিয়ে বুঝে নিতে বাকি নাই তার। তাই প্রথম মিলন থেকেই উদ্দাম হয়ে উঠেছিলো নেহা।ঘরের আলো অন্ধকারে নেহার অনিন্দ্যসুন্দর মুখমণ্ডলে একটা বিষ্ময় মুগ্ধতা আর তৃপ্তির আভা দেখেছিলেন অনিল,তিনি যখননেহার যোনীর গভীরে বির্য ঢালছিলেন তখন যে বড়বড় ভালোলাগা চোখে তার দিকে তাকিয়ে ছিল নেহা সে থেকেই অনেক কিছু বোঝা হয়ে যায় তার।
যে চুম্বন সেদিন করতে পারেন নি সাত দিনের মাথায় সেটা পেয়েছিলেন অনিল।আসলে নেহাই প্রথম চুম্বন করেছিলো তাকে।সাত দিনের মাথায় তাকে ফোন দিয়েছিলো নেহা।তিনি তখন পাটনায়।এ ক দিন পুত্রবধূর দেহ সুষমা আবছা আলোয় দেখা ছোট খাটো নেহার বুক জোড়া গুম্বুজের মত বিশাল স্তন লোমে ছাওয়া গোপোনাঙ্গ দেহ সৌরভ উন্মনা উন্মত্ত করে তুলছিলো তাকে।সাত দিন পর নেহার উর্বর কাল শুরু কিন্তু তিব্র আগ্রহ স্বত্তেও নিজের ভেতরে একটা লজ্জা অনুভব করছিলেন তিনি।যাবেন কি যাবেন না দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছেন এসময় বিকেলে এসেছিলো নেহার ফোন।