দেওরের পৌষমাস বউদির সর্বনাশ - অধ্যায় ৩

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-54631-post-5202544.html#pid5202544

Posted on Thu Apr 13 2023 by Manali Basu (Profile)

555 words / 3 min read

Parent
৩ তিমির কে দেখেই বোঝা যাচ্ছিলো ও কতোটা হকচকিয়ে গেছে ধরা পড়ে গিয়ে। মাথা নিচু করে বললো , "আই এম সরি বউদি , আমার ভুল হয়েগেছে। আমাকে ক্ষমা করে দাও। প্লিজ তুমি এসব মা বাবা বা দাদামণি কে বলো না। প্লিজ , তোমার পায়ে পড়ছি। " চোখ কটমটিয়ে সুস্মিতা বললো , "তুমি ভাবলেও বা কি করে যে আমি এসব ওঁনাদের বলতে যাবো ? কি করে বলবোও বা এসব ! ছিঃ। এসব শুনলে তাঁরা আমাকে ছিছিক্কার করবে , আর দুষবে তোমাকে ফোন দেওয়ার জন্য , তাঁদের শত বারণ সত্ত্বেও। " সুস্মিতার রাগ থামার নাম নিচ্ছিলো না। ক্রমাগত সে তার দেওর কে বকে যাচ্ছিলো। আর তিমির চুপ করে মাথা নিচু করে সব শুনে যাচ্ছিলো। এই করতে করতে একটা সময়ে তিমির কেঁদে ফেললো। তা দেখে সুস্মিতার অল্প মায়া হলো ছেলেটার উপর। সুস্মিতা ভাবলো এই বয়সটাই তো এরকম। ভুলচুক তো হবেই। আসল ভুলটা তো তারই হয়েছে এতো তাড়াতাড়ি তিমিরের হাতে ফোন দিয়ে। ভুল যখন সেই করেছে , শোধরাতে তাকেই হবে। তাকেই তিমিরকে ঠিক করতে হবে। বন্ধু হিসেবে তাকে সদুপদেশ দিতে হবে। তাই সুস্মিতা নিজের রাগকে প্রশমিত করে বললো , " তিমির , কান্না বন্ধ করো। এসব তোমার জন্য ঠিক নয়। এই বয়সটা পড়াশুনো করার। এখন যদি তুমি পড়াশুনা না করো তাহলে জীবনেও তুমি নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারবে না। জীবনে সফল হলে তুমি এমনিতেই একটা ভালো মেয়ে পাবে। সো ডোন্ট বি ডিস্ট্রাক্টেড। " সুস্মিতা নিজের দেওর কে অনেক বোঝালো এ ব্যাপারে। তিমির সব শুনলো কিন্তু কোনো ইতিবাচক সাড়া দিলো না। মনে হচ্ছিলো যেন বউদির জ্ঞান ভরা কথা তার মোটেই ভালো লাগছিলো না। কিন্তু সুস্মিতা তিমিরকে স্পষ্ট জানিয়ে দিলো যে তার কোনো ম্যাসাজ পার্লারে যাওয়া চলবে না। সে যেন বন্ধুদের মেসেজ করে জানিয়ে দ্যায় যে সে সেইদিন তাদের সাথে যেতে পারবে না কারণ তার বউদির খুব শরীর খারাপ। ভাঙা মন নিয়ে তিমির সুস্মিতার কাছ থেকে ফোনটা নিয়ে সুস্মিতার কথামতো নিজের বন্ধুদের হোয়াটস্যাপ করে জানিয়ে দিলো তার না যাওয়ার কথা। সুস্মিতা লক্ষ্য করলো যে তিমির প্রচন্ড হতাশ হয়ে গ্যাছে ম্যাসাজ পার্লারের প্ল্যান ক্যানসেল হয়ে যাওয়া তে। সুস্মিতা তাও সিওর হওয়ার জন্য তিমিরের কাছ থেকে সব টাকা নিয়ে নিজের কাছে রাখলো , যাতে সে কোনো অছিলায় ম্যাসাজ পার্লারে যেতে না পারে। একটাই শান্ত্বনা ছিল সুস্মিতার কাছে যে তার দেওর কোনোরকমের প্রতিরোধ তার সামনে রাখেনি। চুপচাপ সব মেনে নিলো। কিন্তু সুস্মিতা বুঝলো যে তার কাজ এখানেই শেষ হয়ে যায়নি। তাকে এখন তার দেওর কে পুনরায় সঠিক ধারায় নিয়ে আসতে হবে , তার একাডেমিক রেজাল্ট উন্নত করার জন্য। তার জন্য তাকে আরো বেশি করে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করতে হবে নিজের দেওরের সাথে। তাই ম্যাসাজ পার্লারের প্ল্যান ক্যান্সেল হয়ে যাওয়াকে কম্পেন্সেট করতে সুস্মিতা ভাবলো তিমিরের প্রিয় খাবার রান্না করবে। যেকনো ভাবেই হোক তাকে তার দেওর কে খুশি করতে হবে। যাতে তিমিরের মনকে সে ডাইভার্ট করতে পারে। বিকেলে সে তিমিরকে নিয়ে একটা ভালো রেস্টুরেন্টে গেলো। পরের দিন তাকে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল ঘোরাতে নিয়ে গেলো। তার পরের দিন তাকে সিনেমা দেখাতে নিয়ে গেলো। ঘরেতেও সে তিমিরকে ভালো ভালো রান্না করে খাওয়াতে লাগলো। সুস্মিতা চাইছিলো না যে তিমিরের মনে হোক তার বউদি তার সাথে ডিসটেন্স মেনটেইন করছে তার উঠতি বয়সের কামার্ত মনোভাব দেখে। তাই সে নর্মাল ভাবে তিমিরের সাথে মিশছিলো। কখনো দেওরের কাঁধে হাত রেখে সেলফি তুলছিলো , তো কখনো উরুতে চাপড় মেরে মজা করছিলো , যেমনটা সে করে থাকতো তিমিরের সাথে। কিন্তু তাও সুস্মিতা তার মুখে হাসি ফোঁটাতে পাচ্ছিলো না। তিমির সবসময়ে উদাস মুখ করে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। সে একেবারেই তার বউদির সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছিলো। সে শুধু এক বা দুই শব্দ প্রয়োগ করে বউদির সব কথার উত্তর দিচ্ছিলো।
Parent