কখনও সময় আসে - অধ্যায় ১

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-42030-post-3857002.html#pid3857002

Posted on Thu Oct 21 2021 by Sreerupamitra (Profile)

537 words / 2 min read

Parent
অদিতি যেদিন কলেজে চাকরি পেল সেদিন ওর ভীষণ ইচ্ছে করছিল উড়তে। কিন্তু ওর ওড়া সহ্য হলনা ওর বাবা মায়ের। ওর বাবা অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় একজন সরকারি কর্মচারী, রাইটার্স বিল্ডিং এর একটি তলার বড়বাবু। ওর মা রাতুলা গৃহকর্ম নিপুণা এক ভদ্র মহিলা। রাতুলা ভীষণ সুন্দরী ছিলেন এক সময়, তা আজও সম্পূর্ণ বিলিন হয়ে যায়নি। মাত্র উনিশ বছর বয়েস এ ওর বাবা বিয়ে দেয় ওর তখন অদিতির বাবা সবে চাকরি পেয়েছে, ২৪ বছর বয়েস। ওরা দুজনেই গ্রামের মানুষ। গ্রামের জায়গা জমি বেচে কলকাতার উত্তর প্রান্তে একটি আবাস কেনে ওরা দুই কামরার। তখন অদিতি স্কুল এ পরে। অদিতি খুব ভাল ছিল পড়া শোনায়। কিন্তু তার থেকে বেশী ছিল ওর সৌন্দর্য ও লাবণ্য। বেশি দিন আটকে রাখতে চাইলনা বা পারলনা অরুন ও রাতুলা। কলেজ সার্ভিস দিল ২৫ বছর পার হতেই ; আর প্রথম বারই পেয়ে গেল কলকাতা থেকে বেশ দূরের একটি কলেজ এ। ওর বিষয় ছিল বাংলা। আর কয়েক মাস পর ই ওর সাথে বিয়ে শুভদীপ এর। শুভ খুব ভাল ছেলে, ওর বাবার এক বন্ধুর জানা চেনা। ছেলেটির বয়েস তখন ২৭, টি সি এস এ জয়েন করেছে। শুভ নিজেও বাবা মায়ের এক মাত্র ছেলে তবে শুভর মা নেই, বাবার কাছেই মানুষ। শুভর বাবা রাজীব, ডাক্তার, এম ডি, তবে খুব ব্যস্ত না। মোটামুটি পসার, কয়েকটা নারসিং হোম ও মেডিকেল সেন্টার এর সাথে যুক্ত। বিধান নগর এর ডি বি ব্লক এ একটা তিন কামরার ফ্ল্যাট। বিয়ের পর শুভ ট্র্যান্সফার হয়ে যায় বাঙ্গালোর। সেই সময় রাতুলার বয়েস ৪৬ এবং অরুণোদয় বাবুর ৫২। অদিতি শুভকে বলে ছিল ওর সাথে যাবে, প্রয়োজনে চাকরি ছেড়ে দেবে, কিন্তু শুভ, ওর বাবা এবং অদিতির মা এবং বাবা বারন করে। ফলে ও আর শুভ আলাদা থাকতে শুরু করে। ওরা মাঝেমাঝে এক সাথে থাকতো কখনও কলকাতায় বা বাঙ্গালোর এ। মোটামুটি ভালই চলছিল বিয়ের পর ৬মাস মত। তার পর বেশ কয়েকটি ঘটনা ও দের জীবনে এক অভূতপূর্ব পরিবর্তন এনে দেয়। সেখান থেকেই এই ঘটনার শুরু। রাতুলার কথাঃ শুভ ও অদিতির বিয়ের দিন ই ওর সাথে প্রথম আলাপ হয় রাজীব এর এক বন্ধু সন্দিপ এর। সন্দিপ ব্যাবসাদার, বয়েস বছর ৪৫-৪৬। দেখতে বেশ ভাল, সুপুরুশ বলা চলে। ওর অনেক রকম ব্যবসা, কলকাতায় কৃষ্ণা বিল্ডিং এ নিজস্ব অফিস, রাতুলা শুনেছে অনেক লোক সেখানে কাজ করে। সেই তুলনায় ওরা ছাপোষা। অরুন বাবু কে নিয়ে গিয়ে দু এক দিন সন্দিপ ওদের বাড়ি পৌঁছে দিয়েও গেছেন, সেই সুত্রে সন্দিপ ওদের বাড়ি এসেছে, রাতুলার সাথে কথা ও হয়েছে। অরুন বাবু ভীষণ মুখচোরা ধরনের, কারও সাথে বেশি ক্ষণ কথা বলতে পারেন না। স্বাভাবিক ভাবেই রাতুলা কে কথা বলতে হয় এবং বসতে হয় সেখানে। তৃতীয় দিনের সন্ধ্যে, অরুন রাতুলা কে ফোন করে জানায় যে ও সন্দিপ এর অফিস এ যাচ্ছে। অরুন বাবুই ওকে বলে সন্দিপ কে রাত্রে নিমন্ত্রন করতে ডিনার এ। রাতুলা বলে “তুমি বলে এস”। অরুন বাবু বলে,” ও আমার দ্বারা হবে না, তুমি ফোন করে বলে দাও”। অগত্যা ওর নিজের মোবাইল থেকেই ফোন করে রাতুলা- - হ্যালো, সন্দিপ বাবু? হাঁ, কে? আমি রাতুলা ব্যানার্জি বলছি ওরে বাবা, কি সৌভাগ্য আমার, বলুন দেবী, কি আদেশ হেসে ফেলে রাতুলা, বাবা, কত ঢং, আচ্ছা শুনুন, আজ রাত্রে ডিনার টা এখানেই করবেন। শুধু ডিনার? ডিনার ছাড়া আর কি? রাতুলা বলে বসে। ডিনার এর পর যেটা থাকে সেটাও হলে মন্দ হয়না রাতুলা বুঝতে পারেনা, কি বলতে চাইছে সন্দীপ। বুঝলাম না, খুলে বলুন দেখা হলে বলব। আর শুনুন, আজ সন্ধ্যায় আপনি সেই অদিতির ফুলশয্যার দিন যে শাড়ী আর ব্লাউস পরেছিলেন, সে টা পরবেন। আমার অনুরোধ। আচ্ছা।
Parent