প্রবাসী ছেলের প্রেমজালে পাগল আম্মা - অধ্যায় ১২
আম্মা- কার ছেলে দেখতে হবেনা, আসমা বেগমের ছেলে, এভাবে চললে কেউ বুঝতে পারবেনা, আমরা মা ছেলে কেমন কথা বলি, সবার সামনে মা ছেলে থাকবো কিন্তু আমরা ভালো বন্ধু হয়ে থাকবো। এমনি যা বলার বল কিন্তু কারো সামনে আম্মা ছাড়া আর কিছু বলবে না কেমন।
আমি- হুম জানি আম্মা, তোমাকে এত ভালবেসে ফেলেছি আবেগ আটকাতে পারিনা। আরেকটু মোবাইলের কাছে আস, দুরে তাই ভালো বোঝা যায় না।
আম্মা- ইস কাছে বসলে সব বড় বড় দেখতে লাগে, তুমি কি ভাব তাই দুরে বসেছি।
আমি- আম্মা দেখব আমি, বড় দেখলে সমস্যা কি আর তো কেউ নেই, এপারে আমি একা আর ওপারে তুমি একা।
আম্মা- আবার নিচু হয়ে একটু ক্যামেরার সামনে এসে বলল এবার হয়েছে তো।
আমি- আঃ আম্মা কি সুন্দরী তুমি এবার ভালো করে বুঝতে পারছি আমার আম্মা কত সুন্দরী। আম্মা তোমার মতন সুন্দরী মেয়ে খুব কম দেখা যায় ঢাকাতেও আমি খুব কম দেখেছি, তোমার মতন, এমন ফিগার গঠন, হয় অনেক মোটা না হয় স্লিম, আর মুখশ্রীও তোমার মতন দেখিনি, এক কথায় তুমি এক আর অদ্বিতীয়। তোমার তুলনা তোমার সাথেই চলে।
আম্মা- কি বলছ বাজান আম্মার এত প্রশংসা করছ আমার কেমন লাগছে। এই বয়সে আর কি অত সুন্দরী থাকা যায়।
আমি- আম্মা কি আর তোমার বয়স মাত্র তো ৩৯, সবে তো জীবনের শুরু, বলেছিনা আব্বার বয়স কম হলে আমার আরো ভাইবোন এখনো হত। আর তুমি বলছ বয়স হয়ে গেছে, এই বয়সে কত মেয়ের বিয়েই হয়না।
আম্মা- আব্বা যার স্বামী অক্ষম তাঁর এসব ভেবে লাভ নেই, যা পেয়েছি তাই নিয়ে থাকবো, অযথা স্বপ্ন দেখে কি লাভ বল।
আমি- আম্মা আমি আছি না, তোমার সব স্বপ্ন আমি পুরন করব, তোমার জীবনের অনেক চাওয়া পাওয়া আমি পুরন করব, তোমার এমন জোয়ান ছেলে থাকতে কিসের ভয় আম্মা। আমি সব সময় তোমার পাশে ও কাছে থাকবো।এখন তোমার স্বপ্ন দেখার সময় কেন দেখবে না। কেন তুমি অপূর্ণতায় থাকবে তোমার সব স্বপ্ন আমি এই তোমার ছেলে পুরন করবে আজ কথা দিলাম। আম্মা দেবে তো ছেলেকে স্বপ্ন পুরন করার সুযোগ।
আম্মা- আমার কি সে সৌভাগ্য হবে আব্বা, জীবনে অনেক সখ আহ্লাদ ছিল সব তো তোমার আব্বা জলাঞ্জলি দিয়ে দিয়েছে, বুকে পাষাণ চাপা দিয়ে আছি। পড়াশুনা করে চাকরি করব ভালো হান্ডসাম স্বামী হবে অনেক বাচ্চার মা হব, সে তো আর কোনদিন হবেনা।
আমি- আম্মা মন থেকে চাইলে সব হয়, তোমারও হবে।
আম্মা- এবার হেঁসে কি যে বলেন আব্বা এসব স্বপ্ন যা সব ভেঙ্গে গেছে যা গেছে সে আর পাওয়া যাবেনা। সব কিছু মানুষের সাধ্যের মধ্যে থাকেনা, আপনার অল্প বয়স সব আপনি বুঝবেনা। রাত অনেক হয়েছে এবার আমরা ঘুমাতে যাই। আমি তোমার আম্মা তোমার কাছে থাকবো, এ কথা দিতে পারি।
আমি- আচ্ছা তবে কি এখন রাখবো আম্মা।
আম্মা- হ বাজান মোবাইল গরম হয়েগেছে কম সময় হলনা, কালকে আবার কথা বলব এখন রাখি, আর তুমি কিন্তু আমাকে গল্পের লিঙ্ক দিলে না। দিনের বেলা ফাঁকা থাকি তখন পড়তে পারি।
আমি- আচ্ছা আম্মা দেখছি কালকে অবশ্যই পাঠাবো আমাকেও দেখে পাঠাতে হবে তো। সকালে তোমার মুখ দেখে আম্মা আমি কাজে যেতে চাই।
আম্মা- আচ্ছা তবে সরাসরি ভিডিও কল দিও আমি কথা বলব। এবার রাখ সোনা বাপজান আমার, না ঘুমালে কাজ করে আরাম পাবেনা।
আমি- আচ্ছা আম্মা বলে একটা ফ্লাইং কিস দিলাম।
আম্মা- পাল্টা আমাকে একটা ফ্লাইং কিস দিল আর বলল রাখ এবার সোনা, ভালো করে ঘুমাও।
আমি- উম আম্মা বলে মোবাইল হাতে নিয়ে লাইন কেটে দিলাম।
আম্মার রুপ দর্শন আর কথা বলে এটুকু বুঝতে পাড়লাম আম্মাকে ভবিষ্যতে হয়ত বা আম্মাকে আমার বাহু বন্ধনে আবদ্ধ করতে পারবো। এই সব ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি মনে নেই সকালে উঠতেও দেরী হয়ে গেছে সুখের ঘুম তো যা হোক উঠেই খাবার রেডি করে সময় মতন বের হব মনে পড়লে আম্মাকে ফোন করার কথা তাই দেরী না করে আম্মাকে ফোন লাগালাম।
আম্মা- বল বাজান দেরী হয়ে গেল না।
আমি- হ আম্মা ঘুম থেকে উঠতে দেরী হয়ে গেছে, তোমার মুখানি দেখে আমার আর কষ্ট রইল না আম্মা এবার কাজে যাবো, আব্বা ভালো আছে তো।
আম্মা- হ্যা এখনো ঘুম থেকে উঠেনি, ঘুমের ওষুধ খায় তো আমি একাই উঠেছি।