রাহুলের বন্ধু রোহন ও তার মা - অধ্যায় ৩
মা রাহুলের উপর বসে থাকা অবস্থাতেই চমকে উঠে আমার দিকে তাকাল। তার চোখে লজ্জা আর ভয় মিশে গেছে। রাহুলও একটু ঘাবড়ে গেল, কিন্তু ধোনটা এখনও মায়ের ভিতরে।
আমি চুপ করে দাঁড়িয়ে আছি।
মা কয়েক সেকেন্ড চুপ করে থেকে কাঁপা গলায় বলল,
“তুই… এখানে কতক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছিস?”
আমি জবাব দিলাম না। মা রাহুলের বুকে মাথা নামিয়ে ফেলল।
রাহুল একটু হেসে বলল,
“কী মাসি, এখন তো সব বেরিয়ে গেছে। লুকিয়ে আর লাভ নেই।”
মা ধীরে ধীরে রাহুলের ধোন থেকে উঠে পাশে বসল। নাইটিটা টেনে শরীর ঢাকার চেষ্টা করল, কিন্তু পুরোপুরি ঢাকা যাচ্ছিল না।
মা আমার দিকে না তাকিয়েই নিচু গলায় বলল,
“তোর বাবা… তোর বাবা এসব কিছু জানে না। সে অফিস নিয়ে এত ব্যস্ত থাকে যে বাড়িতে এসে শুধু খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। আমাদের মধ্যে অনেকদিন ধরে কিছু হয় না।”
আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করলাম,
“মানে… বাবা তোমাকে কিছুই দিতে পারে না?”
মা লজ্জায় চোখ নামিয়ে বলল,
“হ্যাঁ। অনেকদিন হয়ে গেছে। দু-তিন মিনিটের বেশি হয় না। তারপর ঘুমিয়ে পড়ে। আমি কতদিন চেপে রেখেছি… কিন্তু আর পারছিলাম না।”
রাহুল পাশে বসে সিগারেট ধরাতে ধরাতে বলল,
“দেখ বন্ধু, তোর মা খুব ভালো মানুষ। কিন্তু তোর বাবা তাকে সুখ দিতে পারছে না। তাই সে আমার কাছে এসেছে। আমিও প্রথমে চাইনি, কিন্তু… একবার শুরু হয়ে গেল।”
মা রাহুলকে থামিয়ে দিয়ে বলল,
“থাক রাহুল। আর বলিস না।”
তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বলল,
“বাবু, তুই আমাকে খুব খারাপ ভাবছিস, না? আমি জানি আমি অন্যায় করছি। কিন্তু তোর বাবার সাথে থেকেও আমি কতদিন একা অনুভব করেছি… তুই বড় হয়ে গেছিস, হয়তো বুঝবি।”
আমি গলা শুকিয়ে বললাম,
“বাবা যদি জানতে পারে?”
মা ভয় পেয়ে বলল,
“প্লিজ বাবু… তোর বাবাকে কিছু বলিস না। সে সহ্য করতে পারবে না। তার অফিসের চাপ, বয়স — সব মিলিয়ে সে এখন অনেক দুর্বল হয়ে গেছে। আমি চাই না তার আরও কষ্ট হয়।”
রাহুল আমার কাঁধে হাত দিয়ে বলল,
“শোন, আমরা তিনজনই এটা গোপন রাখব। তোর মা যা চায়, তা তোর বাবা দিতে পারছে না। তুইও তো দেখলি কতটা অস্থির হয়ে ছিল।”
মা চোখে জল নিয়ে বলল,
“আমি খুব লজ্জিত বাবু… কিন্তু সত্যি বলছি, তোর বাবা আমাকে আর স্পর্শ করলেও কোনো অনুভূতি হয় না। আর রাহুল… ও যখন করে, তখন আমার শরীর জেগে ওঠে।”
আমি চুপ করে সব শুনছিলাম। মায়ের মুখে বাবার সম্পর্কে এমন কথা শুনতে অদ্ভুত লাগছিল।