রসভান্ডার - অধ্যায় ৪৭
ধন্যবাদ ♥️
একদমই তাই। ধৈর্য ও অধ্যাবসায় রান্নার ক্ষেত্রে সবচেয়ে জরুরি। অনেকেই দেখি মাংস বসিয়ে অপেক্ষা না করেই কাঁচা পরিবেশন করেছেন, কিংবা আবার অনেকেই তাপের চোটে ঘামে ভিজে শেষমেষ রেগেমেগে রান্না ফেলেই পালিয়েছে। যদিও সত্যিই যাদের অসুবিধা তাদের কথা বলছিনা। কিন্তু সুস্বাদু রান্না ভোজন রসিকদার সামনে নিয়ে আসতে অনেকেই অক্ষম। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিজ কাজের প্রতি বিশ্বাস ও ভালোবাসা ও উত্তেজনা থাকাটাই আসল। সেটা ইলিশ মাছ এর রেসিপি হোক বা চিলিচিকেন থেকে বিরিয়ানি বা ডাল ভাত আলুভাজাই হোক।
আর হজমের কথায় বলবো অনেকেরই আবার পেটের গোলমাল হয়। সেটা ভুলে গেলে চলবেনা। আবার কেউ লম্বা লম্বা ঢেকুর তোলে। মাংসে বেশি বা কম লঙ্কা অনেককেই ঝামেলায় ফেলে। ঘন ঘন জল খেতে হয়। কিন্তু এটা ভুলে যান যে লঙ্কা স্বাদ কতটা বাড়িয়ে দেয়। যদিও অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালো নয়। গল্পে প্রয়োজনে গরু গাছে উঠতেই পারে। কিন্তু যেন গাছে চোড়ে সে ডানা মেলে উড়ে বেড়াবে নাকি ঘুম ভেঙে দেখবে স্বপ্ন ছিল এটা লেখকদের ওপর। পরিস্থিতি স্বাভাবিকতার বাইরে হলেও (যেমন ইরোটিক হরর কিংবা কাল্পনিক ফ্যান্টাসি) যেন খেলাটা মাঠেই হয়। মাঝ আকাশে নয়।