আব্বার তালাক দেওয়া বউকে বিয়ে করলাম। - অধ্যায় ১৪
আম্মা- তুমি আমার রাজপুত্র বাজান, আমার এত খেয়াল রাখ তুমি, তুমি সত্যি আমার মন বোঝ বাজান, তোমার আব্বা এমন করে কোনদিন বোঝে নাই। আমার খুব পছন্দ হয়েছে বাজান। তুমি মানুষের মন পড়তে পার মনে হয়, না বলার আগেই তুমি বুঝে যাও।
আমি- আম্মা এখানে বস বলে দুজনে পাশাপাশি বসলাম আমি আম্মার হাত ধরে আমার তুমি ছাড়া কে আছে আম্মা তুমি আমার সব তুমি ভালো থাকলে তো আমি ভালো থাকবো কাজে গিয়ে আমার এখন আর চিন্তা থাকবেনা আম্মা কি ভাবছে কি করছে এইসব।
আম্মা- না বাজান আমি তো সব সময় তোমার কথা ভাবি তুমি কত কষ্ট করছ আমার জন্য, বিনিময়ে আমি শুধু একটু রান্না করে দেই আর কি পারি তোমার করে দিতে, আমার তো আয় করার যোগ্যতা নেই বাজান ঘরের কাজ ছাড়া আর কিছু পারিনা।
আমি- আম্মা তোমাকে আর কোন কাজ করতে হবেনা আমাকে ভালবেস তাহলেই হবে।
আম্মা- সোনা বাজান আমার তোমার জন্য আমি আমার এই প্রান্টা দিয়ে দিতে পারি।
আমি- না আম্মা আমার জন্য তোমাকে প্রান দিতে হবেনা আমার সাথে থাকবে তুমি তাতেই হবে।
আম্মা- বাজান এবার তবে কি খাবে রাত তো অনেক হল।
আমি- হ্যা আম্মা খাবার তো ঘরেই তাইনা।
আম্মা- হ্যা গরম করব নাকি খাবার।
আমি- না দরকার নেই দুপুরে তো ভালই খেয়েছি গরম করলে স্বাদ নষ্ট হয়ে যেতে পারে তুমি নিয়ে আস।
আম্মা- বাজান দুপুরে অনেক খেয়েছি এখন আবার খাবো গ্যাস হবে নাতো সেদিনের মতন।
আমি- আম্মা সেইজন্য আমি গ্যাসের ট্যাবলেট নিয়ে এসেছি খাবার আগে খেয়ে নাও তবে আর অসবিধা হবেনা তোমার জন্য দামী এনেছি। পানি নিয়ে আস ঠন্ডা দেখে আমি বের করছি।
আম্মা- আচ্ছা কল থেকে নিয়ে আসি তাহলে শাড়ি খুলে রাখি তারপরে যাই কি বল।
আমি- না না তোমাকে নতুন বউর মতন লাগছে এইটা পরেই থাকো আম্মু। আজ এটা পরে থাকবে দরকার হলে রাতে খুলে রাখবে কিন্তু এখন পরে থাকো।
আম্মা- একা একা পারাজাবে নাকি তখন সেফটিফিন দেওয়া আগে খুলে নিলে হত না।
আমি- না থাকো না পরে আমি খুলে দেব না পারলে। তুমি পানি আন আমি ট্যাবলেট বের করি যাও।
আম্মা- আচ্ছা বলে জগ নিয়ে বেড়িয়ে গেল পানি আনতে।
আমি- আম্মার জন্য আনা ট্যাবলেট বের করলাম আর আমার জন্য আনা ট্যাবলেট বের করলাম। আম্মুকে দুইটা দিলাম আর বললাম এই নাও এই দুটা খেয়ে নাও আমিও খেয়ে নিচ্ছি বলে আমি দুটো খেয়ে নিলাম।
আম্মা- তবে মাংস আর ভাত আনি বাজান।
আমি- হ্যা আম্মু এখন গোস আর ভাত খাবো।
আম্মা- দুই পেলেটে ভাত আর গোস আনল আর বলল বস বাজান বস।