আমাদের দুই পরিবারের এক হওয়ার গল্প - অধ্যায় ৮
আমি সত্যি মোবাইল বন্ধ করে শুয়ে পড়লাম। ভাবতে লাগলাম তনুকে আমার পছন্দ না সে আমি বলতে পারবো না খুব ভালো মেয়ে কিন্তু ঐযে বয়সে বড়। যদি বাবা মা দেয় না করা যাবেনা কিন্তু সব সময় আমাকে শাসন করবে এটাই ভয়। এইসব ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পড়লাম।
সকালে তড়িঘড়ি উঠে স্নান করে অফিসের জন্য রেডি হলাম। মা খেতে দিলে খেয়ে সোজা রেডি হয়ে বের হব তখন দিদি আমাকে টিফিন দিল। আজকে বড় একটা টিফিন বাটি। আমি হাতে নিয়ে ব্যাগে ভরে নিলাম। তারপর বাবা মাকে বলে বেড়িয়ে পড়লাম। সোজা স্টহেশনে গেলাম আমি আজকে আগে গেলাম। গিয়ে তপনের জন্য সিট রাখলাম।
দিদি আমাকে ফোন করে বলল তপনকে দিস কিন্তু টিফিন।
আমি ও আচ্ছা এই হচ্ছে তাইনা এখনও আসেনি ট্রেন ঢুকে গেছে।
দিদি এখনও আসেনি আমাকে তো বলল বেড়িয়ে গেছে।
আমি বাঃ বাঃ তবে ওর হাতে দিয়ে গেলে পারতি আমাকে দিলি কেন।
দিদি দেব দেব সময় হলে নিজেই দেবো আজকে তুই দিয়ে দিস কেমন।
আমি হ্যা দিয়ে দেবো আমার জামাইবাবু তো না দিলে হবে।
দিদি রাখ এখন সিট রাখিস ওর জন্য। একসাথে দুজনে জাস সাবধানে।
আমি হ্যা রেখেছি ভাবতে হবেনা। আমি ওকে অফিস পোউছে দেবো আবার নিয়ে আসবো।
দিদি ওদিকে কিন্তু রেগে আছে মোবাইল বন্ধ করে রেখেছিলি বলে ফোন করিস তুই। ভয় নেই আমি বলে দিয়েছি তোকে ভয় পায় তাই মোবাইল বন্ধ করে রেখেছে।
আমি রাখ তো তুই একদিনে কত পরিবর্তন তাইনা। বলে আমি রেখে দিলাম।
কিছুখন পরে তপন এল এসে আমার পাশে বসে বলল কালকে মোবাইল বন্ধ রেখেছিস কেন ফোন করেছিলাম।
আমি ভাই তোর কপাল ভালো দিদি তো রাজি।
তপন হ্যা কথা হয়েছে রাতে দিদিও ছিল আমার কাছে দিদি তোর উপর খুব রেগে আছে মোবাইল বন্ধ করেছিস বলে।
আমি ধুর সত্যি বলছি যে ভয় তাই হল তোর দিদিকে আমার ভয় লাগে আমার বসের থেকেও বেশী।
তপন হ্যা তোর দিদি বলেছে সব আমার দিদি তো শুনে হেঁসে দিয়েছে আর বলেছে পাগল একটা। এই বলে ব্যাগ থেকে টিফিন বক্স বের করে বলল এই নে তোকে নিজের হাতে বানিয়ে দিয়েছে একটা তোর।
আমি কে বানিয়ে দিয়েছে
তপন আবার কে আমার দিদি দিল বলল দিস এটা তোর পাগলা বন্ধুকে।
আমি ওরে বাবা এখনও কোন কথা হলনা এরমধ্যেই টিফিন আমাকে কাছে পেলে পেটাবে জানিস তো।
তপন তা হতে পারে ভাই খুব রেগে আছে নাম্বার নিয়েছিস তো। একটা ফোন করিস না হলে সামলাতে পারবিনা।
আমি না তুই একটা ফোন কর একটু কথা বলি।
তপন এইত বন্ধু কোথায় যাবে এবার কথা বলতেই হবে। বলে মোবাইল বের করে কল করে বলল এই দিদি নে কথা বল। বলে আমার হাতে মোবাইল দিল।