আমার মুটকি মায়ের আদর - অধ্যায় ৩
৩)
আমি দ্বিতীয় শ্রেণীতে উঠলে মা একরকম জোর করেই আমার দুধ ছাড়িয়ে দিয়েছিলো। তখন আর বায়না করলেও দুদু খেতে দিতো না। এমনকি দুদু নিয়ে খেলতেও দিতো না। আমি প্রথম কয়েক কান্নাকাটি করে মায়ের দুদুর ওপর আমার অধিকার ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করে শেষে রণে ভঙ্গ দিয়েছিলাম। তবে মা তাঁর পেট নিয়ে খেলতে কোনো বাধা দিতো না। আমি তাই দুপুরে বা রাতে মায়ের সাথে সবার সময় মায়ের পেট নিয়েই খেলে নিজেকে সান্তনা দিতাম। অবশ্য মায়ের পেট নিয়ে খেলতে আমার খুব আরাম আর ভালো লাগতো। মায়ের থলথলে ভুঁড়ি। দুহাতে যখন মায়ের ভুঁড়ির নরম চর্বি খামচে ধরতাম তখন চোখ বুজে মনে মনে কল্পনা করতাম যেন মায়ের দুদু টিপছি। কোনোকোনোদিন মায়ের ভুড়িতে মুখ ডুবিয়ে হাওয়া বের করে আওয়াজ করার বদলে দুদু চোষার মতো করে চুষতে চুষতে শুরু করতাম। মা বলতো "দুদু খেতে ইচ্ছে করছে?"
আমি:হ্যা মা, দাও না একটুখানি খেতে।
মা: তুমি বড়ো হয়ে গেছো বাবা। আর মায়ের দুদু খায় না। তাছাড়া মায়ের বুকে এখন আর দুধ নেই - খেতে চাইলেও দিতে পারবো না।
আমি আর কথা না বাড়িয়ে মায়ের ভুরি চুষতে থাকতাম আর খামচাতে থাকতাম।
ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ার সময় শীতের ছুটির এক রাতে শোয়ার সময় মায়ের পেটে হাত বোলাতে বোলাতে হাতটা একটু উপরের দিকে এগোতেই হাতে বহুদিন বাদে একটা ভারী মসৃন গোলকের স্পর্শ পেলাম। তৎক্ষণাৎ ভয়ে হাত সরিয়ে নিলাম। বুঝলাম মায়ের ব্লাউজ উঁচু হয়ে তলা দিয়ে মায়ের দুদুর কিছুটা বেরিয়ে এসেছে। তখনকার মতো হাত সরিয়ে নিলেও মনে মনে ফন্দি আঁটতে লাগলাম। কিছুক্ষন পরে মা চিৎ হয়ে শুলে, আমি উঠে মায়ের দুপায়ের ওপর বসে মায়ের ভুঁড়ি চটকাতে আর চুষতে শুরু করলাম। মা, অন্য দিনের মতো আমার দুদু খাবার লোভের কথা বলে ঠাট্টা করতে লাগলো। কিছুক্ষন ঐভাবে মায়ের ভুঁড়ি নিয়ে খেলাম পর আমি বুঝিনা বুঝিনা ভাব করে মায়ের ভুঁড়ির নানা দিক চুষতে শুরু করলাম। মা কিছু বললো না। এভাবে চুষতে চুষতে একটু একটু করে মায়ের পেটের ওপরের দিকে উঠতে উঠতে এক সময় আমার নাকে আর ঠোঁটে স্পর্শ করলো মায়ের দুদুর ব্লাউজের তোলা দিয়ে বেরিয়ে থাকা অংশটা। আমি মায়ের ভুঁড়ি চোষার মতো করে মায়ের একটা দুদুর ওই খোলা অংশটা চুষতে শুরু করলাম। আর একটা হাত আলতো করে বোলাতে লাগলাম মায়ের অন্য দুদুর খোলা জায়গায়টায়। ভাবখানা এমন করলাম যেন অন্ধকারে আমি বুঝতে না পেরে পেট ভেবে মায়ের দুদুর ওই জায়গাটা চুষতে শুরু করেছি। মা কিছু বললো না। আমি অন্য হাতের একটা আঙ্গুল মায়ের গভীর নাভিতে ঢুকিয়ে মায়ের তলপেটটা খামচে ধরলাম। এই ভাবে বহু বছর বাদে মায়ের দুদুর কিছুটা হলেও আমার মুখে নিতে পারায় আমার ভিতর দিয়ে একটা তীব্র আনন্দ আর উত্তেজনা যেন কোষে কোষে ছড়িয়ে পড়ছিলো।
সেদিনই অনুভব করেছিলাম আমার ছোট নুনুটা যেন খুব শক্ত হয়ে পড়েছে। আর প্যান্টের ভেতর থেকেই মায়ের উরুতে ঘষা খেয়ে ভীষণ আরাম বোধ হচ্ছে।....কিন্তু এই সুখ আর আরাম নিতে নিতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম টের পাইনি। সেই রাত থেকে যেদিনই শোয়ার সময় মায়ের ব্লাউজের তলা দিয়ে দুদু বেরিয়ে যেত কিংবা মায়ের ব্লাউজের শেষ এক দুটো হুক ছেঁড়া কিংবা খোলা থাকতো সেই রাতেই আমি মায়ের পেট নিয়ে খেলার ভান করতে করতে মায়ের দুদুতে মুখ দেয়ার সুযোগ ছাড়তাম না। মা কিছু বলতো না।
এইভাবে চলে যাচ্ছিলো। ষষ্ঠ শ্রেণীর হাফ-ইয়ার্লি পরীক্ষা শেষ হয়েছে। ছুটি আছে প্রায় এক মাস। আমি রোজ বিকেলে ফুটবল খেলতে যাই বন্ধুদের সাথে। একদিন খেলতে গেছি এমন সময় বৃষ্টি নামলো। আমরা বৃষ্টিতে ভিজে কাদা মাখামাখি হয়েই ফুটবল খেললাম। বাড়ি ফিরতে মা ওই রকম কাদা মাখামাখি অবস্থা দেখে বেশ খানিক বকুনি লাগালো - তারপর জামাকাপড় বারান্দাতেই খুলে রেখে সোজা বাথরুমে ঢুকতে বললো। আমাকে বাধ্য হয়েই বারান্দাতেই কাপড় চোপড় খুলে রেখে পুরো ল্যাংটা হলাম। অনেকদিন মায়ের সামনে ল্যাংটা হয়নি কারণ এখন স্নানও নিজে নিজেই করি। আজ এতদিন পরে আবার মায়ের সামনে ল্যাংটা হয়ে খুব লজ্জা করতে লাগলো। আমি দুই হাতে আমার নুনুটা আর বিচিগুলো ঢেকে দৌড়ে শোয়ার ঘরে ঢুকে এটাচ বাথরুমে ঢুকে খিল আটকে দিলাম। তারপর স্নান করতে লাগলাম।
তারপর স্নান করে বেরিয়ে এসে দেখি মা পরিষ্কার জামা কাপড় বের করছে আমার জন্য। মা যে এই ঘরে থাকবে আমি বুঝতে পারিনি। আমার পরনে শুধু একটা পাতলা গামছা। মা আমায় দেখে দরজার খিল দিয়ে আমার দিকে জামাকাপড় গুলো এগিয়ে দিয়ে বললো "পরে নে। খালি গায়ে থাকিস না। ঠান্ডা লাগবে।"
মা দাঁড়িয়ে আছে দেখে আমার গামছা খুলতে লজ্জা করছিলো। মা বললো: কি হলো? বোকার মতো দাঁড়িয়ে আছিস কেন?
আমি: মা আমার লজ্জা করছে।
মা: হয়েছে। পুচকে ছেলে। নাক টিপলে এখনো দুধ বেরোয় - তার আবার লজ্জা। মায়ের কাছে আবার লজ্জা কি? আমি পরিয়ে দিচ্ছি। ওঠ খাটে ওঠ।
আমি খাটে উঠে খাটের ওপর দাঁড়িয়ে রাখলাম। মা আমায় প্রথমে গেঞ্জিটা পরিয়ে দিলো। তারপর আমার গামছাটা খুলে দিলো। আমি হাত দিয়ে নুনু ঢাকতে যাচ্ছিলাম। মা আমার হাত সরিয়ে দিয়ে বললো "দেখি আমার সোনার পাখিটা দেখি।" তারপর আমার নুনুর ওপর একটু ঝুকে দুটো চুমু দিলো আমার নুনুতে। তারপর হঠাৎ আমার নুনুটা মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করে দিলো। আমার সারা শরীরে একটা প্রবল উত্তেজনায় যেন একটা কারেন্ট বয়ে গেলো। একটা দারুন আরামে আর সুড়সুড়িতে আমি মায়ের চুল দুই হাতে খামচে ধরলাম। মা আরো দুয়েক মিনিট চুষে দিয়ে আমায় ছেড়ে দিয়ে আমাকে জাঙ্গিয়া আর প্যান্ট পরিয়ে দিলো।