বিধবা মায়ের বিপত্নীক ছেলে - অধ্যায় ৩

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-66217-post-5818307.html#pid5818307

Posted on Sat Nov 30 2024 by mabonerswami312 (Profile)

660 words / 3 min read

Parent
আমি- ধুর বাদ দাওতো কত বুড়ি বিধবা কালার পরে আসে, চুলে কালার করে, লাল নীল ব্লাউজ পরে৬০ উপরে বয়স এখনো কত সুন্দর সেজে গুজে দোকানে আসে আর আমার মা সাদা পরবে তোমার এমন কি বয়স তুমি বল, তুমি পড়লে দোষ। তুমিও চুলে কালার করবে, সেজে গুজে থাকবে।   মা- ঠিক আছে তুই যেমন চাস নিয়ে আসিস ঘরে পড়ব তো। আয় ভাত দিচ্ছি। মা ভাত দিতে দিতে বলল, কার জন্য সাজবো আমি, তোর তো মেয়ে সেও দেখবেনা একটা ছেলে হলে না হয় তারজন্য সাজতাম, আর তোর বাবা ফাকি দিয়ে চলে গেল আমাকে দেখার কে আছে যে সাজবো।   আমি- মা এক সাথে খাই তুমিও নিয়ে বস আমি মেয়েকে খাইয়ে দেই তুমিও খাও। তবে মা তুমি সাজলে তোমার ছেলের ভালো লাগে সেটা কি তুমি বোঝ, আমি ত একদম গরীব না কেন তুমি গরিবের মতন থাকবে, লোকে দেখলে বলবে আমি মায়ের জত্ন নেই না। আমি তোমার জন্য চুলের কালার নিয়ে আসবো, তাছাড়া যা যা লাগে আমাকে বলবে নিয়ে আসবো। মা- নে বসে পড়ে খাওয়া শুরু কর আমিও বসছি, সবে বউমা চলে গেল এখন এমন সাজা যাবেনা রে সবাই কি ভাব্বে বিশেষ করে তোর শাশুড়ি দেখলে কি ভাববে। আমি- খেতে খেতে বললাম উনি আর আসে কই মেয়ে চলে গেছে বলে দুদিন মাত্র এসেছে নাত্নির খোজ নেয় তুমি বল। আমরা আমাদের মতন থাকবো তাতে কার কি। মা- হ্যা এবার মেয়ের একটু দ্বায়ীত্ব নে। বলে সবাই মিলে খেলাম। খেয়ে উঠে পড়লাম সবাই। মা বলল যা একটু বিশ্রাম নে আমি সব গুছিয়ে রেখে আসছি। আমি- আচ্ছা বলে মেয়েকে নিয়ে রুমে গেলাম। মা- একটু পরে এসে দিদিভাইকে একটু ঘুম পারিয়ে দেই দে। এই বলে মেয়েকে নিয়ে বুকের সাথে জরিয়ে ধরে পিঠে হাত চাপড়ে ঘুম পারিয়ে দিল। সময় বেশী নেই আবার দোকানে যেতে হবে। মা বলল কখন যাবি দোকানে। আমি- এইত ৪ টার সময় বের হব। মা- একটু ঘুমিয়ে নে আমি ডেদেকে দেব কেমন। আমি- হুম বলে বিছানায় বালিস নিয়ে শুয়ে পড়লাম। আমার ঘুম আসছেনা কিন্তু মা ঘুমিয়ে পড়েছে মনে হয়। আমি তাকিয়ে মাকে দেখছি, কি সুন্দরী আমার মা, এঁর আগে এমনভাবে কোনদিন মাকে দেখিনি, মেয়েকে ছেরে দিয়েছে বলে বুকের আঁচল ফাঁকা হয়ে গেছে, দুধ দুটো বারোয়ানা দেখা যাচ্ছে, দুই দুধের খাঁজ কত বড়, টাইট ব্রা বলে ঠেলে বেরিয়ে আস্তে চাইছে, মিস্টি ঠোট দুটো, বেশ চওড়া, নাকটা স্বাস প্রশ্বাসের জন্য ফুলে উঠছে, আমি এক দৃষ্টিতে মাকে দেখে যাচ্ছি, আর ভাবছি এ কি হচ্ছে আমার ভেতরে, বার বার কেন মায়ের দিকে নজর যাচ্ছে। এই কথা ভেবে এদিকে ফিরে শুলাম কিন্তু পরক্ষণে আবার মায়ের দিকে ঘুরে গেলাম, আর ভাবলাম মা কালকে বলছিল বাবা নেই উনি কি ভেঙ্গে পড়েছে। মা কি বলতে চাইছিল আমি বুঝতে পারিনাই, মায়ের কি কষ্ট হয় আমার মতন, আমার ভালো বউটা চলে গেলে আমাকে ফেলে, এই কয়দিন এমন না হলেও এখন কেন এমন হচ্ছে। আর মায়ের কেমন পরিবর্তন আজকে দেখলাম। আমাকে সব দেখিয়ে দিল কি হবে কে জানে, আমিও যৌন ক্ষুধার্ত তেমন কি আমার মা। কি করে বাকি জীবন কাটাবো এইসব ভাবছি আর মাকে দেখে যাচ্ছি। আস্তে আস্তে উঠে পড়লাম আর মায়ের পেছনে গেলাম, কার মায়ের পাছাখানা দেখার মতন একটু দেখতে ইচ্ছে করছে তাই গিয়ে মায়ের পিঠ আর পাছা দেখতে লাগলাম। উঃ কি সেক্সি আমার মা উঃ ভাবা যায়না এত সেক্সি। শাড়ি কোমরে ভালো মতন গোঁজা নেই ছায়া দেখা যাচ্ছে, পাছার খাঁজ দেখা যাচ্ছে, একদম তাপুরার মতন হবে পাছা দুই পাশে দুটো মনে হয়, আস্তে আস্তে মায়ের পায়ের দিকে তাকালাম, পা দুটো ছোট, গোড়ালি দেখলাম মুখে তেমন ছাপ না পড়লে গোড়ালি দেখে বোঝা যায় একটু বয়স হয়েছে, শাড়ি সামান্য তোলা তাই কিছু লোম দেখা যাচ্ছে এই দেখে বউর কথা মনে পড়ল সে বলেছিল জাদের মানে মেয়েদের পায়ে লোম মানে সেক্সি হয় তারা। এক পায়ের উপর এক পা দিয়ে মা ঘুমানো, থাই দুটো যে কলা গাছের মতন সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই স্নান করার পর কাপড় দেওয়ার সময় দেখেছি, মায়ের রং তামাটে হলেও থাই বেশ ফর্সা লাগছিল কারন এক্টাই সব সময় ঢাকা থাকে।। একবার খোলা পিঠ আরেকবার পা দেখে যাচ্ছি আর আমি ভেতরে গরম হচ্ছি, এত সেক্সি মা আমার উঃ কি করে আমি থাকবো তাই ভাবছি কি হবে সামনে, মাও কি আমার মতন কষ্ট পায়, বাবা নেই তিন বছর, মা এতদিন কি করে থেকেছে আমি তো ১২/১৩ দিনেই পাগল হয়ে গেছি।
Parent