বন্ধু বন্ধুর মায়ের নাগর। - অধ্যায় ৪৯
আমরা চলে এলাম ওখান থেকে। হাটতে হাটতে মা বলল যাক একটা স্বস্তি হল ওরা কত সুন্দর বলে গেল শেয়ার না করার কথা। কিন্তু তুমি প্রথমে ওই ভেবেই শুরু করেছ কি করা যাবে।
আমি তুমি যদি আগে একটু হিন্টস দিতে সেদিন সন্ধ্যে বেলা কত সময় তোমার কোলে শুয়েছিলাম একবার হিন্টস দিলে এই ভাবতে হত তুমি আর আমি আসতাম। যাক যা হবার হয়ে গেছে ওরা যখন গেছে এখন আর সে ভয় নেই।
মা বাড়ি গেলে তোকে ছারবে ভাবছিস ঠিক গে তোকে দিয়ে করিয়ে নেবে তারপর ঠিক তুই আমাকে বলবি করার কথা।
আমি তুমি না চাইলে কি করে হবে আমি তো স্বীকার করিনি তোমার আমার মধ্যে সব হয়েছে।
মা সে তো আমিও করিনি কিন্তু খাদিজা আমাকে বার বার বলেছে করে দেখ দিদি ছেলেরা খুব আরাম দেয়।
আমি ওসব বাদ দাও কিছু খাবে এখন।
মা না একবারে রুমে নিয়ে যাবি তবে খাবার কম নিবি কত নষ্ট হয়েছে কালকে যে ঝারি দেয় সে নিয়ে গেছে আমি বলেছি নিয়ে যেতে।
আমি ঠিক আছে এবার চলো মেইন ঘতে গিয়ে বসে ঢেউ দেখি তারপর ৮ টা বাজলে চলে যাবো রুমে।
মা কয়বার লাগবে আজকে। আমি দুবার করব গিয়ে একবার দুই পেগ মেরে পড়ে আবার শোয়ার আগে।
মা হুম আমিও তাই ভেবেছি তোর বাবাকে বলব আমাদের হয়েছে। না রাতে বলব কিন্তু কথা কি হবে ওই হারামজাদা লোকটা থাকবেনা।
আমি আরে ও তো সারে ৯ টায় আসবে তার আগেই সব হয়ে যাবে। চলো বসে পরি।
মা হ্যা চল বলে দুজনে হেটে যাচ্ছি এরমধ্যে অচেনা নাম্বার থেকে একটা কল এল। মা বলল কে ফোন করেছে তোর বন্ধু নাকি।
আমি না অচেনা নাম্বার ধরি তো দেখি। এই বলে ধরে হ্যালো কে।
রফিক আমি ভাই তুই কোথায় মানে তোরা কোথায় এখন।
আমি কেন বীচে আছি কি খবর ভাই ওদিকের কতদুর এখনও পৌছাতে পারিস্নি আমি ফোন করেছিলাম সুচ অফ বলছিল।
রফিক না ভাই মন্দের মধ্যে ভালো খবর আমরা মেচেদা পৌছানোর পর বোণ ফোন করেছিল ওর বরের কিছু হয়নি তার বাইক নিয়ে তার বন্ধু গেছিলো তার পা ভেবগে গেছে মাথা ফেট গেছে হাঁসপাতালে গিয়ে দেখে ওর স্বামীর কিছু হয়নি সে দোকানে বসে ছিল তার বাইক নিয়ে একজনে গিয়ে এক্সিডেন্ট করেছে।
আমি তুই এখন কোথায়।
রফিক আমরা ফিরে এলাম এইমাত্র হোটেলে আছি চাবি তো তোর কাছে তাই ছাফাই কর্মীর ফোন দিয়ে তোকে ফোন করলাম আসবি চাবি লাগবে।
আমি দাঁরা আমি আসছি চাবি নিয়ে।
মা সব শুনে বলল আবার আপদ এসেছে উঃ কি যে হবে যা দিয়ে আয় আমি বসে আছি এখুনি আমি যাবনা। ওকে বল নিচে আসতে।
আমি আচ্ছা এই তুই নিচে আয় আমি আসছি। এই বলে মাকে বললাম এখানে বসো আমি ফিরে আসছি বলে জোর পায়ে হেটে যেতে লাগলাম। ৫/ ৬ মিনিটের মধ্যে গেলাম হোটেলের সামনে।