বন্ধুত্ব ( বন্ধুর সাথে মা এবং বউ অদল বদল) - অধ্যায় ৩
জয়নালঃ তবে ভাই খবরে তো দেখি এখানে অনেক কিছু হয় তবে তা হয় কি করে।
আমিঃ কিসের কথ বলছেন আপনি বুঝলাম না।
জয়নালঃ আমি বললে আবার কি ভাবেন কে জানে।
এরমধ্যে রমা আর সুফিয়া আমাদের কাছে এল কি গো তোমরা কি করছ। আমরা একটু সাইড দিয়ে ঘুরে আসি ওরা তো বসে গল্প করছে আর তোমরাও। এই বলার পরে সুফিয়া ভাবী, কি দাদা যাবেন না আমাদের সাথে ঘুরতে চলেন না একটু ঘুরে আসি। এখানে এসে এমন একটা বন্ধু ফ্যামিলি পেলাম যাই না বলে * মুখ থেকে সরিয়ে বলল চলেন দাদা বলে আমার হাত ধরল আসেন, বৌদি বলছিল আমি বললে নাকি যাবেন কি এই চলনা।
জয়নালঃ ভাই চলো না বয়সে আমার ছোট তাই ভাই বলছি।
রমাঃ কত আর ছোট মাত্র দুই বছর ভাবীর কাছ থেকে শুনেছি আমি।
আমিঃ কি ভাই যাবেন নাকি চলেন, ভাবী হাত ধরে বলছে যখন যাই একটু ওদিক থেকে ঘুরে আসি। তবে ভাবী আমার হাত ধরল বলে কিছু মনে করেন নি তো।
জয়নালঃ কি যে বল ভাই, দেবর বলে কথা হাত ধরতেই পারে এতে মনে করার কি আছে চলও তুমি আমার বউর হাত ধরে চলো আমি না হয় বউদির হাত ধরি কি বৌদি অসবিধা আছে নাকি।
রমাঃ আমার দিকে তাকিয়ে বলল কেন কি হয়েছে হাত ধরলে জাত যায় নাকি কি গো কি বলছ তুমি।
আমি- দেখেন ভাই আমাদের মধ্যে এমন কিছু নেই, বরং আপনাদের মধ্যে আছে ভাবী * পরে অন্য কারো হাত ধরে এটা হয়ত আপনারা মেনে নেন না।
জয়নালঃ না ভাই তেমন কিছু না আমার আম্মু অনেক ভালো সে এসব কিছু মনেই করেনা, আপনাদের কত প্রশংসা করেছে রুমে গিয়ে। চলেন তো আমার বউর হাত ধরে গেলে আম্মু কিছু বলবে না। তবুল আগে গিয়ে না হয় ধরব অনেক দেখছি আমাদের সজাতির এখানে রয়েছে আর বৌদি তো সিঁদুর পরা ফাঁকা জায়গায় গিয়ে না হয় হাত ধরব চলেন আগে যাই।
আমিঃ না ভাই যাবনা আপনি এখানো আমাকে আপনি বলছেন।
রমাঃ হ্যা ভাই আমরা যখন বন্ধু আর আপনি বলা যাবেনা।
ভাবীঃ তাইত আর আপনি বলা যাবেনা এখন থেকে কেমন, চলো ভাই এস তো কে কি বলবে বলে আমার হাত ধরল।
রমাঃ কিছু না বলেই জয়নালের হাত ধরে এই জয়নাল চলো তো আমরা।
সুফিয়া ভাবীঃ এই আমার হান্ডসাম দেবর চলো বলে আমার হাত ধরে টেনে নিয়ে চলতে লাগল। ওরা সামনে আমরা পেছনে যাচ্ছিলাম। দেখেন ভাই ওরা কতসুন্দর হাত ধরে যাচ্ছে, মানিয়েছে ভালই তাই না। রমা দারুন দেখতে, আপনি ভাগ্যবান বলে আমার হাতে চাপ দিল।
আমিঃ কেন সোনামণি তুমিও দারুন সে *র মধ্যেও দেখা যাচ্ছে বুঝতে পারছি। বলে হাতের আঙ্গুলের মধ্যে আঙ্গুল ঢুকিয়ে চেপে ধরলাম। কি নরম তুলে তুলে হাত আঙ্গুল গুলো যেন কোন হাড় নেই। কিছু দূর এমনভাবে গিয়ে একটা গাছ দেখে ওরা দাঁড়াল নিচে বড় ঘাস ছিল।
রমাঃ এই এখানে বসবে নাকি কেল্লার মাছ দেখা যাবে এখানে।
সুফিয়াঃ হ্যা এখানে বস্লে মন্ধ হয় না। কি আবির বাবু বসবেন এখানে।
আমিঃ তবে আর কি সবাই যখন রাজি বসেই পরি। আর ভাবী তুমি না এখনও আমাকে আবির বাবু বলছ এটা ঠিক না।
সুফিয়াঃ না ভাই এমনি এত সুন্দর দেওর কে আপনি বলব কেন এস ভাই বস ভাবীর পাশে।
জয়নালঃ বৌদি বসি তাহলে বলে রমার হাত ধরে বসে পড়ল আর ছেলে মেয়ের দিকে তাকিয়ে বলল অনেকটা দূরে চলে এসেসি আমরা ভালো দেখা যাচ্ছেনা ওরা বসে আছে বেলা অনেক আছে তাইনা বৌদি। কিছু খাবে বৌদি এই সুফিয়া তুমি কিছু খাবে।
সুফিয়াঃ নাও পপ কর্ণ নাও বউদিকে দাও আর আমাদের দাও।
জয়নালঃ দারিয়ে পপ কর্ণ ওয়ালাকে ডেকে চার প্যাকেট নিল ওরা দুটো রাখল আর আমাকে আর ভাবীকে দিল। এই নাও দেওর ভাবী পপ কর্ণ খাও। আর এদিকে আমরাও খাচ্ছি বলে রমার পাশে বসে পরে দুজনে দুই প্যাকেট খুলে খেতে লাগল।
আমিঃ বাঃ ভালই লাগছে পপ কর্ণ খেতে কি গো কি কেমন লাগছে পপ কর্ণ।
রমাঃ নাগো বেশ টাটকা আছে খেতে ভালই লাগছে, দেখতে হবেনা কে কিনেছে, জয়নাল ভাই। এই ওই দ্যাখ তোমার ছেলে আর মেয়েও আসছে এদিকে দৌড়ে।
সুফিয়াঃ তাকিয়ে তাইত ওরা দৌড়ে আসছে তো বলে উঠে দাঁড়াল।
দেখতে দেখতে ছেলে মেয়ে দুটীও দৌড়ে এল এসে মাকে জরিয়ে ধরে আমাদের রেখে এখানে চলে এসেছ তোমরা, দিদা বলল আমাদের আসতে। ছেলে গিয়ে মায়ের কোলে বসে পড়ল। আর এদিকে ভাবির মেয়ে এসে আম্মুকে জরিয়ে ধরেছে। আর বলল চলো আম্মু দাদী ডাকছে তোমাদের।
সুফিয়াঃ এই তোমরা বস আমরা যাচ্ছি চলো বৌদি বলে ওদের নিয়ে চলে গেল ওরা দুজনে। ছেলে মেয়ের হাতে পপ কর্ণ দিল খেতে খেতে চলে গেল।
জয়নালঃ না ছেলে মেয়ে গুলো একটু বসে থাকতে দিল না ওদের কি জ্বালা ওরা সহ্য করে ভাই কি বলব। এই বলে আমার কাছে এসে বসল।
আমিঃ ভাই তখন কি যেন বলছিলেন এখানে খবরে অনেক কিছু দেখেন সে তো আর বলতে পারলে না।