বন্ধুত্ব ( বন্ধুর সাথে মা এবং বউ অদল বদল) - অধ্যায় ৭
সুফিয়াঃ আরেকটু পরে যাই আম্মু চেঞ্জ করবেনা। সময় লাগবে। রান্না আছে গিয়ে ওদের খেতে দিয়ে তারপর আমরা ঘুমাবো।
আমি- হ্যা দাড়াই না একটু কি হয়েছে চাচী ভাই গেছে তো গিয়ে আর কাজ কি খাওয়া ছাড়া তাইনা ভাবী।
রমাঃ এই ভাবীকে বরখায় দারুন লাগছে না।
আমিঃ হ্যা গো তুমিও পড়বে নাকি বলে আমি হেঁসে দিলাম।
ভাবীঃ না ভাই বউদিকে এভাবে দারুন লাগে দেখতে আমারও এমন করে বের হতে ইচ্ছে করে কিন্তু পারি কই। উনি যে হুজুর হয়ে গেছে তাই তো আমার আর আম্মুর উপরে এই জুলুম।
রমাঃ না না কি যে বলেন ভাবী ভাই অনেক ফিরি তো দেখলাম কত সুন্দর আমাদের সাথে ফিরি ভাবে কথা বলছে আপনি তো সঙ্গে ছিলেন তারপরে এমন করে কেন বলছেন।
সুফিয়া ভাবীঃ আরে ভাই আপনারা ভালো বলে তাই এত সুন্দর কথা বলছে অনেক হেল্প করেছেন তো তাই না হলে অন্য পুরুষের সাথে উনি আমাদের কথা বলতে দেয় নাকি। আমিও অবাক হয়ে যাই এত ফিরি ও কি করে হলো, আমার থেকে আম্মুকে আগলে রাখে বেশী বুঝলেন বৌদি। দেখেন না আম্মুকে নিয়ে রুমে গেছে আমাদের রেখে।
আমি- আরে না ভাবী কি যে বলেন চাচীকে তো আমার কাছে রেখে চলে এল।
সুফিয়া ভাবীঃ ভাই উনি মানুষ চেনে এটা আমি বলতে পারি না হলে আম্মুকে কারো কাছে ছারে নাকি, আপনি বাঃ আপনারা সত্যি খুব ভালো আমাদের কত সুন্দর আপন করে নিয়েছেন মনে হয় অনেক দিনের পারিবারিক বন্ধু আপনারা তাই আসার সময় বলছিল তাইত যে আপনাদের পেয়ে আমরা সবাই খুশী।
রমাঃ আচ্ছা চলো এবার আমিও ছেলেকে খেতে দেবো না হলে আমাদের রুমে চলো পরে তোমাদের রুমে যাবে।
আমিঃ আরে দাড়াও ভাই দেখবে ঠিক ফোন করবে দাড়াও না কালকে একটু পরে যাবো টেস্ট দিতে বাকি তো কোন কাজ নেই। কাল পরশু দুইদিন আমরা বেকার থাকবো।
রমাঃ কি গো ভাবীকে ভালো লেগেছে বুঝি যেতে চাইছ না যে।
আমিঃ আরে ভাবী তো ভালো লাগার মতন ভাবী তাইনা, দেখেছ ভাবির মুখখানা তোমার থেকে কোন অংশে কম না গো।
রমাঃ ভাবী আপনার দেওয়ের আপনাকে ভালো লেগেছে।
আমিঃ এই কি বলছ ভাবী লজ্জা পাবে।
রমাঃ নাগো ভাবী সত্যি দেখতে খুব সুন্দরী তাইত ভাই মামাতো বোনকে আর কাউকে দেয়নি নিজেই নিয়ে এসেছে।
সুফিয়া ভাবীঃ আর ভাই কি বলব সেই ১৪ বছর বয়স থেকেই পেছেনে লেগেছে কি আর করা যাবে শেষে গতি না পেয়ে ঝুলে পড়লাম ওর গলায়। ১৮ বছর বয়সেই নিয়ে চলে এসেছে। তবে আম্মু ভালো বুঝলেন ভাই সবাইকে নিয়ে আমরা আছি।
আমি- দ্যাখ ১৮ বছর বয়সে বিয়ে হয়েছে তাও কত সুন্দর আছেন ভাবী এখনও। সে তুলনায় তুমি কিন্তু ভালো নেই।
রমাঃ ভাবী আপনার দেওয়রের আপনাকে খুব পছন্দ হয়েছে মনে হয় নিয়ে যাবেন নাকি আপনার সাথে।
সুফিয়াঃ হ্যা তাই করি আমি নিয়ে যাই আর আমার জন আপনাকে দিয়ে যাই তবে ভালো হয় না।
রমাঃ দেখছ ভাবী কত জলি, তা নিয়ে যান আমার কোন আপত্তি নেই।
সুফিয়াঃ ভাই আপনার গিন্নির তবে কি আমার কত্তাকে পছন মনে হয়। বলে হা হা করে হেঁসে দিল।
ভাবির মেয়ে বলল আম্মু এবার ঘরে চলো অনেক্ষন দাড়িয়ে আছি তো। আব্বু আর দাদী তো অনেক্ষন গেছে তাইনা আন্টি।
‘সুফিয়াঃ হ্যা ওরা গেছে অনেক সময় হয়ে গেল না এবার যাই বলে সবাই হাটা শুরু করলাম। গিয়ে আমাদের রুমে ঢুকলাম সবাই মিলে।
এমন সময় জয়নাল ফোন করল কি আসছো তোমরা আসো এখন।
সুফিয়াঃ না তবে যাই ওরা ফিরি হয়েছে এখন যাই। বলে মেয়ে নিয়ে উপরে গেল আর আমরা রুমে ঢুকলাম।
রমাঃ কি গো কি ব্যাপার মা ছেলে এত সময় রুমে একা সুফিয়া যেতে চাইছিল না কিছু কি বুঝতে পেড়েছ তুমি।
আমিঃ সে কি করে বলব কি বুঝবো কেন একা ওদের ছেরেছে ভাবী।
রমাঃ না না ডাল্মে কুছ কালা হেয় তুমি যা বলনা কেন। তবে কি আমাদের মতন কিছু নাকি।
আমিঃ আরে না না তবে ওদের মধ্যে হতেও পারে কি করে বলব না যেনে।
রমাঃ হ্যাগো তাই হবে ভাবীর হাব ভাব তো তাই বুঝলাম তবে তোমাকে ভাবির পছন্দ যা বলনা কেন ওই ঘরের বউ হয়ে একদিনে যেভাবে মিশেছে তবে আমার তাই মনে হয়।
আমিঃ আর তোমার সেটা নিজেই বল, দাড়িওয়ালা মিয়াঁকে তোমারও কি পছন্দ নাকি। এর আগে তো এমন কাউর সাথে মিশতে পারোনি।
রমাঃ আরে কি যে বল ইয়ার্কি তুমি বোঝনা নাকি।