ছেলের সুখেই মায়ের সুখ। - অধ্যায় ১৫
সকালে ফোন এল অফিস যেতে হবে।
আমি- মা অফিস যেতে হবে
মা- তাই দাঁরা বাবা দিচ্ছি খেতে। বলে খেতে দিল।
আমি- মা এবার আসি বলে বেড়িয়ে পড়লাম। ১ টা পর্যন্ত অফিসে ছিলাম তারপর সোজা বাড়ি।
মা- কিরে এত তাড়াতাড়ি এলি।
আমি- হ্যা ৩ দিন অফিস হবে ১ টা পর্যন্ত ।
মা- ভালই হল বাবা। হাত পা ধুয়ে আয় খেতে দেই।
আমি- তুমি স্নান করেছ তো।
মা- হ্যা করেছি
আমি- খেতে খেতে বললাম বাবা ফোন করেছিল তোমাকে।
মা- হ্যা করেছিল তোর খোঁজ খবর নিয়েছে বলেছি অফিস গেছিস।
আমি- বাবা কিন্তু ফোন করতে ভুল করেনা কি বল।
মা- হ্যা আমার খোঁজ নেয় না শুধু ছেলের খোঁজ নেয়। বলেছে বাড়ি ফিরে মেয়ে দেখবে তোকে বিয়ে দেবে।
আমি- না আমি বিয়ে করব না বাবাকে বলে দিও।
মা- কেন রে
আমি- না করব না আমার এখনকার মেয়েদের ভালো লাগেনা।
মা- তবে কাকে ভালো লাগে বল তাকেই এনে দেবে।
না- কাউকে ভালো লাগেনা তো কি বলব।
মা- এ তো রাগের কথা বলছিস কাউকে ভালবাসিস।
আমি- না কাউকে না
মা- আমাকেও না।
আমি- তুমি মা তোমাকে তো ভালোবাসি তারমানে এ তো সে নয়।
মা- মিসকি হেঁসে চলে গেল আর কিছু বলল না। কিছুখন পর এসে বলল আর কিছু দেব।
আমি- না পেট ভরে গেছে আর না।
মা- ভাল করে খা এই বয়সে না খেলে কবে খাবি।
আমি- যা ভালো লাগে তা পাই কই যে খাব।
মা- মনের জোর হারাতে নেই আশা রাখতে হয় তবেই পাওয়া যায় এই যে চাকরি পেলি সেটা কিন্তু মনের জোরেই পেয়েছিস এর মধ্যে ভুলে গেলি।
আমি- না ভুলিনি কিন্তু সাবধান হয়ে গেছি ভেবে চিনতে পা ফেলতে হবে।
মা- হ্যা ঠিক বলেছিস কোন কিছু তারাহুরা করে হয় না মনের প্রস্তুতি নিতে হয় সে সবার বেলায়।
আমি- হাত ধুতে ধুতে বললাম সত্যি মা বয়সের একটা অভিজ্ঞতা থাকে।
মা- এবার বুঝেছিস তাহলে “সবুরে মেওয়া ফলে” জানিস তো এই কথা টা।
আমি- জানি মা জানি।
মা- এবার একটু ঘুমিয়ে নে
আমি- হ্যা তাই করব বলে ঘুমাতে গেলাম।
মা- ৫ টার সময় ডাকল চল বাবা একটু জল দেই খেতে।
আমি- চল বলে দুজনে বালতি নিয়ে গেলাম। বালতি ভরে জল দিলাম। আমি তুলে দিচ্ছি মা ছিটিয়ে দিচ্ছে।
মা- এবার তুই ওঠ আমি তুলে দিচ্ছি তুই দে।
আমি- না পিছিল জায়গা তুমি পরে যাবে।
মা- না পারব দেখি তুই আয় এদিকে
আমি- উঠে এলাম মা নীচে গেল। জল ভরে বালতিতে দিচ্ছে আমি নিচ্ছি
মা- বাবা খুব কষ্ট হয় তো পা হড়কে যায় মাঝে মাঝে তুই এত বালতি দিলি কি করে বলে আবার এক বালতি আমার হাতে দিল।
আমি- জল নিয়ে ছিটিয়ে দিচ্ছিলাম এবং শেষ করে মায়ের কাছে যেতে মা তুলে দিচ্ছিল হঠাত মা হড়কে নীচে পরে গেল একদম পুকুরের।
মা- উরি বাবা পরে গেলাম রে বাবা। আঃ কি লাগ্লা বাবা আঃ ধর তোল আমাকে।
আমি- নেমে মাকে পাজা কোলে করে তুললাম আর বললাম বারন করলাম শুনলে না, কোথায় লেগেছে।
মা- সেই বা পায়ে বাবা, চামড়া মনে হয় ছিলে গেছে রে।
আমি- পাজা কোলে করে মাকে ঘরে নিয়ে এলাম। আর বললাম নাও এবার শাড়ি পাল্টাও।
মা- উঃ আমি দাড়াতে পারছিনারে। তুই একটা নাইটি নিয়ে আয় আমাকে পরিয়ে দে।
আমি- ঘর থেকে মায়ের জন্য কেনা নতুন নাইটি নিয়ে এলাম অ মায়ের শাড়ি খুলে গলা দিয়ে গলিয়ে দিয়ে বললাম এবার খুলে দাও বাকি গুলো।