ছেলের সুখেই মায়ের সুখ। - অধ্যায় ২২
মা ও আমি খেয়ে নিলাম তবে বেলা অনেক হয়ে গেছে। ৪ টে বেজে গেছে উঠে ঘড়ি দেখে মা ও আমি অবাক এত বেলা।
মা- সন্ধ্যে হয়ে যাবে আর ঘুমাস না
আমি- না না এবেলায় ঘুমানো যাবেনা বলে বাইরে দাড়িয়ে কথা বলছি এমন সময় আরেক কাকিমা এলেন।
কাকিমা আস্তে আমি বেড়িয়ে গেলাম ঘুরতে।
ফিরলাম রাত ৮ টা নাগাদ। দেখি মা দুজঙ্কে নিয়ে গল্প করছে। আমাকে দেখেই তোর জন্য অপেক্ষা করছিলাম বাবা। যাক ভালই হয়েছে চাকরি পেয়েছিস, এবার মায়ের দিকে খেয়াল রাখিস, তোকে পরশুনা করাতে তোর মায়ের অনেক কষ্ট করতে হয়েছে বাবা। মাকে কস্ট দিস্না যেন।
আমি- কি যে বল কাকিমা মাকে কেন কষ্ট দেব। আর বাবা কত কামাই করতে যে বাবা সব পারবে।
কাকিমা- না তা বলিনি তোর মায়ের জোরেই তোর লেখাপরা হয়েছে নিজে না জানলেও তোকে পড়িয়েছে।
আমি- মায়ের অব্দান আমি কোনদিন অস্বীকার করতে পারব না।
কাকিমা- এইত আসল ছেলের মতন কথা বলছিস। বিয়ে করে মাকে ভুলে জাস না যেন আবার।
আমি- দূর বিয়ে আবার, মা আর আমি ভলি আছি মাজখানে ঝামেলা এনে লাভ আছে।
মা- আরে ওর কথা বাদ দাও তো তোমরা ভালো মেয়ের খোঁজ নেবে পেলে আমাকে বলবে।
আমি- মা দাড়াও অত ব্যস্ত কেন আমারা মা ছেলে আর বাবা ফিরে আসলে কদিন একটু ভালো ভাবে থাকি। তারপর ভাবা যাবে।
কাকিমা- হ্যা গো দিদি যাক না আর কিছুদিন তারপর না হয়।
আমি- মা আমাকে এখন যা ভালবাসে পরের মেয়ে আসলে আর বাসবে তোমরা বল।
মা- আর ভালবাসতে হবেনা, আমার নাতি পুতি লাগবে।
আমি- সে তো পাবে অত ভাবছ কেন সময় আছে।
কাকিমা- না এই তোরা মায়ে পুতে আবার ঝগড়া বাঁধাস যেন।
মা- কি যে বল তুমি অর সাথে ঝগড়া হবে না। আমার ছেলে ভাল কথার অমান্য করে না। একবার না করলে জোর করে না
আমি- মায়ের কাছে জোর কেন করব এমনিতেই পাব তাই করিনা।
কাকিমারা- হেঁসে বলল দিদি তোমার ছেলে বুঝে গেছে তুমি কেমন।
মা- সে বুঝবে না ছেলে কার দেখতে হবে তো। আমার ছেলে
আমি- মা কাকিমাদের কিছু খেতে দিয়েছ।
মা- হ্যা ফল দিয়েছি আর চা করে দিয়েছি।
আমি- আমাকে কিছু দেব না
মা- দেব বাবা দেব দুপুরে তো দিলাম আবার রাতে দেব এখন হাল্কা কিছু খাবি, রাতে যেমন চাস তেমন দেব।
আমি- না রাতে অনেক খাব কিন্তু।
মা- দেব বলছিনা একদম বাচ্ছা ছেলের মতন করছিস।
কাকিমা- কি গো দিদি কি এমন খাবে।
মা- আরে দুধ তো ভালো খায় আজ দুধ এনেছি রাতে পায়েস করে দেব তাই বার বার বলছে।
কাকিমা- হ্যা দাও দাও বেশী করে খাওয়াও এখন তো খাওয়ার সময়।
মা- তাইত তো দেব ভাবছি যখন ভালো খায় কেন খাওয়াবোনা আছে তো আমার।
আমি- দেখবো কেমন কেমন খাওয়াও কাকিমা তোমরা সাক্ষী থাকলে।