ছেলের সুখেই মায়ের সুখ। - অধ্যায় ৪৬
দুজনে এরপর ঘুমিয়ে পড়লাম। সকালে আমি ঘুমানো ছিলাম মা কখন উঠে গেছে জানিনা। আমি উঠলাম বোনের ডাকে।
পিঙ্কি- দাদা তুই এত বেলা পর্যন্ত ঘুমাস।
আমি- কি করব কাজ নেই তাই।
পিঙ্কি- মামী বলল বাজারে যাবি নাকি।
আমি- ওহ হ্যা বলে উঠে ব্রাশ করে মার কাছ থেকে ব্যাগ নিয়ে বাজারে যাবো। পিঙ্কিকে বললাম চল বলে দুজনে বাজারে রওয়ানা দিলাম। পিঙ্কি যেতে চাইছিল না আমি জোর করে নিয়ে এলাম।
পিঙ্কি- দাদা আমার বাজারে যেতে একদম ভালো লাগেনা, নোংরা তাই।
আমি- আরে না শুধু মাছ আর সব্জি বাজার করব চল।
পিঙ্কি- তাই চল তাহলে।
আমি- চলতে চলতে এই কালকে আমার উপর রাগ করেছিস নাকি।
পিঙ্কি- চুপচাপ কিছুই বলছে না।
আমি- এই আবার পিসিকে বলে দিস নি তো।
পিঙ্কি- না দাদা এসব আমার ভালো লাগেনা, আর এ নিয়ে কথা বলতেও।
আমি- ঠিক আছে বাদ দিলাম। আর কোন কথা বললাম না বাজারে গেলাম বাজার করলাম। এবং বাড়ির দিকে ফিরতে লাগলাম। কোন কথাই বলছিনা পিঙ্কির সাথে।
পিঙ্কি- দাদা তুই রাগ করেছিস আমার উপর।
আমি- না কেন রাগ করব
পিঙ্কি- কথা বলছিস না
আমি- না কি বলব তোর তো অপছন্দ তাই বাদ দিয়ে দিলাম।
পিঙ্কি- আর কোন কথা নেই।
আমি- না রে আর কি বলব বাকি সব কথা তো কাল্কেই বলে ফেলেছি।
পিঙ্কি- তার মানে তুই আমার উপর রাগ করেছিস।
আমি- না না সত্যি বলছি কেন রাগ করব তুই আমার বোন, পাগলী তুই ঠিক আমি ভুল, তাই কেমন একটা লাগছে মনের মধ্যে।
পিঙ্কি- হুম বুঝতে পারছিস তাহলে।
আমি- হ্যারে এ ঠিক না, এটা একটা অবৈধ কাজ।
পিঙ্কি- আমিও তাই ভেবেছি দাদা ভাইবোনে এ হতেও পারেনা।
আমি- হুম, এখন বুঝতে পারছি রে।