ছেলের সুখেই মায়ের সুখ। - অধ্যায় ৯
আমি- না মা সাপ না
মা- ভয় করছে বাবা।
আমি- কিসের ভয় মা
মা- না মানে যদি সাপ এসে জরিয়ে যায় গায়ে।
আমি- না মা সে ভয় নেই সাপ চলে গেছে তুমি শান্ত হও।
মা- সত্যি ভয় লাগছে কেউ আসেনিতো।
আমি- না মা এখানে আমাদের কেউ দেখতেই পাবেনা পানার মধ্যে আমরা দুজনে। কিছু পরে না থাকলেও বুঝতে পারবে না। অত ভয় কেন তোমার।
মা- কি করব মন মানেনা তাই।
আমি- মাথা ঠাণ্ডা রাখতে বলছিনা কিছু হবে না।
মা- তুই কিছু কর আর কতক্ষণ থাকবো এই জলের মধ্যে।
আমি- কি করব অপেক্ষা ছাড়া।
মা- তাত করবি আর ভালো লাগছে না যে। শরীর ঠাণ্ডা হয়ে যাবে এরপর।
আমি- এবার নাম আর ছায়া খুলে ফেল।
মা- কেন রে?
আমি- যদি সাপ ঢুঁকে যায় ছায়ার মধ্যে।
মা- বলছিস কেউ দেখতে পাবে না তো।
আমি- না বললাম না এখানে কেউ দেখবে না। তুমি নেমে খুলে ফেল।
মা- নামল এবং বুকের থেকে ছায়া খুলে বের করে দিল। নে হয়েছে
আমি- হ্যা আমি মায়ের ছায়া ও আমার গামছা পানার উপর রাখলাম।
মা- কি অবস্থা আমাদের এখন ভয় ও লাগছে উঠতেও পারছিনা।
আমি- খেয়াল রাখ সাপ কোন্দিকে গেল।
মা- দেখতে পাচ্ছিনা তো।
আমি- ওই দেখ যাচ্ছে ওদিকে।
মা- কই তুই কিছু কর এখন আর পারছিনা বাবা।
আমি- ওই এদিকে আসছে বলতেই
মা- উরি বাবা বলে আমার কোলে উঠল।উঃ লাগল তো।
আমি- কই কিসে লাগল সাপ এল না তো।
মা- না সাপ না আমি সাপ হলে বুঝতাম। তবুও ভয় করছে বাবা
আমি- আমি থাকতে শুধু ভয় করছ তুমি তোমাকে আগলে রেখেছিনা।
মা- আর পারছিনা এবার চল এভাবে থাকা যায় না।
আমি- কি করব জাব কি করে যদি সাপ পিছু নেয়।
মা- শরীর ঠাণ্ডা হয়ে আসছে বাবা গরম না হলে ঠাণ্ডা লাগবে।
আমি- আরেকটু সময় মা গরম হয়ে যাবে।
মা- কি করে গরম করবি।
আমি- তুমি আমি করলেই গরম হয়ে যাবে।
মা- কি করব
আমি- আমরা যা করতে এসেছি পুকুরে।
মা- কি করতে বলবি তো।
আমি- তুমি জান না
মা- না জানিনা তোর সাথে স্নান করতে এসেছি।
আমি- আমি তো ভাবলাম আরও কিছু করতে চাও।
মা- আর কি করব।
আমি- কাল রাতে সরু ও লম্বা বেগুন দিয়ে যা করেছ।
মা- কি করেছি আমি। কি বলছিস তুই। আমার ছেলে হয়ে তুই বলতে পারলি।
আমি- দেখেছি মা বাইরের জানলা দিয়ে লুকিয়ে লাভ নেই।
মা- মুখ লুকালো আর কিছু বলছে না।
আমি- মা বাবা নেই তাই ভাবছিলাম
মা- কি ভাবছিলি
আমি- চুপচাপ।
মা- এই চল ঠাণ্ডা লাগছে বাড়ি যাই যা হবার হবে। না হলে আমি উঠে যাবো এপার দিয়ে। বলে মা ছায়া নিয়ে উঠে গেল।
আমি- বোকার মতন দাড়িয়ে রইলাম। মা চলে গেল। আমি সাঁতার কেটে ওপারে গেলাম ও রেগে ফুসে উঠে গেলাম।
ঘহরে গিয়ে না খেয়ে বেরিয়ে পরলাম। পাড়ায়। কিছুক্ষণ পর মা এল আমাকে ডাকতে। বাধ্য হয়ে মায়ের সাথে বাড়ি গেলাম ও ভাত খেলাম কোন কথা বললাম এবং বেরিয়ে পরলাম।