দাবার চাল - অধ্যায় ৩১
৮.৮
নাম—জাবেদ চৌধুরী
নিখোজ আখতার চৌধুরীর একমাত্র পুত্র ৷
এবং বর্তমান বন্দর সিন্ডিকেটের চেয়ারম্যান,বাবার নিখোঁজ হওয়া ও অল্প বয়সে সিন্ডিকেটের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব সহ নিজের ল ডিগ্রির পড়শুনার কারনে হয়তো এমন আচরন করতে পারে,
ওবায়েদ খান চিন্তা করতে লাগলেন!
নাহ এই ছেলে সাসপেক্ট হতে পারেনা ৷
যেহেতু আগের ওসির রিপোর্টে আখতার সাহেবের অবস্থা নিশ্চত করা হয়েছে,
তাই তিনি চিন্তা করলেন, আজ রাতেই খাগড়াছড়ীতে অভিজান চালাবেন,
কিন্তু তার কাছে ওয়ারেন্ট নেই,
—আইনের হাতপাও কেমন শেকলে বাধাঁ
তারপরও ওবায়েদের এমন অভিজ্ঞতা রয়েছ!
তিনি তার ড্রাইভারকে জিপ সেদিকেই ঘুরাতে নির্দেশ করলেন,
খাগড়াছড়ীর ওসি তার ব্যাচম্যাট, সেখান থেকে সহজেই সাহায্য পাওয়া যাবে ৷
,
রাত ১১
খাওয়ারপর আখতার সাহেব, শুয়েছেন
নাজনীন পাশের রুমেই আছে ৷
হঠাত আখতারের পরিবর্তনে সে আহত হয়েছে, গত দিনগুলোতে যে ব্যাক্তির সাথে তার স্বামীর মতোই সম্পর্কছিলো আছ সে তার কাছ থেকে দূরে সরে গিয়েছ ৷
হঠাতই নাজনীন বিছানাথেকে উঠে ড্রয়িংএর বেসিনে ছুটে যান এবং বোমি করতে থাকেন
অগত্যা চৌধুরী সাহেব উঠে তাকে সামলান, তার মাথা দুহাতে ধরে রেখেছেন তিনি ৷
শতহোক এই মহিলাও তার বিবাহিতা স্ত্রী!
—এই নেও
আখতার সাহেব পানি এগিয়ে দিলেন তার দিকে,
—কি হয়েছে তোমার?
নাজনীন আবার বমি করতে লাগলো!
নাজনীন একটু শান্ত হতেই আখতার সাহেব জাবেদকে ফোন করলেন, আর জাবেদের ফোনেই এই শীতের মধ্যে
তাদের বাংলালোয় এসেছেন ডাক্তার অলিন্দ্র বডুয়া ৷সুধু মাত্র যে টাকার জন্যে তা নয় ,জাবেদের সাথে তার একটা আলাদা সম্পর্ক রয়েছে ৷
তিনি ঐ বছর খানেক আগেই জয়েন করেছেন, ময়মনসিংহ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিবিএস এবং তারপর বিসিএসএ নিয়োগ প্রাপ্ত তরুন ডাক্তার ৷
সব কিছু চেগ করার পর,তিনি হাঁসি মুখে আখতারকে জানালেন
—Congratulation স্যার, আপনি বাবা হতে চলেছেন!
আখতার সাহেবের মুখটা কেমন উবে গেলো!
নাজনিন কখনো ভাবতেপারেনি, এ বয়সে এসে অন্তঃসত্বা হবেন, তাও আখতার সাহেবের মতো মধ্যবয়স পেরুন পুরুষের দ্বারা!
দুজনেই নির্বাক ৷
—ভালো করে যত্ন নিতে হবে উনার,লেইট এইজ প্রেগনেন্সি!
অলিন্দ্র যাওয়ার সময়ই জাবেদ তাকে আবার ফোন করে এবং সবকিছু সম্পর্কেই অবগত হয় ৷
নাজনিন সোফার উপর আনমনে বসে আছে, আখতার সাহেব এসে তার কাছে বসলেন,
আখতার সাহেব মনে হতে লাগলো, যদি নাজনীন কে তার স্ত্রীর মর্যাদা সে না দেয় তাহলে তাকে ঠকানো হবে ৷