ধর্ম ভিতু মা এবং পাপি ছেলে - অধ্যায় ৫
আপডেট…………………………………………………………০৫
কি হতে কি হয়ে গেল আমার…………………জেই শরির আমার স্বামি ছাড়া
আর কাউকে কোনোদিন দেখতে দিলাম না !
আজকে আমার কোন পাপের কারনে এত বড় সর্বনাশ হয়ে গেল…………
আমার পেটের ছেলে আমার সব গোপনীয়তা দেখে নিয়েছে………………
হে খোদা তুমি আমার মরন দিচ্ছ না কেন?......... আমি এখন এই পোড়া মুখ নিয়ে ছেলের
সামনে যাব কি করে…………………………
ছেলের কথা মনে পড়তেই লজ্জাই কুকড়ে গেল আম্মু নাজমা………না জানি কোথাই, কোথাই হাত দিয়েছে জানোয়ারটা
\
আচ্ছা ছেলেকে আমি দোষ দিচ্ছি কেন?.........আমার বাবুর তো আর কোন দোষ নাই……
ও তো আমাকে সাপের হাত থেকে রক্ষা করেছে …………………।
মনে মনে ছেলের প্রশংসা করতেই গর্বে বুক টা ভরে গেল আম্মু নাজমার………………ছেলেটা আসলেই আমাকে অনেক কেয়ার করে……………………ও ওর বাবার মত না……………………………………………
ও একদম আলাদা……
ওর বাবা টা জদি ওর মত হত…………… একটা গভির নিঃশ্বাস ফেল্ল আম্মু নাজমা………।।
যাই হোক শরিরে আনেক পাপ লেগেগেছে ………………আমার বালেগ ছেলে আমার গোপন জায়গা
গুলা স্পর্শ করেছে…………………
যায় গিয়ে গোসল করে নামাজ পড়ে আমার মালিক এর কাছে ক্ষমা প্রাওর্থনা করি ………………।
মনে মনে কথা গুলা ভাবতে, ভাবতে…… তড়িঘড়ি করে বিছানা থেকে নেমে পড়ে আম্মু নাজমা………
দরজার কাছে গিয়ে পা দুইটা যেন অবশ হয়ে আসলো আম্মু নাজমার……………
ছেলে যে তার সামনে রান্না ঘরে বসে এই দিকে ফিরে তরকারি কাটছে………
এখন ছেলের সামনে দিয়ে কলতলে যাবে কিভাব?......এই ভেবে আম্মু নাজমার
শরির দিয়ে ঘাম বের হচ্ছে ……………
তবুও যে আমাকে যেতেই হবে ……………আমাকে পবিত্র হয়ে আমার মাউলার হুকুম পালন করতে হবে………এবং আমাকে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে………
ভাবতে ভাবতে বড় একটা ঘোমটা টেনে দ্রুত পায়ে কলতলে চলে গেল আম্মু নাজমা………………
রান্না ঘরে বসে ঘোমটা দেয়া আম্মুর দ্রুত চলে জাউয়ার দৃশ্য দেখতে দেখতে নাজমুল মনে মনে হাসতে হাসতে ভাবলও……
আমার লজ্জাবতি আম্মুর লজ্জা দিন দিন বেড়েই চলেছে……………
খুকি আমার তরকারি কাটা শেষ …
তুই তরকারি টা কসিয়ে নিয়ে ভাজি করা মাছ টা দিয়ে ঝোল রান্না করিস……………
আমি বাবার সাথে ফোনে কথা বলে আসি………………