দীঘা ঘুরতে গিয়ে বাবা মাকে আমার হাতে তুলে দিল - অধ্যায় ২৬
মা- যাক ছেলের বউ আর খুজতে হবেনা, ঘরের মেয়েই ঘরের বউ হবে। এই সত্যি তুই তোর বোনকে ভালবাসতিস।
আমি- মা মিথ্যে বল্বনা, আমার প্রথম ভালোবাসা তুমি, সে যে হবে কোনদিন ভাবি নাই তবে বোনকে আমি চাইতাম এটা মিথ্যে না। জাকে পাবোনা তাকে আগে পেলাম, আমার মাকে আমি পেয়েছি এবার বোন উফ মা আমাদের স্বর্ণযুগ চলছে। যা হচ্ছে ভালই হচ্ছে কি বাবা তুমি কি বলো।
বাবা- এই কি গো আরেকবার হবে নাকি এখন।
মা- না যা হবে রাতে, মেয়ের কি হয় জানি আমরা তারপর রাতে পার্টি হবে তখন, এখন বাইরে যাবো মেয়ের সাথে পরে একটু কথা বলব। আমরা কথা না বললে হয়, তুমি বোঝনা, দেখলে না দাদাকে বিশ্বাস করতে পারছে না। চলো এবার একটু বেড়িয়ে আসি মেয়েটার কষ্টের কথা শুনে ভালো লাগছিল না তবুও ভাইবোনের কথা শুনে এখন ভালো লাগছে।
বাবা- আমি একটা ফোন করি মেয়েকে দেখি জামাই এসেছে নাকি।
মা- আচ্ছা তুমি কথা বল আমি শাড়ি পরে নেই। বাবা তুই কি পরবি।
আমি- কি আবার পড়ব এই পরেই যাবো, হাফ প্যান্ট আর গেঞ্জি। বাবা তুমি ফোন লাগাও বোনকে।
বাবা- হ্যা বলে রিং করে দিয়েছে আর ওদিকে ধরেছে বল মা কেমন আছিস, জামাই বাবাজি কই। বলে লাউড করে দিল আমার মতন।
বোন- সে তো বেড়িয়েছে ঘন্টা দুই হয়ে গেল এখনও আসেনি আমি একা আছি বাবা।
বাবা- দুঃখ করিস না মা বাড়ি ফিরে আয় তোর দাদা সব বলেছে, তোর মা আমি শুনেছি একদম চিন্তা করিস না মা আমরা আছি তোর জন্য, একদম দুঃখ পাবিনা, তোকে ওখাঁনে রাখবোনা। আজকের রাত কষ্ট করে থাক সকাল হলেই বেড়িয়ে পরবি কেমন মা।
বোন- কাঁদতে কাঁদতে বলল আমার জীবন ও শেষ করে দেবে বাবা, খুব জঘন্য ছেলে ও, আরো যা যা বলেছে দাদাকে আমি বলিনি বাবা। বাড়ি ফিরে তোমাদের বলব। ভয় করছে আমার বাবা কিজে আবার করে কে জানে।
বাবা- না না আর কি হবে ভয় পাবিনা আমাদের ফোন করবি। ফোন করে দেখেছিস কোথায় আছে।
বোন- না আমি ওকে ফোন করব না তাতে আসে আসুক আর না আসুক।
বাবা- ঠিক আছে খাওয়া দাওয়া করেছিস।
বোন- হ্যা দুপুরে খেয়েছি।
বাবা- তোর কাছে ক্যাস আছে নাকি আমরা পাঠাবো।
বোন- দাদা আগেই আমাকে দিয়েছিল আছে লাগবেনা এখন দেখি কালকে কি হয় পরে জানাবো তোমাদের।
বাবা- মায়ের সাথে কথা বলবি নাকি।
বোন- না হোলতেল বয় এসেছে চা নিয়ে পরে কথা বলব দেখি ও আসে কিনা না আসলে ফোন করব আমি।
বাবা- আচ্ছা তবে রাখলাম আমরা একটু বাইরে যাবো বিকেলের চা খেতে হবে আমাদের।
বোন- আচ্ছা যাও ফিরে এসে মাকে ফোন করতে বলবে।
বাবা- আচ্ছা মা ভাবিস না তোর কোন চিন্তা নেই আমি আর তোর দাদা আছি সাথে তোর মাও আছে। রাখলাম। বলে বাবা রেখে দিয়ে জ্যামাপ্যান্ট পরে নিল আর বলল। চলো এবার বাইরে যাই।
আমি- হ্যা চলো বলে তিনজনে বের হলাম। বাইরে গিয়ে চা খেলাম তারপর বীচ দিয়ে হেটে মাকে চিংড়ির চপ খাইয়ে একটা জায়গায় বসলাম কিছু সময় বোনকে নিয়েই কথা বেশী হল ফিরে আসুক এটা আমরা সবাই চাই।