একটি ভুল! প্রায়শ্চিত্ত থেকে প্রনয় - অধ্যায় ২৪
আপডেট :
শওকত বীর্যপাত করে উলংগ হয়েই ঘুমিয়ে পড়লো। শাহনাজ বেগম যথারীতি ইবাদাতে বসে গেলো।সৃষ্টিকর্তার কাছে তওবা করে এসব পাপে কেন তাকে বারবার ফেলছে তার জন্য কান্নাকাটি করলো।
ইবাদাত শেষ করে শাহনাজ বেগম ঘুমিয়ে পড়লো।শেষ রাত্রে শাহনাজ বেগমের ঘুম ভাংলো স্বপ্ন দেখে।স্বপ্নে শাহনাজ বেগম দেখলো সে একটা পার্কে বসে আছে শওকত তার কোলে মাথা রেখে শুয়ে শুয়ে শাহনাজ বেগমের সাথে খুনসুটি করছে, এমন সময় পিচ্চি মেয়ে এসে বললো, আব্বু আব্বু আমাকে আর ভাইয়াকে আইসক্রিম কিনে দেও।
শওকত মেয়েকে কোলে নিয়ে বললো ভাই বোনে একা একা আইসক্রিম খাবে?আব্বু আম্মু কে দিবা না?
মেয়েটা বললো সবাই মিলে খাবো,তাহলে মজা হবে।
শাহনাজ বেগম ভাবতে লাগলো কেন সে এই রকম স্বপ্ন দেখলো?
আর বাচ্চা স্বপ্নে বাচ্চা দুইটা তো সমবয়সী ছিলো, তাহলে কি আমার পেটে জমজ বাচ্চা? আর আমি শওকতের সাথে এইভাবে স্বামী স্ত্রীর মত কেন আচরণ করতে ছিলাম?শয়তানের কাজ এইটা। এসব ভাবলেও তো পাপ হবে নিজের ছেলের সাথে স্বামী স্ত্রীর মত আচরণ করা।শাহনাজ বেগম উঠে বাথরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে সেলোয়ারের নাড়া বাধতে গিয়ে আবার বিপদে পড়লেন।
শাহনাজ বেগম মনে মনে ভাবতে লাগলেন এইসময়ে শওকতের কাছে যাওয়া কি ঠিক হবে শওকত তো মনে হয় ঘুমাচ্ছে।কিন্তু সেলোয়ার ও তো পড়তে হবে এইভাবে একহাত দিয়ে কতক্ষণ ধরে রাখবো।আর রাত ও তো শেষ হয়ে গেছে একটু পরে ফজরের আজান দিবে।এখন ডেকে তুলকে শওগত নিশ্চয়ই কিছু মনে করবে না।
এসব ভাবতে ভাবতেই শাহনাজ বেগম শওকতের রুমের দিকে পা বাড়ালো।
শওকতের রুমের দরজা ভেজানো ছিলো হালকা ধাক্কা দিতেই খুলে গেলো।
শাহনাজ বেগম রুমে ঢুকে ভয়ে জমে গেলো।ডিম লাইটের আলোতে শওকতের বিশাল কুচকুচে কালো শরীর দেখলে যে কেউ ভয়ে জমে যেতে বাধ্য হবে।
শওকত চিৎ হয়ে হাত পা ছড়িয়ে সুয়ে আছে গায়ে একটা সুতাও নেই।হালকা ঘাম তার কালো দেহে চিকচিক করছে।দুই পায়ের মাঝে দানবাকৃতির লিংগ টাওয়ারের মত দাড়িয়ে আছে। কুচকুচে কালো ভয়ংকর সুন্দর। বাড়ার রগ গুলোও ডিম লাইটের আলোয় দেখা যাচ্ছে।দেখে মনে হচ্ছে যেনো গাছের সাথে রগ গুলো সাপের মত পেচিয়ে আছে।
শাহনাজ বেগম একমুহূর্তের জন্য জমে গেলো শওকতের এই রুপ দেখে। ভয়ে গলা শুকিয়ে গেছে।পা জমে গেছে একটুও নড়াচড়া করতে পারছে না।শ্বাস প্রশ্বাস দ্রুত হয়ে গেছে,শরীর ঘামতে শুরু করছে।
শাহনাজ বেগম সম্বিত ফিরে পেতেই দৌড়ে নিজের রুমে চলে গেলো রুমে গিয়ে বিছানায় বসে ঢকঢক করে এক গ্লাস পানি খেয়ে নিলো।
এইটা কি ছিলো? শওকত কি অসুস্থ? মানুষের কি কখনো এত বড় হয়?ওসমান মুন্সীর তো শওকতের চার ভাগের একভাগ ও হবে না।শওকতের এইটা এত মোটা আর এত বড় কেন? ওসমান মুন্সীর টা তো আংগুলের মত মোটা আর লম্বা! শওকতের টা এমন কেন? শাহনাজ বেগম চিন্তায় পড়ে গেলো।এইজন্যই তো আমি অইদিন বেহুশ হয়ে গেছিলাম। কিন্তু শওকত তাইলে বিয়ে করবে কিভাবে? কোনো মেয়ে কি ওইটা নিতে পারবে? আমি দুই বাচ্চার মা বুড়ি হওয়ার পরেও বেহুশ হয়ে গেছিলাম আর কম বয়সী মেয়ে তো মরেই যাবে।
বিয়ের কথা ভাবতেই শাহনাজ বেগমের একটু আগের স্বপ্নের কথা আবার মনে পড়লো।
ছি: ওইটা স্বপ্ন ছিলো, শওকত আমার ছেলে এইটা কোনোভাবেই হতে পারে না।কিন্তু শওকতের কি হবে ওর কি বউ টিকবে? কোনো মেয়ে কি ওকে সহ্য করতে পারবে?
ধুর ছাই এসব কি ভাবছি! যাই কোনমতে সেলোয়ার পেটের সাথে গুলে ইবাদাতে বসি।এই ভেবে শাহনাজ বেগম সেলোয়ার টেনে কয়েকটা প্যাচ দিয়ে পেটের সাথে গুজে অজু করে ইবাদতে বসে গেলো।
ইবাদাত শেষে শাহনাজ বেগম বিছানায় সুয়ে পড়লেন। শাহনাজ বেগমের ভাবনায় বার বার শওকতের লিংগ চলে আসছে এইটা এমন কেন এত মোটা কেন? রগ গুলো এত ফোলা কেন? কিন্তু শওকত বাল কাটে না কেন? যেই জংগল দেখা যাচ্ছিলো মনে হচ্ছে ছয় মাসেও কাটে নাই! কিন্তু প্রতি সপ্তাহেই তো কাটতে হয় নাহয় ৪০ দিনের মধ্যে।ওসমান মুন্সী তো তাই করতো আমাকেও বলতো প্রতি সপ্তাহে কাটতে।
কিন্তু শওকত কে এইটা কিভাবে বলবো?ওসমান মুন্সী কে দিয়ে বলাইলে বলবে তুমি কিভাবে দেখছো,আরেক ঝামেলা।
আমাকে নিজেই ইশারায় বলতে হবে।