একটি ভুল! প্রায়শ্চিত্ত থেকে প্রনয় - অধ্যায় ২৬

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-70313-post-6200605.html#pid6200605

🕰️ Posted on Mon May 04 2026 by ✍️ mlover69 (Profile)

🏷️ Tags: None
📖 1501 words / 7 min read

Parent
আপডেট : শওকত বাসা থেকে বের হওয়ার পর শাহনাজ বেগমের কাছে বাসায় দমবন্ধ মত লাগতেছে। শাহনাজ বেগম তো সারাজীবন ই নিঃসঙ্গ ছিলো আগে তো কখনো এমন লাগে নি।এখন কেন শওকতকে ছাড়া একমুহূর্তও থাকতে ভালো লাগছে না? কিছুক্ষণ সোফায় বসে থাকার পর আবার কিছুক্ষণ পায়চারি করেও যখন শাহনাজ বেগমের কিছু ভালো লাগছিলো না তখন শাহনাজ বেগম শওকত কে ফোন করেই বসলো। শওকত মাদরাসায় গিয়ে নিজের অফিসে বসার কিছুক্ষণ পর শওকতের ফোন বেজে উঠলো। শওকত ফোন বের করে দেখে শাহনাজ বেগমের ফোন।শওকত মোবাইল হাতে নিয়ে ভাবনায় পরে গেলো আম্মার ফোন এই সময়ে?  আম্মার কোনো বিপদ আপদ হলো না তো! দুসচিন্তা নিয়ে ফোন রিসিভ করে  রিসিভ করে, আম্মা আপনি ঠিক আছেন তো? ,বাসায় আমার কি হইবো আব্বা? ;মাত্রই বাসা থেকে আসলাম, এখন আপনার ফোন পেয়ে চিন্তায় পরে গেছিলাম আম্মা। ,তুমি ঠিকমতো মাদ্রাসায় পৌছাইছো কিনা এইটা জানার জন্য ফোন দিছি আব্বা। ;জ্বী আম্মা এইতো কিছুক্ষণ হলো,আপনি কি করছেন? ,বসে আছি, ;আম্মা মাদরাসা থেকে বাসা এতটুকু দুরত্ব!  আপনি হুদাই কেন চিন্তা করেন? ,না আসলে বাসায় একা একা ভালো লাগতেছিলো না তাই।  ;তাইলে বাসায় চলে আসি? ,নাহ থাক তোমার আব্বুরে কি বলবা?ওনি পরে রাগারাগি করবে। ; রাগারাগি কেন করবে? আর রাগারাগি করলেও আপনার জন্য হাসিমুখে সহ্য করে নিবো। ,থাক কিছু সহ্য করতে হবে না। ;আপনি আমার জন্য কত কিছু সহ্য করছেন আর আমি আপনার জন্য এইটুকু করতে পারবো না?আমি এখনি আসছি। ,না বলছি না! এখন আসলে আমি রাগ করবো নামাজের পর তারাতাড়ি চলে আইসো। ; আপনার সুন্দর মুখটা দেখার জন্য আমি পারলে এখনি চলে আসি। ,আমিতো সারাজীবন এমনি।  ;কিন্তু এখন চেহারায় আলাদা একটা উজ্জ্বলতা ভাব আসছে গর্ভবতী হওয়ার কারণে মনে হয়। ,তোমারা হওয়ার সময় ও নাকি এমন লাগতো তোমার দাদি বলছিলো। ; হুম আম্মা মনে হচ্ছে আপনার চেহারায় নুর ভাসছে। ,হুম। ;একটা কথা বলি আম্মা?  ,কি বলো? ;রাগ করবেন না তো? ,নাহ করবো না। ;ওয়াদা করেন?  ,কি এমন কথা ওয়াদা করতে হবে? ; আপনি করেন না? ,আচ্ছা ওয়াদা রাগ করবো না। ; আপনাকে সকালে সেলোয়ারের নেড় বাধতে গিয়ে আপনার তলপেটে আমার নজর চলে গেছিলো,কি সুন্দর হালকা ফুলে আছে আপনার তলপেটটা! আমাদের বাবু আস্তে আস্তে আপনার পেটে বড় হচ্ছে। শওকত ইচ্ছা করেই আমাদের বাবু বললো আম্মার রিয়েকশন দেখার জন্য।  ,আমাদের বাবু না আব্বা এইটা জারজ সন্তান এর পিতৃপরিচয় নাই ধর্মমতে। ; কিন্তু আম্মা আপনি আর আমিতো জানি এই সন্তানের বাবা আমি। প্রথম সন্তান এইটা আমার, আমার জন্য কতটা কৌতুহল রোমাঞ্চকর বিষয়টা আপনি একবার ভাবেন।আমি যখন আপনার পেটে হইছিলাম তখন আপনার কেমন অনুভূতি ছিলো? ,আমি অনেক খুশি ছিলাম সারাক্ষণ পেটে হাত বুলাইতাম কল্পনায় তোমাকে আদর করতাম, তোমার সাথে কথা বলতাম।  ;আম্মা আমারো এমন মনে হয়।  ;হুম ;আম্মা আমাকে একটু হাত বুলাইতে দিবেন? ,কিন্তু আব্বা এইটা তো পাপ হবে। ; আম্মা আমার অবস্থাটা একটু বুঝেন! ,আচ্ছা ঠিক আছে। ; বাসায় এসে তাইলে আমাদের বাবুকে আমরা আদর করবো। ,আচ্ছা ঠিক আছে কইরো পাগল ছেলে।  ; এত বছর পর আপনি আবার মা হচ্ছেন আপনার কেমন লাগছে আম্মা? ,তোমাদের সময় যেমন লাগছে এখন তেমনি লাগে। ; কোনো পার্থক্য নাই? ,আছে তখন কেউ এত যত্ন করে নাই এখনের মত। ; হুম আমি আমার বাবুর আম্মুকে সারাজীবন যত্ন করবো। ,আমি কি তোমার আম্মা না? ; হুম কিন্তু আমার বাবুর ও আম্মা তাই ডাবল যত্ন। ,আসলে তোমার মত যত্ন যদি তোমার আব্বা করতো তাইলে আমার জীবনে কোনো আফসোস ই থাকতো না। ; আপনার সব আফসোস আমি দুর করে দেবো আম্মা। ,কিছু কিছু জিনিস চাইলেও সবাই পায় না আব্বা। ; আপনি পাইবেন, আপনাকে চাইতেও হবে না।  ,তুমি না চাইতেও আমাকে পাপের ভাগিদার বানাইতে পারবা এছাড়া আর কিছু পারবা না ,আপনি এই রকম ভাবেন?  ;আসলে আমাদের সম্পর্ক টাই এমন। দেখো তোমার সাথে আমার এতবড় একটা পাপ হয়ে গেছে, এরপরেও তুমি বাসায় নাই বলে আমার দমবন্ধ লাগতেছিলো। ,আম্মা ভুল তো মানুষের ই হয়। ; হুম তারপরেও তোমার যত্ন তোমার উপস্থিতি ভালোলাগে।এটাই সবচেয়ে খারাপ ভালোলাগা।এটা বন্ধ করতে হবে এটা পাপ। আম্মার এইরকম  ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে যাওয়া দেখে শওকত ভ্যাবাচেকা খেয়ে গেছে।বিষয় টা এড়িয়ে যাওয়াই উত্তম মনে করছে শওকত।  ,আচ্ছা আম্মা আমি চেস্টা করবো যাতে আর কোন পাপ না হয়।  ;আচ্ছা রাখি,, মাদ্রাসার কাজে মন দাও। ফোন কাটার পর শাহনাজ বেগম শয়তানের ধোকা থেকে পানাহ চাইলো। আমাকে শওকতের উপর এত নির্ভরশীল হওয়া যাবে না। শয়তান তাহলে খুব সহজেই ধোকায় ফেলে পাপের রাস্তায় নিয়ে যাবে। এসব  ভেবে বুশরার মাদ্রাসায় ফোন দিয়ে বুসরার মাদ্রাসার বড় উস্তাযার  কাছে নিজের অবস্থার কথা বলে বুশরার জন্য ছুটি চাইলেন।বললেন যোহরের পরে বুশরার ভাই বুশরাকে নিতে আসবে। বড় উস্তাযা বুশরা কে নিজের রুমে ঢেকে পাঠালেন আর তার মায়ের কথা বললেন সাথে এও বললেন যোহরের পরে তোমার ভাই তোমাকে নিতে আসবে। বুশরা মনমরা হয়ে বড় উস্তাযার  রুম থেকে বের হয়ে নিজের সবকের রুমে গিয়ে গিয়ে বসে পরলো।  উস্তাযা আফরিন বুশরা কে মনমরা দেখে জানতে চাইলো কি হইছে? বুশরা বললো তাকে বাসায় যেতে হবে আম্মা অসুস্থ ।  বুশরার কথা শুনেও আফরিনের ও মন খারাপ হয়ে গেলো। নামাজের সময় তুমি আমার রুমে এসো,এই কথা বলে আফরিন নিজের জায়গায় গিয়ে বসলো। শাহনাজ বেগম আবার শওকত কে ফোন দিয়ে যোহরের পরে আসার সময় বুসরার মাদ্রাসায় গিয়ে বুসরা কে সাথে করে নিয়ে আসতে বললো।  শওকতের এই কথা শুনে মাথা খারাপ হয়ে গেলো।আম্মার ধর্মভীরুতা দেখি ভালোভাবেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে।তাহলে কি আমার সব পরিশ্রম বৃথা যাবে।শওকত রাগে ক্ষোভে ফুসছে। ওসমান মুন্সী আজকে সকালে একবন্ধুর মাদ্রাসায় আসছে সংক্ষিপ্ত সফরে।যেই মাদ্রাসার ব্যাপারে পেপার পত্রিকা,সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে  তুলকালাম চলছে। দুর্ঘটনা বসত মাদ্রাসার ১২ বছরের এক মেয়ে গর্ভবতী হয়ে গেছে মাদ্রাসার বড় হুজুরের মাধ্যমে। বড় হুজুর ওসমান মুন্সী কে আনছে লেপছেপ বুঝ দিয়ে ঘটনাটা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য। মেয়েটা এতিম, মা গার্মেন্টসে চাকরি করে, নানির দায়িত্বে থেকে মাদ্রাসায় পড়ে। মেয়ের নানি মাদ্রাসায় আসার পর বড় হুজুর আর ওসমান মুন্সী যেই রুমে আছে সেই রুমে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আসেন আম্মাজান বসেন  ওসমান মুন্সী বললো। ওসমান মুন্সী মেয়ের নানিকে বললো, দেখেন আম্মাজান মেয়ে মানুষ হচ্ছে শয়তানের ধোকা।তাই অনেকসময় দুর্ঘটনা ঘটে যায় এতে মানুষের হাত থাকে না শয়তান করায় মানুষকে দিয়ে।যে যত বেশি ধর্মভীরু তাকে শয়তান তত বেশি প্ররোচনা করে ধোকায় ফেলার জন্য।আপনার মেয়ের সাথে একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেছে শয়তানের ধোকায় পরে।এইটা নিয়ে যত বাড়াবাড়ি করবেন ততই মানুষ জানবে আর পাপ বাড়বে।মানুষের পাপ গোপন করা অনেক পূন্যের কাজ। কিন্তু আমার এইটুকু নাতির কি দোষ ছিলো? আম্মাজান আপনার নাতির কোনো দোষ নাই সব দোষ শয়তানের। কিন্তু আমার শিশু নাতি আরেকটা শিশু কিভাবে জন্ম দিবে? আম্মাজান আপনি এইটা কি বলেন? আগের দিনে আপনাদের এই বয়সে বিয়ে হয় নাই? আপনারা সন্তান জন্ম দেন নাই এই বয়সে? কিন্তু আমার নাতির তো বিয়ে হয় নাই, বিয়ে হলে নাহয় একটা কথা ছিলো।  আম্মা আপনারা এইটা নিয়া আর কাবজাব কইরেন না আপনার নাতিকে হুজুর বিয়ে করে নিবে। আমার নাতির বয়স তো মনে হয় ওনার নাতির থেকেও কম হবে। আমি আমার নাতির জীবন তো এমনেই ধ্বংস করে দিছেন এখন বুড়ার সাথে বিয়ে দিয়ে বাকি জীবন টাও কি আমি নিজের হাতে ধ্বংস করে দেমু? আম্মাজান এইভাবে ভাবতেছেন কেন একজন আলেমের সাথে সম্পর্ক করলে আপনাদের ই লাভ।আপনাদের জন্য দোয়া দুরুদ করতে পারবো। বড় হুজুর চিন্তা করতেসে কোনোভাবে যদি মিটমাট না করতে পারে তবে এই কেলেংকারী তার সব ধ্বংস করে দিবে।এসব ভেবে নিরবতা ভেংগে বললো আমার ছোট ছেলের সাথে আপনার নাতির বিয়ের ব্যবস্থা করবো আপনি তাও বিষয় টা নিয়ে আর বাড়াবাড়ি কইরেন না।  দেখেন আম্মাজান একজন আলেম রে সম্মান করা আমাদের সকলের উচিত কারন আলেম রাই আমাদের শেষ  বিদায়ের নামা** পড়ায় আমাদের জন্য দোয়া করে। আর হুজুরের ছেলেও কিন্তু হুজুরের মত আলেম। চিন্তা করে দেখেন একজন আলেম নাতিন জামাই আপনার শেষ বিদায়ের দোয়া দুরুদ করবে, আপনি কতটা ভাগ্যবান হবেন এই সুযোগ হেলায় হারাবেন না ওসমান মুন্সী বললো। আচ্ছা আমি আমার মেয়ের সাথে কথা বলে জানামু। তাহলে এই কথাই রইলো আপনি ওয়াদা করছেন আপনারা এই ব্যাপারে আর কাউকে কিছু বলবেন না।আর সাংবাদিক দের বলবেন হুজুরের ছেলের সাথে আপনার নাতির বিয়ে হইছে। বিয়ের পর গর্ভবতী হওয়া দোষের কিছু না।ঠিক আছে আম্মাজান? জ্বি আচ্ছা। তাইলে এই কথাই রইলো। মহিলা যাওয়ার পর বড় হুজুর স্বস্তির নিশ্বাস ফেললো।ভাই আপনি আমার অনেক বড় উপকার করলেন। আপনার খেদমত কি হাজির করতে পারি?মহিলা মাদ্রাসা তাই চাইলেও আপনার পছন্দের জিনিস হাজির করতে পারবো না তার জন্য দু:খিত কিছু লাগবে না ভাই। কচি মেয়ে আছে ব্যবস্থা করে দিবো নাকি?জানি আপনার পছন্দ না কিন্তু খেয়ে দেখেন মজা পাইবেন। না ভাই লাগবে না। আরে একটু তো খেদমত করতে দেন আসলেই অনেক মজা পাইবেন খেয়ে। বড় হুজুর ওসমান মুন্সীর জবাব না শুনেই উস্তাযা কে ডেকে বললো একটা গুলুমুলু দেখে কচি মেয়ে বিশেষ রুমে পাঠানোর জন্য। উস্তাযা জ্বি হুজুর বলে কিছুক্ষন পরে একটা কচি মেয়ে একটা ছোট রুমে নিয়ে মেয়েটাকে রেখে হুজুরকে আওয়াজ দিয়ে বললো মেয়ে রেডি। বড় হুজুর না চাইতেও বড় হুজুরের জোরাজোরি তে রুমে ডুকলেন।  মাশা**** মা তোমার নাম কি?  জ্বী আমার নাম মাইসা। বাহ কি সুন্দর নাম আসো আমার কোলে এসে বসো। মেয়েটার তখন উস্তাযার কথা মনে পড়লো,রুমে ঢোকার আগে উস্তাযা বলছে হুজুরের কোনো কথা অমান্য করলে মেরে পিঠের চামড়া তুলে ফেলবে। আর হুজুরের কথা শুনলে পড়া না পাড়লেও কোনোদিন কোনো শাস্তি দিবে না আর। মাইসা মাইরের ভয় আর কোনোদিন পড়ার জন্য মাইর খেতে হবে না ভেবে হুজুরের কোলে গিয়ে বসলো।  ওসমান মুন্সী মাইসা কে কোলে নিয়ে কিছুক্ষন গালে হাত বুলাতে লাগলো, তারপর ঠোটে আংগুল দিয়ে খেলতে লাগলো। মাইসা যদিও কিছু বুঝতে পারছে না তার সাথে কি হচ্ছে।নিচ থেকে ওসমান মুন্সী চার ইঞ্চি চিকন বাড়াটা মাইসার ছোট্ট পাছাতে গুতা মারছে।ওসমান মুন্সী মুখ নামিয়ে মাইসার গালে কপালে চুমু দিতে লাগলো, তারপর মাইসার কচি ঠোঁটে নিজের খরখরে পান খাওয়া লাল ঠোঁট লাগিয়ে চুসতে লাগলো।হুজুর এমন করে কেন মাইসা কিছুই বুঝতে পারছে না।মাইসার ঠোঁটের স্বাদ ওসমান মুন্সীর কাছে অমৃতর মত লাগতেছে। ওসমান মুন্সী জীবনে এত উত্তেজিত কখনোই হয় নি। কিছুক্ষণ ঠোঁট চোসার পর উত্তেজনায় ওসমান মুন্সীর বীর্যপাত হয়ে গেলো।
Parent