গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে। - অধ্যায় ২৩

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-73883-post-6235636.html#pid6235636

🕰️ Posted on Tue Jun 09 2026 by ✍️ momloverson (Profile)

🏷️ Tags:
📖 849 words / 4 min read

Parent
বাবা- কি বলব বাবা তোকে, আসলে তোর মাকে বকা ঝকা করেছি তার কারন আছে তুই আমার ছেলে তোকে কি বলব সব তো খুলে বলা যায়না। আমি- কেন বাবা আমি এখন বড় হয়েছে আমাকে তুমি বলতে পারো। তুমি মায়ের প্রতি যত্নবান হবে এখন থেকে। বাবা- না বাবা এখন থেকে তুই সময় দিবি, আমি না দিতে পারলে তুই তো দিচ্ছিস, মায়ের সাথে থেকে মাকে খুশী রাখছিস তারপর তো তোর মায়ের আর রাগ থাকার কথা না। দেখছি তো তোরা দুজনে ভালই আছিস। আমি আর কয়দিন, কত রোগ জমেছে আমার দেহে, তুই তোর মাকে দেখে রাখবি কেমন বাবা। তোর মাকে বলিনি আমার দুরাগ্য রোগ হয়েছে। আজকে তোকে বললাম মাকে ভুলেও বল্বিনা কিন্তু আমার এই কথা। আমার হাত ধরে বলল বাবা আমাকে কথা দে তোর মাকে তুই সব সময় হাসি খুশী রাখবি। আর মাকে ভুলেও বল্বিনা, যে আমার এমন রোগ হয়েছে। তবে ডাক্তার আস্বাস দিয়েছে আমি ভালো হয়ে যেতে পারি। তবে আশা কম। আমি- কেন বাবা তুমি আমাকে আগে বলনি তোমাকে ভালো ডাক্তার দেখাতে নিয়ে যেতাম। এ কি শোনালে তুমি আমি এখন কি করব। বাবা- একদম চুপ তোর মা যেন জানতে না পারে মাকে একদম বল্বিনা। আসলে আমার হার্টের রোগ হয়েছে বুঝলি। ওষুধ খাচ্ছি তোর কাছ থেকে টাকা নিয়ে আমি অসুধ কিনেছি। একটু ভালো এখন। আবার কিনতে হবে। বাড়িতে ওষুধ আনিনা তবে তোর মা সন্দেহ করবে তাই। আমি- বাবা তুমি কি করে পারলে আমাদের না জানিয়ে। এইভাবে একা একা কষ্ট বয়ে বেড়াচ্ছ। বাবা- আমি চাই তুই আর তোর মা সুখে থাক বাবা। এটা দেখে মরতে পারলেই আমি খুশী হয়ে মরতে পারবো। শরীর টা মোটেও ভালো যাচ্ছে না, ভাবছি তোর মাকে নিয়ে আগেই একবার মেয়টার বাড়ি যাবো। এখন তো কাজ কম দুইদিন সামলে রাখতে পারবিনা সব কিছু। অনেকদিন মেয়েটাকে দেখি না। তিন চারমাস আগে এসেছিল আর আসেওনি বার বার খবর পাঠায় আমাদের যেতে। আমি- তবে তুমি আর মা যাও আমি এদিকে সব দেখবো। বাবা- চল বাড়ি চল দেখি তোর মাকে বলে যায় নাকি। তবে আগেই বেড়িয়ে আসবো। আমি- হুম চলো বাড়ি চলো মাকে আমি বলছি তোমরা দুজনে তাহলে কালকেই যাও। এই বলে দুজনে বাড়ি আসলাম। মা- দেখেই বলল এত সময় লাগে বাপ বেটার। আমি ভাত রেডি করে বসে আছি আর ওনারা দুজনে বসে গল্প করেছে মনে হয়। আমি- মা এক কাজ কর তুমি আর বাবা আগেই বোনের বাড়ি থেকে বেড়িয়ে আসো আমি এদিকে দেখে রাখতে পারবো, বাবার খুব ইচ্ছে বোনের বাড়ি যাওয়া। কালেক সকালেই তোমরা চলে যাও এক রাত থেকে আসবে, তোমাদের দেখলে তোমার মেয়ে জামাই খুব খুশী হবে। মা- আমাদের ভাত দিতে দিতে বলল কি গো ছেলে কি বলছে সত্যি যাবে। ভাবছিলাম আমাবতীতে যাবো। বাবা- তবে এখনই চলো কালকে দুপুরের পরে যাবো, ক্লকে থাকবো আবার পরশুদিন চলে আসবো বিকেলের দিকে যেতে মাত্র দুই গন্টা লাগে। ওপারের রাস্তায় গিয়ে পা ভ্যান ধরে গেলে দুইগন্টা লাগবে, আর জামাইবারি তো রাস্তার পাশেই। মা- একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেরে বলল কিরে বাবা বাড়ি সামালদিতে পারবি তো একা একা, গরু বাছুর, রান্না বান্না সব কিছু একা পারবি তো। আমি বলছিলাম কি দুই দিন পরে যাই। বাবা- না এখন বৃষ্টির সময় ভালো আছে আবহয়া কালকেই চলো। মা- আচ্ছা তবে চলো যেতে যখন হবেই অনেকদিন মেয়েটাকে দেখিনা। নাও তবে তোমাদের খাওয়া হয়ে গেলে আমিও খেতে বসব এই বললে না তো রান্না কেমন হয়েছে। আমি- মা তোমার হাতের রান্না সত্যি তুলনা হয়না। বাবা- একদম সত্যি কতাহ বলেছ গো ছেলে দেবে নাকি আরেকটু আমাকে। মা- ওমা কি কথা বলে এই নাও বলে বাবাকেও দিল আর আমাকে দিল। আমি- মা এবার তুমি নিয়ে বস পরতো, বাড়িতে মাত্র তিনজন উনি পরে খাবে একসাথে খেলে কি হয়। বাবা- হ্যা হ্যা দ্যাখ আগে কি ছিল ওসব ভেবে লাভ নেই তুমি এরপর থেকে এক্সাথেই খাবে। আমি- হ্যা তুমি বসে পর এখন, আর রাতেও আমরা একসাথে কাবো। মা- থালা নিয়েই আমাদের সামনে বসে পড়ল আর খেতে লাগল। মা বলল এই তুমি কি আজকে বের হবে আর বাজারে গিয়ে অত থেকোনাত। বাড়িতে থাকোনা। বাবা- না না কালকে তো মেয়ের বাড়ি যাবো আজকে তো বাজারে যেতেই হবে। এই বলে বাবা হাত ধুয়ে উঠে গেল। আমি- আমিও হাত ধুয়ে বললাম মা তুমি খেয়ে আসো আমি গরুগুলোকে একটু জল দিয়ে আসি। মা- যা আয় আমি খেয়ে সব ধুয়ে নিচ্ছি। আমি- জল দিয়ে যেই ঘরে এসেছি বাবা ডেকে বলল এই দেনা কিছু টাকা ওষুধ আগে থেকে কিনে নেই। আমি সাথে বাবাকে চাওয়া মতন টাকা দিলাজেইবেলা তিনটে বাজে মাত্র। এরপর বাবা জামা গলিয়ে বেরতে বেরতে বলল সন্ধ্যের পরেই ফিরে আসবো, তুই মায়ের সাথে থাক। আমি আচ্ছা বাবা বলে বললাম তবে তুমি যাও আমি আছি মায়ের কাছে। এই বলেই বাবা বেড়িয়ে গেল। মা- হাত মুখ ধুয়ে সব গুছিয়ে রেখে ঘরে এল, না সত্যি অনেকদিন পরে ভালো করে একটু খেলাম। এই তুই আবার যাবি নাকি বাইরের দিকে। আমি- মা এইফাকে কি একটু তোমার যোনী চুষতে সুযোগ পাবো। এই দ্যাখ কেমন লক লক করে যাচ্ছে। মা- না এখন না সবে খেয়ে উঠেছি পরে দেখা যাবে, আর কি বলছি তুই চুষে দিবি মানে, না না ওসব করতে হবেনা, এমিনি যা করতে চাও সে দেবো, তবে ঘন্টা খানেক যাক তারপর, একটু হজম হয়ে যাক তারপরে। এখন আমাকে আর বাবাকে কেন বোনের বাড়ি পাঠাচ্ছিস, বলছিলাম আমাবতীতে যাবো। আর দেবোনা তোকে শুধু পাকামো করে তাইনা। আমি- তা নয় মা বাবা আমাকে স্নান করার সময় বার বার বলেছে সেজন্যই তোমাকে যেতে বলছি। তুমি গেলে ভালোই হবে এই দুইদিন আমি কষ্ট করব কিন্তু তুমি যাও, বাবা বার বার তার মেয়েকে দেখতে চাইছে, কেন বুঝতে পারছনা।
Parent