গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে। - অধ্যায় ৫

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-73883-post-6229594.html#pid6229594

🕰️ Posted on Mon Jun 01 2026 by ✍️ momloverson (Profile)

🏷️ Tags:
📖 645 words / 3 min read

Parent
মা- একগাল হেঁসে দিয়ে বলল তুই তো ভালই জানিস মেয়েদের ব্যাপারে। মাকে এইভাবে কেউ সাজায় যে তুই সাজাচ্ছিস তুই সাজাবি বউমাকে। আমি- ধুর ধুর পরের মেয়ে সাজিয়ে লাভ কি, আমার মাকে আমি সাজাবো। মা- একদম বাপের মতন কথা বললি এটা, পরের মেয়ে তো আমিও তোর বাবা কি আমাকে বিয়ে করে এনে সাজিয়ে রাখেনি এখন না হয় আমি তার কাছে বোঝা হয়ে গেছি, তুই বিয়ে করে বউমাকে অনেক আদর যত্ন করবি। আমি- না না আমি ওই কোলে পা দেবো না মায়ের সাথে ভালই আছি, আমার আর বউ লাগবেনা। বাবা যা করে করুক আমিয়ার তুমি ফস্ল ফলাবো আর দুজনে মস্তি করে থাকবো। এই দ্যাখ বউ থাকলে তোমাকে নিয়ে এভাবে বের হতে পারতাম, তখন তার অনেক বাত্না হত। মা- না তোর সাথে কথা বলে পারা যাবেনা ভ্যান ডাক তুই গিয়ে আবার ফিরতে হবে।   আমি- একটা ভ্যাব ডাকলাম এবং উঠে পড়লাম দুজনে যেতে যেতে পাটের গল্প করতে লাগলাম এবং পৌছেও গেলাম, . ভ্যানয়ালা। সোজা একটা বড় দোকানে ঢুকলাম। আর বললাম মায়ের জন্য শাড়ি ব্লাউজ দেখানোর জন্য।    দোকানদার- মায়ের সামনে অনেক গুলো শাড়ি বের করে দিল দেখুন। মা- বলল আমি কি দেখবো তুই দেখে পছন্দ করে দে। আমি- হাতে নিয়ে একটা পাতলা ফিনফিনে সুন্দর সিফন শাড়ি পছন্দ করে বললাম মা এটা নেবে তোমাকে দারুন লাগবে। বেশ সুন্দর আর ভালই ছাপা আছে, এবং খুব উজ্জ্বল মা- আমার কানের কাছে মুখ এনে বলল তোর পছন্দ এটা তবে দে তুই কিনে। আমি- শাড়িটা সরিয়ে রেখে বললাম এর ম্যাচিং ব্লাউজ দিন। দোকানদার- একটা ম্যাচিং করা  ব্লাউজ বের করে বলল এটা ম্যাচিং হবে দারুন লাগবে আপনার ফিগার ভালো তো এটা নিন আর ব্রা কেমন দেবো। আমি- আগ বাড়িয়ে বললাম ভালো দেখে দিন, লাল রঙের। সাইজ ৩৬ বড়। দোকানদার- কয়েকটা বের করে দিল আমি- হাতে নিয়ে দেখে সুন্দর একটা রিবন দেওয়া পছন্দ করলাম। দোকানদার- বলল লাল ব্লাউজের নিচে সাদা ব্রা মানায় ভালো ভেবে দেখেন। দরকার হলে দুটো নিন তারপর পরে বলবেন কোনটা মানায়। আমি- তবে একটা লাল আরেকটা সাদা দিন দুটো নেই। মা- একদম চুপ করে আছে। আমি- বললাম এক জোড়া ছায়া দিন। পরে বললাম আরেকটা ব্রা দিন আর একটা ব্লাউজ দিন নরমাল বাড়িতে পরার জন্য। আর একটা শাড়ি নরমাল। এইসব নিয়ে বের হলাম। বেড়িয়ে বললাম মা এবার চটি নিতে হবে, জামাইবারি যাবে ভালো চটির দরকার। মা- একবার একটু মুস্কি হেঁসে বলল তুমি যে কি সব কিনে দিচ্ছ তোমার বাবা দেখলে যে কি বলবে। সব তো নতুন বউর মতন কিনে দিলে তুমি। আমি- কি বলবে নিজের বউকে কিছু কিনে দেয়না, ছেলে দিয়েছে বলবে। সত্যি মা তোমাকে দেখতে যা লাগবেনা। তুমি হবে আমাদের গ্রামের সেরা সুন্দরী, দেখবে বাবা তোমাকে দেখলে পাগল হয়ে যাবে। মা- আমার সাথে হাটতে হাটতে বলল সে আর দেখেনা সোনা, ওসব বলে লাভ নেই। তুমি পছন্দ করে দিলে বলে নিলাম না হলে এ আমি নিতাম না। আমি- বাদ দাও তো এবার একটা ভালো চটি কিনে দেবো তোমাকে চামড়ার। এই বলে দোকানে ঢুকে মায়ের পায়ে আমি পড়িয়ে দিয়ে চটি পছন্দ করলাম সামান্য হিল আছে। মাকে বললাম দারুন লাগবে তোমার পায়ে মা। চটি পড়ানোর সময় দেখলাম এত কাজ করে মা তবুও পা দুটো একদম লক্ষ্মীর পায়ের মতন। আঙ্গুল গুলো খুব সুন্দর।   মা- হুম বলে নিয়ে নিল। আর বলল চলো বাড়ি যাই। না না তুমি নেবেনা। চলো এবার তোমার কিনে নিয়ে বাড়ি যাই বলে নিজেই আমাকে একটা দোকানে টেনে নিয়ে গিয়ে পছন্দ করে একটা গেঞ্জি কিনে দিল। আর বলল তোমার বাবার জন্য নেবে কি। আমি- হ্যা বলে বাবার জন্য জামা আর প্যান্টের পিস নিলাম।  মা- চলো এবার আগেই বাড়ি যাই। আমি- চলো মা বলে দুজনে আবার ভ্যান ধরে বাড়ির দিকে রওয়ানা দিলাম। আর সোজা ঘরে চলে এলাম। মা- বলল কত কষ্ট করে কয়টা টাকা জমিয়েছিলে সব তো আজকে খরচা হয়ে গেল। আমি- আবার পাট বেঁচে অনেক পাবো আশা করি অত ভাবছ কেন এখন তোমার ছেলে হাল ধরেছে। তুমি এই গুলো একটু পরে দেখবেনা। মা- পরে এখন না রাতে তোমাকে পরে দেখাবো কেমন হল। কালকে আবার কত কষ্ট করতে হবে এইভাবে টাকা উরানো ঠিক হল। আমি- মা আমি গরু বেঁধে আসছি তুমি তোমার কাজ কর। কিন্তু রাতে বাবা চলে এসেছে তাড়াতাড়ি তাই আর মাকে ঐ শাড়িতে দেখা হলনা।
Parent