জীবনের সব এক্সপেরিয়েন্স - অধ্যায় ১

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-72304-post-6140522.html#pid6140522

Posted on Mon Feb 09 2026 by sam102 (Profile)

Tags:incest
654 words / 3 min read

Parent
আপডেট- ০১ লেখায় অনেক সময় আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহার করবো। বুঝার সার্থে সেগুলোর বাংলা টা ও দিয়ে দিবো। সবার আগে আমাদের পরিবারের পরিচয়টা দিয়ে শুরু করি। আমাদের পরিবারে মোট পাঁচজন সদস্য—আমি, আমার বাবা, মা, দিদি এবং দিদা। আমার নাম রবিন। বর্তমানে আমার বয়স ২৬ বছর। আমি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে রাষ্ট্রবিজ্ঞান (Political Science) বিষয়ে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত। আমার মায়ের নাম পলি, বয়স ৪৮ বছর। বাবার নাম তপন, বয়স ৫৯ বছর। আমার দিদির বয়স ২৯ বছর; তার বিয়ে হয়ে গেছে এবং সে বর্তমানে দুই সন্তানের মা। আমার দিদার বয়স ৭৭ বছর। আমাদের পৈতৃক বাড়ি চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুর গ্রামে। আমার বাবা চট্টগ্রাম শহরের নিউ মার্কেট এলাকায় দর্জির কাজ করেন। প্রতিদিন বাড়ি যাওয়া-আসা করা তার পক্ষে সম্ভব নয়, কারণ এতে খরচ বেশি হয় এবং শারীরিক ধকলও পোহাতে হয়। তাই তিনি শহরেই একটি মেসে থাকেন। কাজের চাপ বেশি থাকলে শুধু শুক্রবার বাড়িতে আসেন এবং পরদিন সকালে আবার কাজে ফিরে যান। আর কাজের চাপ কম থাকলে বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত বাড়িতে থাকেন। আমি গ্রামে কয়েকটি টিউশনি করি। সেই টিউশন থেকে পাওয়া আয় দিয়ে নিজের হাতখরচ ও পড়াশোনার খরচ চালাই। মাঝে মাঝে ঘরের প্রয়োজনীয় কিছু জিনিসও কিনে আনি, তবে সেটা নিয়মিত নয়। আমাদের পরিবারকে খুব বেশি দরিদ্র বলা যাবে না, আবার পুরোপুরি মধ্যবিত্তও বলা যায় না। বাবার যে সামান্য সঞ্চয় ছিল, তা দিদির বিয়ে এবং দাদু ও দিদার চিকিৎসার পেছনে ব্যয় হয়ে প্রায় শেষ হয়ে গেছে। বর্তমানে আমাদের বাড়িটি একটি সেমি-পাকা ঘর। এতে ছোট ছোট তিনটি রুম আছে—একটিতে মা-বাবা থাকেন, একটিতে দিদা, আর অন্যটিতে আমি। দিদিরা যখন বাড়িতে আসে, তখন আমি আমার রুম ছেড়ে দিদার সঙ্গে শুই। বাড়ির পাশে ছোট একটি গরুর ঘর আছে, আর তার পাশেই সামান্য খালি জায়গায় মা বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করেন। এবার কাহিনী শুরু করি… যখন আমার বয়স ১১, তখন আমি মনে হয় ক্লাস ফাইভে পড়তেছিলাম। ওইসময় আমি মা বাবার সাথে থাকতাম আর দিদি দাদু,দিদার সাথে ঘুমাতো তখন আমাদের ঘর ছিলো টিনের ২ রুমের। মা বাবার খাট টা অনেক ছোট হওয়ায় একসঙ্গে ৩ জন থাকা কষ্ট হয়ে যেতো তাই যখন বাবা বাড়িতে আসতো তখন বাবা মাটিতে থাকতো আর আমি আর মা খাটে ঘুমাতাম। হঠাৎ একদিন রাতে আমার ঘুম ভেঙে গেলো, মা বাবার ফিস ফিস আওয়াজে। আমি ঘুম ঘুম চোখে পাশে ফিরে দেখি মা আমার পাশে নাই, তাই কৌতুহল বসতো খাটের একটু পাশে গিয়ে নিচে চোখ রাখতে দেখি -- বাবা মার উপর শুয়ে আসে, বাবার লুঙ্গি টা হাটুর উপর তুলানো কিন্তু পাছা দেখা যাচ্ছে না আর বাবার দুই পা মার দুই পায়ের মাঝখানে, মার দুই পা দুই পাশে ছড়ানো যেহেতু রুমে অন্ধকার ছিলো আর ঘরে শুধু একটি জিরো বাল্ব এর লাইট জলছে তাই রুমে সব পরিষ্কার দেখা যাচ্ছিলো না. তবুও যতটুকু দেখলাম, দেখলাম মার শাড়ি কোমর পর্যন্ত উঠানো, মার ছড়ানো দুই পায়ের রান গুলা দেখা যাচ্ছিলো আর উপরের অংশ কিছু ভালোভাবে দেখা যাচ্ছিলো না এর কারণ - এখানে মায়ের বর্ণনা টা একটু দিয়ে দি। মায়ের গায়ের রং হালকা ফর্সা। সারাদিন রোদে আর ধুলাবালি তে কাজ করে ওইজন্য দেখলে শ্যামলা মনে হয়। মাকে দেখতে সাধারণ গ্রাম বাংলার মাঝ বয়সী মহিলাদের মতো। ভারী মোটা পাছা আর মেদযু্ক্ত পেট। দুধের সাইজ ৩৮ এর মতো হবে আর মায়ের উচ্চতা ৫ ফিটের মতো হবে, সে হিসেবে মাকে খাটো ধরা যায়। বাবা প্রায় ৫ ফিট ৭ ইন্চির মতো লম্বা। এ কারণে বাবার নিচে থাকায় মায়ের উপরের অংশ দেখা যাচ্ছে না বল্লে চলে। বাবাকে দেখলাম মুখটা মায়ের মুখের সাথে ঘসতেছে। ওইসময় মা কথা বলে উঠলো- তাড়াতাড়ি গরো না, ঘুম আইয়ির তো (তাড়াতাড়ি করো না, ঘুম আসতেছে তো)। এটা শুনে বাবা কোনো কথা না বলে দেখলাম জোড়ে জোড়ে শ্বাস নিয়ে কোমড় টা নাড়াতে লাগলো। এরপর মা একটু করে আহ করে উঠলো। তারপর দেখলাম মা তার মোটা মোটা পা দুইটা দিয়ে বাবার কোমড় টা জড়িয়ে ধরলো, সঙ্গে সঙ্গে বাবাকে দেখলাম থেমে গিয়ে মায়ের উপর শুয়ে পড়ছে। কিছুক্ষন শুয়ে থেকে বাবা উঠে পাশে শুয়ে পড়লো আর মাকে দেখলাম হাত দিয়ে শাড়ি টা হাঠু পর্যন্ত নামাই দিয়ে শুয়ে পড়ছে.. জিরো লাইটের আলোতে তেমন ভালো করে কিছু দেখা যাচ্ছিলো না। মা বাবার এ বিষয় টা আমার মনে প্রচুর কৌতুহল জন্ম দে। আমি তখন হয়তো বুঝতে পারি নাই, তারা কি করিতেছিলো, কিন্তু পড়ে আসতে আসতে বুঝতে পেরেছি তারা কি করতেছিলো।
Parent