করুনাময়ী মা। - অধ্যায় ২২
আমি- হ্যা বাবা মাকেও নিয়ে যাবো মা কোনদিন যায়নি তো। তাড়াতাড়ি ফিরে আসবো আমরা।
বাবা- আচ্ছা তাই কর আমি একা থাকতে পারবো।
মা- এই তুমি বস তোমার তো স্নান হয়ে গেছে আমরা পুকুর ঘাটে যাবো স্নান করতে। চল বাবা।
আমি- চল বলে দুজনে পুকুর ঘাটে স্নান করতে গেলাম।
মা- আমি পায়েলকে ফোন করেছিলাম তোর কথা বলেছি ওরা সন্ধ্যের পড়ে আসবে বলেছে।
আমি- তুমি না আবার আসবে কত রান্না করতে হবে নিজে আবার অসুস্থ না হয়ে পর। আমাকে আবার রাতে দিয়ে আস্তে হবে।
মা- দেখলাম ব্যাগ এনেছিস কিছু এনেছিস কি।
আমি- না যেতে সময় পাই নাই।
মা- ঠিক আছে চল জলে যাই সাবান দিয়ে দেই তোমাকে।
আমি- মা দেখ কে কে আসছে দরকার নেই এখন ওরা থাকবে আমাদের ঘাটে চল এমনি ডুব দিয়ে চলে যাই।
মা- তাই চল কি আর করা যাবে।
আমরা দুজনে স্নান করে বাড়ি ফিরে এলাম। দুটোর মধ্যে খেয়ে নিলাম, খাওয়ার পড়ে মা বাবাকে বলল যাও তুমি ঘুমাতে যাও, আমি কাজ করে আসছি।
আমি- মায়ের সাথে সব কাজ করে নিয়ে দুজনে ডাইনিং এসে বসলাম। কিছুখন পড়ে মা বাবার কাছে গেল আমি আমার ঘরে এলাম গরম একটুও কমে নি পাখা ছাড়া এক মুহূর্ত থাকা যায় না। মিনিট ১০ পড়ে মা আমার ঘরে এল কি তুমি ঘুমিয়ে পড়েছ নাকি।
আমি- না মা এইত এমনি শুয়ে আছি।
মা- তোমার বাবা ঘুমিয়ে পড়েছে, কিন্তু এমন স্বাস প্রশ্বাস করে ঘর ঘর করে শব্দ হয় আর এর জন্য আমি রাতে ঘুমাতে পারিনা। চাকরিটা হয়ে গেলে একবার ভাল ডাক্তার দেখাবে।
আমি- আচ্ছা মা তাই হবে, এখন যে ডাক্তার দেখে সে কি বলেছে।
মা- বলছে বিশ্রাম করতে আর খাবার সীমিত খেতে যেটা তোমার বাবা মানে না।
আমি- তবে তুমি এখন আমার কাছে ঘুমাও মানে আমার খাটে। আমি একটু পড়ে বের হব ফিরে আসবো পরানর আগেই।
মা- এখনই যাবে এখন তো খুব রোদ পড়ে যাও। আবার ওরা আসবে। তুমি আগেই যাও দেরী করনা।
আমি- হ্যা তিনটে বাজলেই বেড়িয়ে যাবো, এবার বল কি মাপের আনবো।
মা- ওই ৩৮ সাইজের ব্রা আর ওই মাপের সব আনলে হবে।
আমি- না মানে কোমর কি মাপের। মানে লেজ্ঞিন্সের কোমর লাগবে তো।
মা- ওইটা না আনলে হয় না আমার কেমন লাগে আগে কোনদিন পরি নাই সেই বিয়ের আগে চুড়িদার পড়তাম।
আমি- কি যে বল মা তোমাকে পড়লে দারুন লাগবে, তুমি পড়লে তুমি আর পায়েল মনে হবে দুই বোন। তোমার আর পায়েলের ফিগার মোটামুটি এক তো প্রায়।
মা- সে জন্যই তো আমার কেমন লাগে। পায়েল কি বলবে মা তুমি এখন ও আবার কি মনে করে।
আমি- জানিনা আমি আমার মাকে লেজ্ঞিন্স আর কুরতিতে দেখতে চাই ব্যাস আমি আনবো তুমি পরবে।
মা- আচ্ছা ঠিক আছে তুমি আনলে আমি পড়ব হল তো, খুশী এবার।
আমি- ওমা তুমি প্যান্টি পরনা। ও গুলো লাগবে কি।
মা- হেঁসে যা বলছ ও পড়তে গেলে লাগবে তো, নিয়ে এস, নেই আমার।
আমি- ওই ৩৬ কোমর তাইতো।
মা- হ্যা ওই ৩৮-৩৬-৪২ মাপ বলে। এইরকম হলে সব সময় পরা যাবে।
আমি- ঠিক আছে আমার সোনা মায়ের জন্য নিয়ে আসবো আজকে সব।
মা- শুধু আমার জন্য আনবে নিজের জন্য কিছু এনো, তোমার ওতো ভালো জাঙ্গিয়া নেই।
আমি- আচ্ছা আনবো মা আনবো। তবে আমি বের হই।