মা এবং বোন - অধ্যায় ২
মা বলল এবার তুই ধর বোন পারবে না দুজনে মিলে জাল তুমি মাম্পী তুই বসে থাক।একে একে জাল তুলতে লাগলাম। জালেও অনেক মাছ পেলাম, মোটামুটি ভালই মাছ হল
বোন- বলল মা তোমার ছেলের কষ্ট হয়ে গেছে দেখ যেমন বৃষটিতে ভিজেছে আবার ঘেমেও গেছে।
আমি- কেন কম কষ্টের কাজ নাকি।
বোন- তোর সাথে তো মা সব করল তোমার একার কষ্ট হয়েছে।
আমি- তবে তুই ধরলি না কেন, বাড়িতে গেলে বড় মাছটা তো বাবা মেয়ের জন্য রাখে, খেয়ে খেয়ে মোটা হচ্ছিস আসলে তুই একটা ঢেপসী আর কিছু না।
বোন- দেখলে মা দাদা আমাকে ঢেপসী বলল।
মা- এই থাম তোরা আমার ছেলে একটা কাম চোর কাজ করতে গেলেই ওর কষ্ট হয়। আর কি বলিস মাম্পী মোটা নাকি উড়তি বয়স এইসময় একটু মোটা হয়ে ওটা থাকবেনা বয়স হলে। নে অনেক মাছ হয়েছে এবার চল বাড়ির দিকে যাই।
, বাড়ি ফিরতে ফিরতে প্রায় সন্ধ্যে হয়ে গেল। কারন আড়তে মাছ দিয়ে এলাম। সব মিলিয়ে প্রায় ২১০০ টাকার মাছ বিক্রি করলাম।
মা- বলল দেখেছিস না গেলে এত পেতাম। এখন একদিনও বাদ দেওয়া যাবেনা।
বোন- আমার কালেক কলেজ আছে আমি যেতে পারবোনা। তুমি আর তোমার ছেলে যেও।
মা- কিরে বাবা যাবি তো কালকে।
আমি- হ্যা যাবো ওর যেতে হবেনা। আমি আর তুমি যাবো।
মা- হেঁসে দিয়ে সত্যি যাবি তো বাবা। তোর হাঁসিটা আমার ঠিক ভালো লাগল না।
আমি- না মা আমি যাবো তোমার সাথে ভেবনা আমার কোন কাজ নেই যদি কিছু কামাই হয় কেন যাবনা।
বোন- মা তোমার ছেলে তো মানুষ হয়ে গেছে, তবে সাবধান দাদা বাঘ কিন্তু আসে আর আবহাওয়াও তেমন ভালোনা সাবধানে থাকবি।
আমি- সে তোকে ভাবতে হবেনা আমি আর মা বুঝবো। তুমি কেলেজে যাবেনা ঢ্যাং ঢ্যাং করে ঘুরতে যাবে তাইনা।
বোন- মা মনে আছে একদিন আমরা গিয়ে আর ফিরতে পারছিলামনা এত ঝর বৃষ্টি শুরু হয়েছিল সারারাত আমাদের ওই নোদীর মধ্যে দুই দিকে নোঙ্গর ফেলে থাকতে হয়েছিল পরের দিন আসতে দুপুর হয়ে গেছিল খাবার ছিল না তবে একটা রক্ষা ছিল জল ছিল। তোমরা গেলে বেশী করে জল নিয়ে যাবে আর খাবার ও।
আমি- না না এখন আবহাওয়া ভালো অত খারাপ না। তবু দেখে যাবো।
বোন- বাঃ মা তোমার ছেলে তো জেলে হয়ে গেল ওর এই কাজে একদম রুচি ছিল না।
মা- বাদ দে চল রান্না করে নেই খেয়ে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে হবে। তোর ঠাকুমাকে রান্না করতে বলিনি না হলে তো করে রাখত এখন পারেওনা। এই বলে মা আর বোন রান্না করতে গেল।
আমি- ফাকে একটু বাজার থেকে ঘুরে এলাম বন্ধুদের সাথে আড্ডা মেরে। আমাদের ধরা মাছ থেকে মা আর বোন দুজনে মিলে রান্না করেছে খেয়ে বাবার সাথে সবাই কথা বলে তারপর ঘুমাতে গেলাম।
পরের দিন সকালে আবার মাছ ধরতে যাবো সকালেই রেডি হলাম মা আর আমি যাবো, কিন্তু বোন বলল না আমিও যাবো। আমি চল তাহলে বলে তিনজনে মাছ ধরতে গেলাম। আকাশ মেঘাচ্ছান্ন তাই আজকে ছই দেওয়া নৌকা নিয়ে বের হলাম। একপাশে ভালই বড় নৌকা তাতে ছই দেওয়া। সামনে বড় পাটাতন পাতা। বোন এদিকে জেদিকে ছই দেওয়া সেদিকে বসল আর আমি সামনে মায়ের কাছে বসলাম। নৌকায় দাড় দেওয়া আছে সবাই মিলে নৌকা বেয়ে গেলাম মরিসমারীর জঙ্গলের কাছে খালে। গিয়ে আগে মা দোন ফেলল। আজকে মা একটু ঢেকে ঢুকে এসেছে বৃষ্টি হবে বলে। যা হোক দোন ফেলে তারপর জাল ফেললাম তিন জায়গায়।
এরপর আবার খেয়ে নিয়ে একটু বসে আবার প্রথমে দোনের কাছে গেলাম। মা থারমোকলের ঝুরি নিয়ে দোন তুলতে বসে গেল। যেই ঝুকে মা দোন তুলতে লাগল, হঠাত একটা বড় পাঙ্গাস মাছ ধরা পড়ল প্রায় ১০/১২ কেজি ওজনের।মা একা একা মাছ টা তুলতে গিয়ে শাড়ির আঁচল ফেলে দিয়ে আমার সামনে ওনার বিশাল বখদ্বয় বের করে দিলেন। উরি আজকেও দেখে আমি অবাক হলাম এত বড় বড় মায়ের দুধ দুটো, বাবা একে ফেলে থাকে কি করে। মা ডেকে বলল ধর না হলে চলে যাবে আমি গিয়ে মায়ের সাথে মাছটা তুললাম। মা বলল এই একটায় আমাদের আজকের খাটনি উঠে যাবে দেখলি তো আসতে চাষ না। এরপর একে একে অনেক ট্যাংরা মাছ পেলাম। তারপর দোন তোলা হতেই। মা বল চল আজকে গোন ভালো চল এবার জাল তুলে নেই মাম্পী তুই নৌকা রাখিস ঠিক করে।