মা ও বোনের স্বামী - অধ্যায় ১৭৪
বাবা- আমি আর বেশীদিন বাঁচব না বাবা আমার দিন শেষ।
আমি- তোমার ও নিয়ে ভাবতে হবেনা আগের থেকে সুস্থ তো চিন্তা কিসের শুনি।
বাবা- বোনের বিয়ে দিলি ওরা এখন ভাল আছে আর আমার চিন্তা তোর মাকে নিয়ে আমি চলে গেলে কি করে বাঁচবে।
আমি- বাবা এ নিয়ে আগেও কথা হয়েছে এখন ঘুমাও আর ভাবতে হবেনা মা ভাল আছেন থাকবেন।
বাবা- তবুও আমি চাইছিলাম তুই একটা দ্বায়িত্ব নে তোর মায়ের।
আমি- সব নিয়েছি তো আগেই আর কি নেব, নিতে কিছু বাকি আছে মাকে জিজ্ঞেস কর।
বাবা- কই আমি জানি না তো।
আমি- কেন মা বলল তুমি জান, সব শুনেছ, কি মা বাবাকে বলনি।
মা- না বলিনি কি করে বলি তুই বল সব বলা যায়।
আমি- বাবা বল কি দ্বায়িত্ব নেব মায়ের। এখনই নেব তাহলে।
বাবা- না তোরা কি বলছিস আমি বুঝতে পারছিনা আগে সেটা বল, কি কি দ্বায়িত্ব নিয়েছিস।
মা- কি বলবে আর সব মুখে বলা যায়, কেয়ার বিয়ে দেওয়ার সময় কন্যা দান কে করেছে সেখানে বাবার দ্বায়িত্ব নিয়েছেনা। আমাদের খাওয়া পরার সব দ্বায়িত্ব নিয়েছে আর কি নেবে।
বাবা- কন্যা দান করে বাবা হয়ে গেছে তাহলে, তবে এবার বাবা হয়ে যাক।
মা- মানে কি বলছ তুমি
বাবা- আবার কি কেয়ার বাবা হয়েছে এবার নিজেরও বাবা হোক।
মা- মানে
বাবা- মানে আবার কি আমি দেখি কেমন বাবা হতে পেরেছে।
আমি- আর কি করতে হবে বল এতকরলাম তাতেও তোমাদের যখন হল না এবার বল কি করবো।
বাবা- যা গোপনে করিস এখন থেকে সামনে বসে করবি তাই, তবেই হবে। আর আমিও চাই তোরা গোপনে না করে সামনেই কর।
মা- কি বলছ তোমার সামনে বসে।বললেই হয়, পারা যায় নাকি।
বাবা- হ্যা, কেন পারবেনা, তবে আমি একটু বাথরুমে যাবো।
মা- একা পারবে যেতে।
বাবা- পারবো এখন অসুবিধা নেই বলে নেমে বাথ্রুমের দিকে যেতে লাগল।
মা- আমার দিকে তাকিয়ে কিরে কি করবি।
আমি- ক করব তুমি বল।
মা- জানিনা কেমন কেমন লাগে ছি ছি তাই হয় নাকি, স্বামীর সামনে ছেলের সাথে, যতই আগে করি না কেন।
আমি- দুজনে এতখন ছেলের সামনে ল্যাংটা ছিলে আর এখন করতে লজ্জা।
মা- তুই পারবি তো।
আমি- হুম মা ইচ্ছে করছে।
মা- তবে আর কি আমি না করে কি করব।