মা ও বোনের স্বামী - অধ্যায় ৩২
আমি- হুম যাও।
কেয়া চলে গেল আমি বসে আছি ১০ টা বাজতে আমি শাটার হাফ নামিয়ে বাড়ির ভেতরে গেলাম। গিয়ে দেখি বাবা আর মা বসে আছে।
বাবা- আয় তোর জন্য বসে আছি আমরা খাব।
মা- হ্যাঁ বস বলে আমাদের খেতে দিল।
আমি- বাবা এখন কেমন লাগছে তোমার।
বাবা- অনেক ভাল বাবা আগের মতন কষ্ট হয় না ঘুম ভাল হচ্ছে।
আমি- তুমি ভাল থাকলে আমরাও ভাল থাকি সেটা তুমি বোঝ।
বাবা- হ্যাঁ বাবা কিন্তু তোর আর তোর মায়ের একটা ব্যবস্থা করে দিতে পারলে আমি মরে শান্তি পেতাম।
মা- শুনলি আমাদের ব্যবস্থা করবে কেন আমরা কি খারাপ আছি, কিসের অসুবিধা আমাদের আমরা ভাল আছি।
বাবা- আমি অক্ষম তোমাকে সক্ষমের হাঁতে দিতে পারলে আমার চিন্তা থাকত না।
মা- আমাকে কার হাঁতে দেবে আমার ছেলে আছে না, আমার ছেলে থাকলেই হবে অন্য কারো সাহাজ্য আমার লাগবেনা। আমার ছেলে একাই একশো।
বাবা- আমি তো সেটাই বলছি। তুমি আর তরুণ এক থাকলে আমার আর কিসের চিন্তা।
মা- তোমাকে আমাকে আর তরুন কে নিয়ে ভাবতে হবেনা, আমার কষ্ট ও হতে দেবে না, আমি ওকে জন্ম দিয়েছি আমি যেমন ওর কিছু হলে বুঝতে পারি তেমন তরুন আমার কষ্ট বুঝবে। কি বাবা আমাকে কষ্ট দিবি না সুখ দিবি।
আমি- মা বাবা তোমরা থামবে, আমি তো সব দিক দিয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছি তোমাদের যাতে কষ্ট না হয়। বাবার ওষুধ, কেয়ার পড়াশুনা, মায়ের যা লাগবে তাই জোগার করে দিচ্ছি, আর কি করব তোমরা বলে দাও।
বাবা- আমি বলছিলাম কি তোর মাকে গত ৫ বছর ধরে শুধু কষ্ট দিচ্ছি আমি একটুও সুখ দিতে পারিনাই, তুই সেই ব্যবস্থা করিস। সুকোমল আমাদের সাহায্য করতে চেয়েছিল কিন্তু তোর মা ওর কাছ থেকে কোন সাহায্য নেই নাই, তার পরে তুই যখন দোকান করলি আমি একটু সস্থি পেয়েছি। সুকোমল তো লোক ভালনা আমার অভাবের সুযোগ নিতে চেয়েছিল তোর মা বুঝে কষ্ট হলেও সামলে নিয়েছে। কত অভাব গেছে আমাদের।
আমি- ঠিক করেছে মা কষ্ট হলেও এখন আমরা ভাল আছি বাবা। আর দেখি চাকরির পরীক্ষা দিয়েছি রেজাল্ট বের হবে কিছু দিনের মধ্যে তাতে কি হয়।
বাবা- ভগবান আমাদের দেখবে দেখিস তোর চাকরি হবে।
মা- তাই যেন হয় তবে তুমিও সুস্থ হয়ে উঠবে, আমারা সবাই এক সাথে থাকব।
বাবা- সে যা হোক আশা আমার দ্বারা আর কিছু হবেনা সব শেষ। ভাল হয়ে কি করব তোমাকে তো আর ভাল রাখতে পারবোনা।
মা- তোমার আর রাখতে হবে না আমার ছেলে আছে ও রাখবে চাকরি পেলে অভাব থাকবে আমাদের সেটা তুমি বুঝতে পারছ না। আমার ছেলে থাকলে আর কাউকে লাগবেনা।
বাবা- আমিও চাই তুমি ছেলের সাথে থাকো। সুখে থাকো।
মা- তুমি ভেবনা আমার ছেলে আমার থাকবে ওকে কেউ নিতে পারবেনা।
আমি- মা এবার আমি যাই অনেখন হয়ে গেল।
মা- হ্যাঁ বাবা আমি যাবখন রান্না শেষ করে কখন বন্ধ করবি।
আমি- ২ টায় বন্ধ করব।
মা- আমি তার আগে যাবো এক সাথে স্নান করব কেমন।
বাবা- হ্যাঁ তোমারা এক সাথে স্নান করে নেবে এক সাথে খাওয়া যাবে।