মা ও বোনের স্বামী - অধ্যায় ৭৮
ওরা সবাই বাড়িতে আমি দোকানে এলাম। দোকান ফাঁকা ছিল তাই মাসীমাকে ফোন করলাম ধরতে হ্যালো
মাসীমা- কেমন আছ সোনা।
আমি- ভাল আপনি কেমন আছেন না থুরি তুমি কেমন আছ।
মাসীমা- ভাল এই সময় ফোন করলে।তুমি কেমন আছ ।
আমি- ভাল আছি রাতে মনে হয় সুযোগ পাবনা তাই এই ফাকে তোমার সাথে কথা বলে নেই ভাবলাম।
মাসীমা- ভাল করেছে আজ ওরা তো তোমাদের বাড়িতে কি করে ফোন করবে। তা একা নাকি এখন।
আমি- হ্যাঁ, তা তোমার নদীর বাঁধনের কি অবস্থা থেমেছে, নাকি এখনো বের হচ্ছে।
মাসীমা- কমেছে কিন্তু বন্ধ হয়নি রাত পেরলে হয়ত থেমে যাবে।
আমি- আর কতকাল অপেক্ষা করব সোনা মনে হয় এক যুগ হয়েগেল।
মাসীমা- হেঁসে আমারও তাই মনে হয়। আর মাত্র এক দিন তারপর ২৮ দিন পাওয়া যাবে। ভেবনা সোনা হবে হবে।
আমি- আমি সেই অপেক্ষায় আছি। কি বলব কথা বলতে বলতে লুঙ্গি উচু হয়ে গেছে টং দিয়ে দাড়িয়ে আছে।
মাসীমা- যা কি বলে এই অবেলায় এমন করে কেউ রাত হলে না হয় বলা যেত। এখন সন্ধ্যে হয়ে গেছে ঠাকুরের নাম নিতে হয়। এখন সন্ধ্যে দিতে হয়, আমি তো দিতে পারবোনা তুমি দাও।
আমি- তবে রেখে দেই
মাসীমা- হ্যাঁ ফাঁকা হলে রাতে যদি পারো কল করবে।
আমি- আচ্ছা। বাই সোনা। লাইন কেটে আবার দোকানদারি করতে লাগলাম। সন্ধ্যের পরে কেয়া আর তাপস এল। ওরা বাজারে যাবে। আমি হাত খরচার জন্য ওদের কিছু টাকা দিলাম। মায়ের খোঁজ নিলাম মা রান্না করছে। কিছুখন বাবা এল আমার কাছে বসল আর বলল নারে জামাই ভালই হয়েছে আমার মেয়েকে সুখে রাখবে। আমি হু দেখে তো তাই মনে হয়।
বাবা- যাক মেয়েটার একটা ভাল জায়গায় তোরা বিয়ে দিলি।
আমি- বাবা সব তার ইচ্ছে।
বাবা আমি আরও অনেক গল্প করলাম। ফাকে বাবা বলল তোর মায়ের কষ্ট হতে দিস না বাবা।
আমি- বাবা কি যে বল আমি কি মায়ের অবাধ্যা হয়েছি, মা যা বলে তাই করি মায়ের মনে কোন দুঃখ দেই না।
বাবা- তবুও আমি বার বার বলি কারন ওর অনেক কষ্ট বাবা আমি কিছুই পারিনা তাই তোকে বার বার বলা।
আমি- বাবা আমি আছি মাকে সুখে রাখবো, একদম ভাব্বেনা।
এর মধ্যে মা এল কি কথা হচ্ছে বাপ ছেলে।
বাবা- না না তেমন কিছুনা ওই মেয়ের ভাল জায়গায় বিয়ে হয়েছে।
মা- সবই ঠিক আছে জামাই বাড়ি থাকবেনা সেই নিয়ে আমার চিন্তা। কাল বাদে পরশু চলে যাবে আর কবে ফিরবে ঠিক নেই কি করে থাকবে মেয়েটা।
বাবা- অত ভেবনা আমরা আছিনা এখানে এসে থাকবে।
মা- তুমি কিছুই বোঝনা দেখছি, কি বলি আর কি বলে।
আমি- মা চিন্তা করোনা হবে অসুবিধা হবেনা, কেয়া পড়াশুনা চালিয়ে যাবে। এ বাড়ি ও মিলিয়ে থাকবে।
মা- সে তো হবে ওরা কোথায় এখন ফোন করেছিল তোকে। আর কটা বাজে এখন।
আমি- মোবাইল দেখে বললাম ৯ টা বাজে, তোমার রান্না হয়ে গেছে।
মা- হ্যাঁ ফোন করে দেখ আর বাবাকে বলল তুমি চল খেয়ে নেবে ওষুধ খেতে হবেনা তোমাকে একটু সুস্থ হয়েছ বলে পাখনা গজিয়েছে। একা একা হেটে চলে আসে, তোমার ছেলে ভাল বলে তোমাকে সুস্থ করেছে ডাক্তারের কথা শুনে থেমে থাকেনি। তাই এখন এত সুস্থ, তোমাকে সম্পূর্ণ ভাল হতে হবে আগের মতন, ছেলে যদি চাকরি পায় তখন তুমি দোকান সামলাবে বুঝলে। আমাদের আগাএর মতন হতে হবে।
আমি কেয়া তাপসকে ফোন করলাম তোমরা কোথায়।