মা ও বোনের স্বামী - অধ্যায় ৯৯
কেয়া- দাদা বাড়ি কখন যাবি।
আমি- বাবা মা আসুক ও না আমাকে মার্কেটে যেতে হবে। না সাইকেল টাও আনা হয়নি। যাচ্ছি একটু পরে। বন্ধ করেই যাবো।
কেয়া- দাদা আমার কিছু করার নেই।
আমি- পাগলি আমি কিছু তোকে বলেছি তুই ভাল থাকলেই ভাল, আমি সব সামলে নিতে পারবো। মা আছে আমার সাথে আমার কিসের চিন্তা। তুই ভাল থাক এটাই আমি চাই।
কেয়া- না বললি সাইকেল নিয়ে যাবি যেখানে বাইক আছে বাইক নিয়ে যা।
আমি- তেল তো আমাকে কিনতে হবে তাই না। তোদের বাইক তোদের কাজে লাগাব আমার কাজে লাগাবনা।
কেয়া- দাদা তুই রাগের কথা বলছিস কিন্তু।
আমি- আরে না না অত সুন্দর বাইক মাল টেনে নষ্ট করব তাই আর কিছু না। বিকেলে তোকে দিয়ে আসতে তো যাবো। তুই বাড়ি যা আমি না হয় বাইক নিয়ে যাচ্ছি। বন্ধ করে বাবা মা কি করছে ওখানে যেতে হবে।
কেয়া- আচ্ছা দাদা বন্ধ কর একসাথে যাই।
আমি- বন্ধ করে নিলাম তারপর বাড়ি গিয়ে বাইক নিয়ে ছুটলাম। রাস্তায় এসে আমার নতুন মাকে ফোন করলাম কি করছ সোনা।
মাওইমা- এইত রান্না করলাম স্নান করতে যাবো ভাবছি, তুমি কি করছ এখন কেয়া তোমার মা বাবা কোথায়। আমি এইত কেয়া বাড়িতে আমি ভাবছি আসবো। তাই বাইক নিয়ে বের হচ্ছি কারন বাবা মা ডাক্তারের কাছে গেছে আসতে ২ টা বাজবে আমাকে মাল আনতে যেতে হবে।
মাওইমা- সত্যি আসবে এখন।
আমি- হুম তুমি বললেই আসবো।
মাওইমা- আস সোনা।
আমি- ১০ মিনিট পৌঁছে যাবো।
মাওইমা- আচ্ছা রেখে টান মারো। বাইক নিয়ে আসছ তো।
আমি- হ্যাঁ সোনা আসছি ওকে বাই।
এই ফোন রেখে দিলাম টান ১০ মিনিটে পৌঁছে গেলাম। বাইক রেখে সোজা দোতলায়, কিন্তু দেখতে পাচ্ছিনা আমার মামনি কোথায়। ডাক দিলাম কোথায় এই মামনি।
মাওইমা- দাড়াও আসছি বলে দরজা খুলল আর বলল আস সোনা।
আমিও- সোজা ঘরের মধ্যে গেলাম। সোফায় বসা। কি গো কি করছিলে।
মাওইমা- এই ছেলে ফোন করেছে এখনো গাড়িতে নামবে রাত ১১ টায়। বলল এর পরে আর নেটওয়ার্ক পাওয়া যাবেনা তাই জানিয়ে দিল। এর পর কেয়েকে ফোন করবে ১৫ মিনিট ট্রেন ওখানে দাঁড়াবে বউকে ফোন না করলে হয় তাই অল্প কথা বলে কেটে দিল।
আমি- হুম বুঝতে পেরেছে বাবা দাদা এসে গেছে মাকে এখন দেবে তাই।
মাওইমা- যাও কি বলে।
আমি- তোমার বউমা ফোন করেছিল আজকে।
মাওইমা- হুম করেছিল ৯ টার দিকে।
আমি- কিই গো দরজা আটকাবো।
মাওইমা- না আঁটকে হয় নাকি যদি কেউ এসে যায় যদিও আসবেনা কেউ। দাও আটকে দাও।