মা শুধু আমার - অধ্যায় ১০২
এরপরে মা ছেলে ফ্রেশ হয়ে দুজনেই ঘুমালাম। এক ঘুমে বিকেল হয়ে গেল।
মা- আমাকে ডেকে বলল যাও এবার একটু ঘুরে আসো না হলে সবাই বলবে মায়ের আঁচলের নিচে থাকে ছেলে আমি বাড়ির সব কাজ করে রাখি তুমি ঘুরে আসো একটু তবে বেশী রাত করবেনা কিন্তু।
আমি- আচ্ছা মা বলে স্কুটি নিয়ে বের হলাম। পারার দোকনে বসে চা খেয়ে সোজা চলে গেলাম স্টেশনের বাজারে। কাজ নেই অনেকদিন পর তাই ঘুরতেই গেলাম। পরিচিত কারো সাথে দেখা পেলাম না একাই ঘুরবো ভাবছি। এই ভেবে নিয়ে স্কুটি পারকিং করে সোজা ষ্টেশনে গেলাম। ছোট বেলা কত এসেছি মানে বিদেশে জাওয়ার আগে এইখানে পুরানো দোকানে গিয়ে বসলাম কথা বলে আবার চা খেয়ে কি করব সময় কাটছেনা একদম আবার ফিরে এলাম স্কুটির কাছে। পেছন থেকে ডাক শুনলাম দাদা এই দাদা। ফিরে তাকাতে দেখি বোন আর ভগ্নিপতি দাড়িয়ে আছে। কাছে যেতে।
বোন- দাদা তুই এইখানে মা কোথায়।
আমি- নারে মা আসেনাই আমি একা এসেছি।
বোন- একটু রাগ করে আমার উনি এসেছে আমাকে কিছু কিনে দেবে বুঝলি তুই কত কিছু দিয়েছিস তাই সে কিছু দেবে আমাকে।
ভগ্নিপতি- হ্যা দাদা আপনার বোনকে তো কিছুই দেই নাই তাই ভাবছি প্রোমোশন হল ওকে কিছু না দিলে হয় তাই নিয়ে এসেছি।
বোন- চল না দাদা তুই পছন্দ করে দিবি আমাকে।
আমি- নারে এটা তোদের স্বামী স্ত্রীর ব্যাপার আমাকে নাক গলাতে দিস না ওর পছন্দ মতন কিনে নে। তোর বর কত ভালো কেন এমন করছিস তুই ও তোকে অনেক ভালোবাসে সোনা বোন আমার পরবি সব সময় ওর পছন্দের।
ভাগ্নিপতি- চলেন দাদা কিছু হবেনা ও যাতে খুশী তাতেই আমিও খুশী। আর মায়ের জন্য কিছু কিনে দেব কালকে ওকে নিতে আসবেন তখন সাথে না হয় নিয়ে যাবে মাকে তো কিছু দেওয়াই হয়নি আমার।
আমি- আচ্ছা চলো তাহলে বলে সবাই মলে ঢুক্লাম।
সবাই দেখতে লাগলাম দেখে শেষ পর্যন্ত আমার পছন্দের একটা চুড়িদার নিল বোন। আমি বাধ্য হয়ে ভগ্নিপতিকে একটা পাঞ্জাবী সেট কিনে দিলাম সাম্নের বিবাহ বার্ষিকীর জন্য। এরপর ওরা মায়ের জন্য একটা শাড়ি কিনল। ভগ্নিপতি আমাকে দিতে চেয়েছিল আমি নেই নাই। এরপর আমরা সবাই মিলে গেলাম একটা রেস্টুরেন্টে খেতে।
আমি- বললাম যাও যা খাবে বলে আসো সব বিল কিন্তু আমার বলে দিলাম বোন ভগ্নিপতিকে আমি খাওয়াবো।
বোন- বলল এই যাও গিয়ে মিক্সড চিকেন রোল বলে আসো।
ভগিনিপতি- যা ভর কখন পাবো কি জানি যাই আমি গিয়ে দাড়িয়ে থেকে নিয়ে আসি তোমরা বস।
বোন- বলল তাই কর আমরা বসে আছি, বলে বলল যাক দাদা এবার কথা বলা যাবে বল কিছু হল তোর। মায়ের কি অবস্থা দিতে পেরেছিস।
আমি- মনে মনে ভাবলাম কি বলব। আগেই বলে দেব না থাক এইসব ভাবছি।
বোন- বলল কি হল দাদা বলনা চুপ করে আছিস কেন। বাড়িতে তো তোরা দুজনে এই সুযোগ কাজে লাগ্লাস্নি তুই দাদা।
আমি- বললেই কি হয় একি বোন যে কাম পাগল মা বলে কথা বুঝতে তো হবে।
বোন- দাদা আমার কাছে লুকিয়ে লাভ নেই আমার মনে হয় তোদের হয়েছে তোকে দেখে তাই মনে হয়, কারন আমার অভিজ্ঞতা আছে বিয়ের পরে প্রথম দুইদিনে ওর যেমন চেহারা হয়েছে ঠিক তেমন তোর। আমাকে সত্যি বল দাদা। মাকে করেছিস তো তুই। মায়ের যা কথা তাতে বুঝলাম তোদের হয়েছে না হলে মা কেন বলবে দুজনে একসাথে খাবো এই কথার মানে কি দাদা। ও এসে যাবে বলনা দাদা সত্যি হয়েছে তো তোদের। না হলে আমি গিয়ে কি করব মা থাকবে আমাদের কিছু হবেনা দাদা।