মা শুধু আমার - অধ্যায় ৯৯
আমি- উঠে সোজা ডাইনিং গিয়ে ফোন হাতে নিয়ে ফোন করলাম।
বোন- ধরে বল দাদা কি করছিস খাওয়া হয়ে গেছে মা কোথায়।
আমি- মা ঘরে শুয়ে পরেছে বল কি করছিস তোরা।
বোন- আমার ভুলু বাবু ক্লান্ত হয়ে শুয়ে পরেছে মনে হয় ঘুমিয়েও গেছে এই কি গো দাদা ফোন করেছে, তারপর না দাদা ঘুমিয়ে গেছে বুঝলি।
আমি- কিরে দিয়েছ বুঝি দুপুর বেলা।
বোন- হুম দিল তুই এলিনা কি করব ইচ্ছে তো করে তাই দিতে বললাম। মা কইরে শুনতে পাচ্ছে না তো।
আমি- মা ঘরে আমি ডাইনিং এ দাড়িয়ে। দারা মায়ের কাছে যাচ্ছি।
বোন- আগে বল কিছু হল তোর।
আমি- না তুই না আসলে হবেনা, কালকে তোকে নিয়ে আসবো তারপর একসাথে করব দুজকে।
মা- ডাক দিয়ে কিরে ফোন ধরেছে রিম্পা।
বোন- এক কাজ কর দাদা মাকে ফোন দে যত আজে বাজে কথা তোর মা কি তোর বোনের মতন চাইলেই ধরা দেবে।
আমি- আসছি মা বলে সোজা ঘরে গেলাম আর বললাম এই নাও তোমার মেয়ের সাথে কথা বলো।
মা- হাতে নিয়ে বল মা কেমন আছিস আমার দিদিভাই আর বাবা কি করছে।
বোন- আর কি বাপ বেটি দুজনেই ঘুমিয়ে পরেছে।
মা- কখন খেলি মা আমরা তো এইবমাত্র খেয়ে ঘরে আসলাম তোর দাদা আজকে আমার অনেক কাজ করে দিয়েছে বুঝলি।
আমি- মায়ের কাছে ঘেঁসে মায়ের দুধ ধরে কথা শুঞ্ছিলাম।
বোন- তোমার নিজের কাজ কিছু করেছে। তোমার ছেলে বোঝে মায়ের কি দরকার সেই কাজ করেছি কি, রান্না করে দেওয়া ঘর মুছে দেওয়া কি কাজ হল। ওসব তো আমিও করি বাড়ি গেলে তাইনা।
মা- বলল বোঝে রে দাদাকে অমন কেন ভাবিস তোর দাদা অনেক বোঝে বুঝলি, কালকে আসবি তো আসলে বুঝতে পারবি। দেখবি তোর দাদা কেমন কাজ করে। সব কাজ খুব ভালো পারে ওকে বলতে হয়না।
বোন- যাক তোমার ভালো লাগ্লেই ভালো। তোমার ছেলে কই।
মা- এইত পাশে শুয়ে আছে আমাদের কথা শুনছে। কালকে তুই সকাল সকাল আসবি তোর দাদা গিয়ে নিয়ে আসবে। তুই না আসলে জম্বে না মা। তোর বাবা আবার পরশু চলে আসবে বুঝলি। কালকে জামাই কখন যাবে তারপর তোর দাদা যাবে। জামাইকে বলতে হবেনা তুই আসবি আর বিকেলে যাবি।
বোন- আচ্ছা মা চলে আসবো তুমি ভেবনা তোমার জামাই যাবে ৯ টার মধ্যে দাদাকে পাঠিয়ে দিও ঐ ৯ টা ১০ শে আসলেই হবে।
মা- হ্যা তুই রেডি হয়ে থাকবি কেমন আস্তে যেটুকু সময় লাগে দেরী করবি না। এখানে এসে খাবি। আমি সকালে রান্না করে রাখবো।
বোন- আরে না তোমার জামাইয়ের জন্য রান্না করব না দুপুরের খাবার খাবো। বরং দাদা এখানে খাবে আমার সাথে।
মা- না না এখানে আসবি তারপর আমরা খাবো তিনজনে এক সাথে। তা মা জামাই আদর করে তো তোকে।
বোন- আর বলো না তো কিছু হয় না আমার। যত জালা তোমার মতন। তুমি বারন করেছিলে বাবাকে কিন্তু শুনলো না। আমার জীবনটা একদম মাটি করে দিলে তোমরা। না আছে আরথিক সুখ না আছে শারীরিক সুখ, কিছুই পেলাম না আমি সব কপাল আমার তোমার মতন মা। তোমাকে আগেও বলেছি।
মা- সত্যি মা তোর কপাল আর আমার কপাল একই রকম। কি আর করা যাবে আয় দেখছি মা। ঠিক আছে মা এবার রাখ জামাই আবার উঠে যাবে। দিদি ভাইয়ের তোর দুধ পেট ভরে।
বোন- হ্যা খেয়ে পারেনা ডেলি ফেলে দিতে হয় আমি তোমার মেয়েনা, রাখি মা এখন রাখি বিকেলে আবার একটু বের হবে বলেছে দেখি কি করে।
মা- ঠিক আছে তবে ঘুরে আয় রাখ এখন। রাখি এখন দেখি তোর বাবা কি করে। ওদিকে একটু ফোন করি। বলে মা কেটে দিল। আমাকে বলল এবার তোমার মামীকে একটু ফোন লাগাও তো।
আমি- কি আগে মাকে লাগিয়ে নেই বলে মাকে চুমু দিলাম।
মা- বলল কি আগে কথা বলে নেই ভোরে দিলে আবার খেয়ে দিলে এখন আর না সোনা কথা বলে নেই পেট একদম ভরতি না পড়ে কথা বলে নেই।
আমি- হুম বলে মামীকে ফোন লাগলাম।
মামী- ধরে বল বাবা কি করছিস তোরা।
আমি- এইত মা কথা বলবে বাবা কই।
মামী- দে তোর মায়ের কাছে বলে মা ধরতেই বলল বলো দিদি কি করছ তোমরা।
মা- এইত আমি আর ছেলে এক বিছান্য শুয়ে আছি এতখন্ন রিম্পার সাথে কথা বললাম তাই ভাবলাম তমাদের ফোন করি, কি গো বৌদি আমার বর কি করে।
মামী- আর বলোনা দিদি খেয়ে শালা ভগ্নিপতি দুজনেই বের হয়েছে আমি এইত কাজ সেরে একটু বিছানায় গা দিয়েছি ছেলেও বাড়ি নেই। তোমার ছেলে তো তোমার কাছে থাকে আর আমার ছেলে আমার খোজ নেয়না বুঝলে দিদি।
মা- ওরা কোথায় গেছে বৌদি।
মামী- এইত নদীর পারে ঘুরতে গেছে তাস ও খেলতে পারে তোমার ভাই তো বিকেলে বের হয় ওই কাজে।
মা- এইজন্য এখন তোমার দাদা আর আমার খোজ নিচ্ছেনা যা আমি নিচ্ছি।
মামী- দরকার নেই তোমার ছেলে তোমার সব খোজ নেবে দিদি দাদার আর কিসের দরকার, টাকাও ছেলের আর সে তো মায়ের খেয়াল রাখে তাই না।
মা- হ্যা গো বৌদি ছেলে ফিরে এসেছে বলেই আমার আর চিন্তা নেই খুব খেয়াল রাখে আমার।
মামী- দিদি ছেলেটাকে কয়দিনের জন্য পাঠাও না আমার কাছে অর ভাইকে একটু বোঝাক।