মায়ের ছেলে, মায়ের জামাই - অধ্যায় ৩৫

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-64075-post-5705460.html#pid5705460

Posted on Thu Aug 22 2024 by momloverson (Profile)

Tags:incest
683 words / 3 min read

Parent
কেয়া আমার হাত টেনে নিয়ে এক কামোর মারল আমার আইসক্রিমে। মুখে নিয়ে বলল তুমি সব খেতে পারবেনা তাই আগে খেয়ে নিলাম বুঝলে। আমরা আইসক্রিম খাওয়া হলে টাকা দিলাম দোকানদারকে আর বললাম চল যাই। কেয়া এই দেখ তো চোখে কি গেল বলে চোখে আঙ্গুল দিয়ে টেনে ধরে দেখতে বলল। আমি দেখতে গেলাম সত্যি কি কিছু গেছে নাকি বলে। কেয়া আমার মুখের কাছে মুখ নিয়ে চকাম করে একটা চুমু দিল। আমি সরে গিয়ে এই এটা কি হল। কেয়া কি আবার আমার বয়ফ্রেন্ড এতকিছু কিনে দিল আমি দেব না তাই হয় তারজন্য এটা বুঝলে। কি তুমি খুশী হও নি। আমি তাই বলে পাবলিক প্লেসে কেউ এইসব করে নাকি ওঠ বাইকে ওঠ। কেয়া উঠে পেছনে বসে আমাকে জরিয়ে ধরে এই তুমি রাগ করেছ। তোমাকে খুব ভালবাসতে ইচ্ছে করছে গো। আমি ওর হাত ধরে না সোনা, সন্ধ্যে হয়ে গেছে বাড়ি যাবো না দোকান তো আজকে বন্ধ গেল।কামাই না করলে তোমাদের সুখে রাখবো কি করে তুমি বল।   কেয়া চল তবে তুমি তো মায়ের সাথে কথা বলো আমি তোমার সাথে কথা বলব কি করে। আমার তো পুরানো একটা মোবাইল, ভিডিও কল হবেনা র‍্যাম কম বুঝলে। তোমার সাথে কথা না বলে থাকতে পারবো না। বাইরে গেলে আমি তোমাকে ফোন করব কেমন। আমি কয়দিন যা আছে তাই নিয়ে চল, ফিরে আসো তারপর দেখবো এখন পারবো না। কেয়া তোমার নাম্বার দাও আমি কথা বলব কেমন তুমি তো দেখতে আসবে না। তাই কথা বলতে পারবো। আমি আচ্ছা নেমে নেই এখন তো ব্যাগে পরে টুকে নিও। কেয়া সে তো মায়ের কাছ থেকেও নিতে পারবো চল আস্তে আস্তে পাশ দিয়ে চল কম রাস্তা না। এই বলে আমার কান কামড়ে ধরল। আমি উম কি করছ তুমি আমরা পরে যাবো কিন্তু এরকম করলে টাল সামলাতে পারবো না। কেয়া আস্তে আস্তে চালাও কিছু হবেনা অন্ধকার হয়ে গেছে তো। এরমধ্যে আমার মোবাইল বেজে উঠল, আমি বললাম কে আবার ফোন করল। কেয়া না দেখেই বলল মা ফোন করেছে দেখ তুমি। পাশে দাড়িয়ে দেখে নাও। আমি বাইক দাড় করিয়ে মোবাইল বের করে হ্যা সত্যি মা ফোন করেছে। ধরে বললাম বল মা। মা কোথায় তোমরা কখন আসবে তুমি যাবেনা দোকান তো করতে পারবে না আজকে। আমি এইত মা ফিরছি কেনাকাটা হয়ে গেছে আসছি আমরা। এই কেয়া আর কত সময় লাগবে। কেয়া দাও আমাকে বলছি মাকে। এই বলে মোবাইল নিয়ে এইত মা আর আধ ঘন্টা লাগবে বেশী হলে রওয়ানা দিয়েছি। মা ঠিক আছে আয় তোরা আমি বসে আছি। কেয়া হ্যা দাদাভাই বাইকে চালাচ্ছে চলে আসবো আমরা। এই বলে কেয়া লাইন কেটে দিল। আর বলল আস্তে আস্তে চালাবে মাকে বলেছি আধ ঘন্টা লাগবে যেতে তো লাগবে ১৫ মিনিট। পেছনের গলি দিয়ে যাবো বুঝলে একদম ফাঁকা থাকে ওটা। আমি ও তাই আচ্ছা তবে চালাচ্ছি। এই বলে চালাতে লাগলাম। কেয়া আমার বুকে হাত দিয়ে দুদুতে খোটা দিচ্ছে। আমি এই কি হচ্ছে। কেয়া বেশ শক্ত তো বোটা তোমার। আমি বাচার ইচ্ছে আছে নাকি আজকেই মরে যেতে চাও, মায়ের কি হবে আমি মরে গেলে। কেয়া ইস তুমি মরবে কেন মায়ের কথা ভাবো আমার কথা ভাবো না। আমাকে কে দেখবে তুমি ছাড়া। আমি তুমি যা ভাবছ সে কোনদিন হবেনা সোনা বোন আমার। মা মেনে নেবেনা আমাদের এই সম্পর্ক তোমার বয়স কম তো আবেগে সব করছ তুমি। ভাইবোনে এসব হয়না। কেয়া তুমি আসলে বোকা আজকাল সব হয় আমি নেটে অনেক গল্প পরেছি ভাইবোন হয় বুঝলে। তারপর আমাদের বাবা তো আলাদা কোন সমস্যা হবেনা। আমি সে তো আমিও পরেছি শুধু কি ভাইবোন আরো অনেক কিছু হয় সব মনে মনে রিয়াল সম্ভব না। কেয়া কেন হবেনা আমরা করলেই হবে, আমি তোমাকে ছাড়া আর কাউকে চাইনা দাদা। তোমার কি আমাকে ভালো লাগেনা। আচ্ছা আর কি কি পরেছ তুমি। বলনা আমকে। আমি সে তো অনেক কিছু, অনেক গল্প পরেছি ভাইবোনে, তাছাড়া আরো আছে। কেয়া সেটা বলনা আমি তো দুটো গল্প পরেছি মাত্র। আর কে কে হয় বলনা। আমি বাবা মেয়ে হয়, জামাই শাশুড়ি হয়, সব সম্পর্ক আছে। জাকে বাংলায় বলে অজাচার আর ইংলিশে বলে ইন্সেস্ট। কেয়া হুম গল্প গুলো খুব বাজেভাবে লেখা পড়লে মাথা নস্ট হয়ে যাই তাই না দাদা। আমি ওগুলো পরা ঠিক না আর পড়লে মনে রাখতে নেই এতে অনেক বাজে এফেক্ট পরে মনে। কেয়া হুম জানি আমার ওই বান্ধবীটা আমাকে পরতে দিয়েছিল মোবাইলে উফ পরে মাথা নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল আমার। আমি বুঝতে পেরেছি তারজন্য এমন হচ্ছে তোমার বুঝেছি এবার কারন্টা কি। বাড়ি এসে গেলাম প্রায় তাই না কোনদিক যাবো এবার সোজা তো।
Parent