মায়ের ফিরে আসা - অধ্যায় ১৮
মা- না রান্না করে তারপর পড়ব। এখন তুমি বস আমি রান্না করে নেই। যাবে নাকি আমার সাথে রান্না ঘরে।
আমি- যাবনা মানে মায়ের কাছেই আমি থাকবো। চলো বলে দুজনে রান্না ঘরে গেলাম।
মা- একে সব বের করে নিল ব্যাগ থেকে আর দেখে বলল বাব্বা কত বাজার করেছ। কালকে আর বাজারে যেতে হবেনা।
আমি- হ্যা মা সকালে কাজে যেতে হবেনা। কাজ না করলে তোমাকে আর বোনকে কি করে খাওয়াবো আর পড়াবো।
মা- রিয়াকে কি এখানের কলেজে ভর্তি করানো যাবে।
আমি- আরে যাবে এখানের কলেজের মাস্টারের সব কাজ আমি করেছি বললে ঠিক ভর্তি নিয়ে নেবে তুমি ভেবনা। আমি মা মাংস আমি ধুয়ে দেই।
মা- ঘুরে আমার ঠোটে চুমু দিয়ে না সোনা আমি সব করছি তুমি বস মায়ের পাশে। এই বলে নিজেই মাংস বের করে ধুয়ে মসলা করতে লাগল।
আমি- ওমা বোন তো বের হচ্ছে না। দাড়াও আমরা আইসক্রিম খেয়ে নেই। না হলে গলে যাবে যে।
মা- ও তাইতো বের করে দাও তুমিখাও আর আমাকেও দাও।
আমি- একটা বের করে মায়ের মুখের কাছে ধরলাম।
মা- না তুমি আগে খাও।
আমি- না এইতা দুজনেই খাবো তারপর ওটা বের করে আবার খাবো।
মা- দুষ্ট তবে আগে তুমি নিয়ে আমাকে দাও।
আমি- না তোমার মুখ থেকে আমি খাবো। বলে মায়ের মুখে দিলাম তারপর আমি মায়ের মুখ মুখ দিয়ে মায়ের জিভ ঠোঁট থেকে চেটে খেতে লাগলাম। এরমধ্যে বোন চলে এল কি খাচ্ছ তোমরা।
মা- বলল তোমাকে যেমন খাইয়ে দিতাম আজকে দাদাকে সেভাবে খাইয়ে দিচ্ছি। আয় বাবা বলে বোনের সামনেই আমার ঠোটে ঠোঁট দিয়ে দুজনে চুষে খেলাম।
বোন- দাদাভাই আমাকে তুমি একটু দাওনা আমারটা খাওয়া হয়ে গেছে।
আমি- মা এটা ধর আমি বের করে বোনকে ওটা খাইয়ে দিচ্ছি।
মা- না তুমি একটা খেয়েছ ওটা দাদা খাক।
আমি- মা তুমি না ছোট মেয়ে চাইছে আর তুমি না করছ। আমি আমার বোনকে খাওয়াবো তুমি চুপ থাকো। এই বলে ওইটা বের করে বোনকে খাইয়ে দিতে লাগলাম।
বোন- মুখে অনেকটা নিয়ে আমার মুখে দিল।
মা- দেখে বলল বাঃ ভাইবোনে তো জমেছে।
আমি- না বোন মা নজর দিচ্ছে চল আমরা ওইঘরে বলে ওকে কোলে নিয়ে বেড়িয়ে এলাম আর আইসক্রিম খেলাম দুজনে। এরপ একটু গরম জল নিয়ে বোনকে খাইয়ে দিলাম আর মাকেও দিলাম ঠান্ডা খাওয়ার পরে গরম জল খেলে আর ঠান্ডা লাগেনা তারপর আমরা ভাইবোনে চলে এলাম। বোনকে খাতা পেন্সিল বের করে দিলাম এই তোমার খাতা পেন্সিল।
বোন- বলে বুদ্ধু দাদা আমি এখন পেন দিয়ে লিখি পেন কিনে দেবে তুমি। দেখ কত অংক করেছি আজকে। তুমি আর মা যখন কাজ করছিলে। ও দাদা তুমি আর মা কি কাজ করছিলে মাকে তুমি মেরেছ নাকি। জানো বাবা না মাকে প্রায় রাতে ওইভাবে মারত, মা কেমন করত। আজকে যেমন করেছে। তুমি আর মা যখন কাজ করছিলে তখন কেমন শব্দ হচ্ছিল না ঠিক ওইরকম মা আর বাবা করত। বাবা মাকে ওইভাবে মারত। তুমি মাকে মেরেছ দাদা। বাবা আর মা কাঁথা না হলে চাদর মুরি দিয়ে ওইভাবে মারামারি করত।
আমি- না সোনা বোন আমি মাকে মারিনি আমার মাকে কেন মারব এমনি কাজ করছিলাম। আমি চল মাকে জিজ্ঞেস করবি মাকে আমি মেরেছি। বলে ওকে কোলে নিয়ে গেলাম মা দেখ বোন কি বলে আমি নাকি তোমাকে ওর বাবার মতন মেরেছি।
মা- না মা অনেকদিন পরে দাদার কাছে এসেছি না অনেক কাজ করছিলাম তাই কষ্ট হয়ে গেছিল তাতে ওইরকম শব্দ হয়েছে। দাদা আমাকে মারবে কেন আমাকে অনেক ভালবাসে যেমন তোমাকে কত ভালবাসে দেখেছ।
বোন- মা আজকে আমি তোমার আর দাদার সাথে ঘুমাব একসাথে কেমন।
মা- না মা তুমি আমি একসাথে ঘুমাবো দাদা আলাদা ঘুমাবে।
বোন- ঠিক আছে মা, দাদা চলো তোমার সাথে একটু খেলবো, একটা লুডু আনবে কেমন আমি মা তুমি খেলবো জানো মা আমার সাথে পারেনা।
আমি-তাই ঠিক আছে নিয়ে আসবো।
মা- রান্না চাপিয়ে দিয়ে তোমাকে স্নান করিয়ে দেবো কেমন দাদার সাথে একটু থাকো খেয়ে তারপর ঘুমাবে।
বোন- আচ্ছা চলো দাদা ভাই বলে দুজনে আবার এলাম।