মায়ের ফিরে আসা - অধ্যায় ৬
আম- ভালই গল্প বললে যেই বাবা মারা গেল অমনি সুযোগ বুঝে পর পুরুষের কাছে শুয়ে পড়লে এখন ঠাকুমার দোষ, তবে আর কি আবার একজন জোগার করে নাও, অনেকেই বয়স্ক পছন্দ করে তাদের কাছে যাও আমার কাছে তুমি থাকতে পারবেনা তোমাকে আমি রাখতে পারবোনা।
মা- আমি জানি কোন ছেলে তার এই রকম মাকে পছন্দ করে না তুই করবি না স্বাভাবিক। আমার কষ্ট তা বোঝ তোর বাবা কিন্তু মারা গেছিল সংসারে অভাব কি করে চলবে বাধ্য হয়ে দেহ দিয়ে তোদের বাঃচাতে চেয়েছিলাম।
আমি- এখন আবার আরেক জায়গায় দেহ দিয়ে বাচো আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচতে পারবো। উনি ছেরে চলে গেছে কয়দিনের মধ্যেই তো তোমার লাগবে তাইনা থাকবে কি করে। ঠাকুমা একটা কথা বার বার বলত কামুকী মাগী কামের নেশায় চলে গেছে। ছেলে মেয়ের কথা ভাব্ল না। ঠাকুমার কথাই ঠিক তুমি একজন কামুকী তাইনা।
মা- চোখ মুছতে মুছতে বলল এখনও তো বিয়ে করনি বিয়ে করলে বুজবে কেন আমার সমসন্ধে তোমার ঠাকুমা এই কথা বলেছে। আমি তোমার মা তবুও বাধ্য হয়ে এই কথা তোমাকে বললাম।
আমি- তুমি যা বলনা কেন যে গল্প শোনাও না কেন তোমার সাথে আমি থাকতে পারবোনা। ঠাকুমার কথায় করেছ তোমার ইচ্ছে ছিল না ওর সাথে মেলামেশা করার না হলে ওই লোক পারে কি করে।
মা- সে কথা তো আমি অস্বীকার করছিনা আমার ইচ্ছে ছিল বলেই হয়েছে আর তোমার ঠাকুমার সায় ছিল সেটাও সত্যি।
আমি- তবে আবার কি এখন তো আবার ইচ্ছে করবে তাইনা, তারজন্য একজঙ্কে খুজতে হবে তোমার, না পেলে থাকতে পারবে তুমি।
মা- ফুপিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বলল নিজের ছেলে এমন কথা বলে কি বলব আমি। আমাকে তোর কাছে রাখ বাবা।
আমি- হ্যা তোমাকে এখানে রাখি আর আমি সারাদিন কাজে যাই ফাকে তুমি আবার একজঙ্কে নিয়ে এখানেও ফুর্তি করবে তাই না সে আমি হতে দেবনা।
মা- নারে বাবা আমার কি আর সে বয়স আছে রে।
আমি- কেন ভালই তো আছে গতর তোমার যে কেউ চাইবে তোমাকে কাছে পেতে।
মা- তুই ছেলে হয়ে এই কথা বলতে পারলি।
আমি- কেন পারবো না আমার মা তো ওই রকমের তুমি নিজেই বললে। আসলে কি জানো নেটে পড়েছি কিছু মহিলা আছে দের সারাজীবন লাগে এরা পুরুষ ছাড়া থাকতে পারেনা। তুমি হয়েছ তাই আমার মা।
মা- কাঁদতে লাগল আর কিছু বলছে না।
আমি- কাদলে হবে যেটা সত্যি সেটা আমি বলেছি ভেবে দেখ আমি ভুল বলিনি। তোমার তো পুরুষ সঙ্গী লাগবেই তাই না সে আমি কোথা থেকে জোগার করে দেবো। আর এখানে থেকে সে হবেনা এই সুযোগ আমি তোমাকে দেব না। আমি ঘরে থাকবো আর তুমি অন্য একজঙ্কে নিয়ে ফষ্টি নসটি করবে সে আমি হতে দেবনা।
মা- তুই তোর মায়ের সম্নধে এই ধারনা করিস কি বল আমাকে রাখবিনা সে ঠিক আছে তবে এমন অপবাদ দিস না আমাকে।
আমি- অপবাদ কোথায় যেটা সত্যি জার স্বামী মারা যায় সে কি করে ১৫/২০ দিনের মধ্যে অন্য পুরুষের সাথে ঘুমায় বলতে পারো অনততঃ শোক তো ৬ মাস থাকে পুরানো স্মৃতি সব জলনাজলি দিয়ে যেই পেয়েছ অমনি শুয়ে পড়েছ।
এই তুমি যাও তো আর বলতে আমার ভালো লাগেনা তুমি কালকে চলে যাবে এখান থেকে। তোমাকে আমার সহ্য হয় না একদম এতদিন কষ্ট করে বোনের বিয়ে দিয়ে যেই ফিরি হয়েছি অমনি এখন মা ফলাতে এসেছে, ১০ বছরে একবার খোঁজ নেয়নি বেঁচে আছি না মরে গেছি আজকে আমি কেন তোমার প্রতি কর্তব্য করব তুমি বলো।
তোমার কর্তব্য কেন আমি করতে যাবে বিনিময়ে কি পাবো আমি শুনি। একবার বহু কষ্ট করেছি আধ পেতা খেয়ে ঠাকুমা আর বোনকে নিয়ে থেকেছি। মাসের পর মাস ৫০০ গ্রাম মাংস পর্যন্ত কিনতে পারিনি চাল ডাল তেল কিনতেই সব শেষ হয়ে যেত, বোন এবং ঠাকুমাকে পুজোতে একটা শাড়ি বাঃ ড্রেস কিনে দিতে পারিনি, যখন আমার আব্দারের সময় তখন আমাকে ওদের আবদার পূরণ করতে হয়েছে।
উনি এসেছে এখন ভালো মানুষ হতে তোমার মতন খারাপ মা আর একটাও নেই। এই পৃথিবীর সবচাইতে খারাপ মা তুমি। তাই ভেবনা আমি অত ভালো হব কারন আমি তো তোমার ছেলে তাইনা। তুমি যেমন খারাপ তেমন তোমার ছেলেও খারাপ একবারের জন্য ভেবনা এখানে তোমার থাকা হবে। কালকে সকালে এখান থেকে বেড়িয়ে যাবে কোথায় যাবে কি করবে আমাকে বলতে হবেনা। আমি খোঁজ নেবনা তোমার।