মায়ের প্রেম - অধ্যায় ৪৫
পঁয়তাল্লিশ
সেদিন আমি আর মা রাত আটটা পর্যন্ত টিভিতে সিনেমা দেখেই কাটাই । অবশ্য বোনকে নিয়ে শান্তিতে টিভি দেখা খুব মুশকিল । তার সবসময় হৈহুল্লোড় চাই । না হলেই সে জ্বালাতে শুরু করবে । যাইহোক ঘড়িতে রাত আটটা বাজতে মা বললো -তুই এবার বোনকে একটু সামলা , আমি দেখি তোর ঠাকুমা কি খাবে ? আমাদের তো মাংস ভাত করে রাখাই আছে ।
আমি মাকে বলি -ঠাকুমার ভাত , ডাল , সবই করা আছে । রাতে তো ঠাকুমা খুব কম খায় । দেখ ঠাকুমার আর কিছু লাগবে কিনা ?
মা বলে -ভাবছি তোর ঠাকুমাকে একটু বেগুন্ভাজা করে দেব । বেগুনভাজা তোর ঠাকুমা খুব ভাল খায় ।
মা চলে যাবার পর বোনকে বুকে বসিয়ে ওর সাথে খেলা শুরু করি । একটু পরেই দেখি বোনের ঢুলুনি আসছে ।
আমি মাকে চেঁচিয়ে বলি, -মা , বোন কিন্তু ঘুমিয়ে পরবে , ওকে আগে খাইয়ে দাও ।
একবার বোন ঘুমিয়ে পরলে ওকে খাওয়ানো খুব মুশকিল । মা বোধয় রান্না ঘরে বেগুনভাজা করছিল, আমাকে বলে -এই রে , তুই তাড়াতাড়ি রান্না ঘরে এসে বেগুন ভাজাটা কমপ্লিট কর। আমি এখুনি তোর বোনকে খাইয়ে দিচ্ছি । ওর আজকে দেখি অনেক আগেই ঘুম পেয়ে গেছে ।
আমি রান্না ঘরে যাই আর বেগুনভাজাটা শেষ করে গ্যাস ওভেনটা বন্ধ করে দিই । এদিকে রান্না ঘর থেকেই শুনতে পাই যে মা বোনকে কোলে করে নিয়ে ঘুরে ঘুরে খাওয়াচ্ছে | ওকে এই রকম ভাবেই খাওয়াতে হয় নাহলে ও কিছুতেই ভাতের গরোস গিলবেনা । মুখের মধ্যে নিয়ে ঠুলি পাকিয়ে বসে থাকবে । আমি বেগুনভাজা দুটো কড়া থেকে একটা বাটিতে ঢেলে চাপা দিয়ে রাখি, তারপর আবার শোবার ঘরে ফিরে যাই ।
মা রাত নটা নাগাদ এসে আমাকে বলে -তোর বোনকে খাইয়ে দিয়েছি , ওকে বিছানায় শুইয়ে ঘুম পারিয়ে দে , এখুনি ঘুমিয়ে পরবে , ওর চোখ দুটো জুড়ে জুড়ে আসছে ।
আমি মার কোল থেকে বোনকে নিয়ে বিছানায় আমার পাশে শুইয়ে দিই, তারপর ওর পিঠে একটু থাবড়ে দিতেই ও ঘুমিয়ে পরে । মা দেখি রান্না ঘরে কি সব খুটখাট করছে । ওখান থেকেই আমাকে বলে -তোর ঠাকুমাকে জিজ্ঞেস কর ভাত বেড়ে দেব কিনা ?
আমি ঠাকুমার ঘরে গিয়ে ঠাকুমাকে জিজ্ঞেস করতে ঠাকুমা বলে -হ্যাঁ খেয়ে নেব এখন ।
মা একটু পরেই ঠাকুমাকে ডাইনিং টেবিলে ভাত বেড়ে দেয় , ঠাকুমা খেতে বসে যায় । ঠাকুমার খাওয়া হলে মা আমাকে জিগ্গেস করে -কি রে? এখন খেয়ে নিবি ?
আমি বলি -না আর একটু পরে খাব ।
এমন সময় আমার একটা ফোন আসে । আমার কলেজের এক বন্ধু ফোন করেছে, ওর সাথে পরীক্ষা ফরীক্ষা নিয়ে গল্পে মেতে উঠি আমি । ঘরের ভেতর ভীষণ গরম লাগছিল বলে শোবার ঘরের লাগোয়া ব্যালকনিটাতে গিয়ে দাঁড়াই । বন্ধুর সাথে ফোনালাপ শেষ হতে হতে অনেক সময় লেগে যায় ।
এর পর আমি আর মা ডিনার করে নিই । ডিনারে সেই দুপুরের মাংস ভাতই ছিল । ওই দিয়েই ভালভাবে ডিনার সারা হয়ে যায় আমাদের । বাড়িতে মাংস রান্না হলে একটা সুবিধে , আর অন্য কিছু রান্না করার দরকার নেই , মাংসের ঝোল আলু আর মাংস ভাত, এই দিয়েই দিব্বি খাওয়া হয়ে যায় । আর পাঁঠার মাংস হলে তো কথাই নেই । খাওয়া সেরে আমি শোয়ার ঘরে গিয়ে বিছানাটা একটু ঝেড়ে নিই তারপর মশারী টাঙাতে শুরু করি । ঘড়িতে তখন প্রায় রাত সাড়ে দশটা । মা আরো আধ ঘন্টা পর ফোনে কথা বলতে বলতে রান্না ঘর থেকে শোয়ার ঘরে আসে । কে জানে মাকে কে ফোন করেছে? মা বোধয় রান্না ঘরে থালা বসুন ধুচ্ছিল তখন ফোনটা এসেছে। মা ঘরে ঢুকে আমার দিকে তাকিয়ে ইশারায় জিজ্ঞেস করে লাইট নিবিয়ে দেবে কিনা ? আমি বলি -হ্যাঁ দাও । মা ফোনে কথা বলতে বলতেই শোয়ার ঘরের দরজা বন্ধ করে, তারপর ঘরের টিউবলাইটটা নিবিয়ে দিয়ে, ডিমলাইট জ্বালিয়ে দেয় | এবার মা সবে খাটের মশারি তুলে ঢুকতে যাবে এমন সময় হটাৎ কারেন্ট চলে যায় । মা বলে -এই যা, কারেন্ট চলে গেল । তারপর মা আমার আর বোনের মধ্যে শুয়ে পরে । একটু পরে মায়ের ফোন শেষ হতে মাকে জিজ্ঞেস করি -কার ফোন মা?
মা বলে -তোর পিকুদার । ওর আর একটা বন্ধু নাকি আজ রাতে হসপিটালে থাকবে বলেছিলো। তাই ও একটু আগে আমাকে ফোন করে বললো যে ওই ছেলেটা এলে ও আমাদের বাড়ি ফিরে আসবে । কিন্তু এখন ফোন করে বলছে যে শেষ মুহূর্তে ওর ওই বন্ধুটা নাকি বলেছে আজ আসতে পারবেনা , তার বদলে ও কাল রাতে হসপিটালে থাকবে ।
আমি বলি -যা, তাহলে আর কি হবে ?
মা বলে -ছাড়তো ওর কথা । আজ থাকবেনা ভালোই হয়েছে , রাতে থাকলে আমাকে ধরে আবার একবার দিয়ে দিতো । দুপুরে তো অলরেডি দুবার নিয়েছে আমার ।
মায়ের কথা শুনে মজা পাই আমি । হাঁসতে হাঁসতে বলি -কি নিয়েছে তোমার দুপুরে?
মা বলে -এই, তুই সব সময় ন্যাকা সাজিস কেনরে ? সব বুঝিস আর বোকা সাজার ভান করিস, না ?
আমি মায়ের দিকে পাশ ফিরে মায়ের গায়ে আমার একটা পা তুলে দিই । তারপর মাকে পাশবালিশের মতো জড়িয়ে ধরে মায়ের কানে কানে ফিসফিস করে আদুরে গলায় বলি -না বুঝিনি, সত্যি বলছি , কি নিয়েছে বলনা? হামি ?
মা বলে -না রে বাবা , ঐটা,
আমি বলি -কোনটা ?
মা অন্ধকারের মধ্যেই আমার গালটা টিপে দিয়ে বলে -ধুর বোকা, ওইটা, মেয়েদের যেটা পাবার জন্য তোরা ছেলেরা সব সময় মুখিয়ে থাকিস ।
আমি বলি -কি বলনা ? বুক ?
মা বলে -না রে বাবা , ওইটা , মেয়েদের যেটাতে ছেলেরা সব চেয়ে সুখ পায় ।
আমি বলি - কি ?
মা এবার আমার কানে ফিসফিস করে বলে-কি আবার ?ফুটো | তারপর নিজেই নিজের মনে খিল খিল করে হাঁসতে হাঁসতে বলে-সব ছেলেরাই তো মেয়েদের দু পায়ের ফাঁকের ওই নরম গর্তটায় ঢোকার জন্য একবারে পাগল হয়ে থাকে ।
আমি মায়ের গালে আদর করে ঠোঁট ঘষে জিজ্ঞেস করি -খুব সুখ বুঝি ওই গর্তের ভেতরে ।
মা বলে -হ্যাঁরে খুব সুখ, খুব মজা মেয়েদের ওই নরম গর্তে ।
আমি বলি -সত্যি কি তাই? সত্যিই এতো সুখ হয় ?
মা বলে -হ্যাঁরে। ছেলেরা তো বলে স্বর্গ সুখ হয়। জানিস তোর পিকুদা আমার ওখানটাকে কি বলে ডাকে ?
আমি বলি -কি?
মা বেশ্যা মাগীদের মতো খি খি করে হাঁসতে হাঁসতে বলে -ও আমার ফুটোটাকে বলে স্বর্গদ্বার ।মানে যে দ্বার দিয়ে স্বর্গে প্রবেশ করা যায় ।
আমি মায়ের কথা শুনে হাঁসতে থাকি । বলি -কিসের স্বর্গ ওটা ?
মাও খিল খিল করে হাঁসতে হাঁসতে বলে -ছেলেদের সুখের স্বর্গ ।
(চলবে)