মায়ের সাথে হানিমুন। - অধ্যায় ১০
আমি- হ্যা নিয়ে এসেছি রুমে বসে খাব। জলের জগ আর গ্লাস দাও।
হোটেল বয় দিয়ে গেল। আমরা দরজা বন্ধ করে দিলাম।
মা- চেঞ্জ করে নেই কি বল।
আমি- হ্যা মা বলে দুজনে চেঞ্জ করে নিলাম। মা পড়ল নাইটি আর আমি পড়লাম লুঙ্গি।
মা- আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসল।
আমি- কি হল হাসলে যে।
মা- না মানে তোর সাথে খাব তো তাই হাঁসি পাচ্ছে চেলের সাথে ভাবতেই।
আমি- আমি এখন ছোট আছি বেশ বড় হয়েছি চাকরি করি ভুলে গেছ।
মা- হাঁসতে হাঁসতে সত্যি তাই আমার খোকা বড় হয়ে গেছে আমি ভুলেই গেছিলাম।
আমি- মা বানাও তুমি।
মা- আমি পারব বানাতে তুই বানা না।
আমি- মা আমি কোনদিন বানাইনি একটু আধটু খেয়েছি মাত্র সে হাতে গোনা ৩/৪ দিন হবে গত একবছর তো খাইনা।
মা- আমিও তো তোর বাবার সাথে কয়কবার খেয়েছি মাত্র।
আমি- ঠিক আছে বস বলে আমি সব বের করে গ্লাস নিয়ে দু পেগ বানালাম। ও খাবার বের করলাম। আর মাকে বললাম মা নাও বলে মায়ের হাতে গ্লাস তুলে দিলাম।
মা- বাবা কাউকে কোনদিন বল্বিনা আমরা যা করছি তবে পাড়ায় মুখ দেখাতে পারব না কিন্তু।
আমি- পাগল তুমি আমি বলব তুমি আবার কাউকে বলনা।
মা- না না বলে হাতে নিল আর মুখ চেপে হাঁসতে লাগল আর বলল এই চিয়ার্স না কি বলতে হয়।
আমি- মা আমরা এখন বন্ধুর মতন হাসছ কেন
মা- বন্ধু চিয়ার্স বলে আমার গ্লাসে গ্লাস ঠেকাল ও আমারা দুজনে মুখে দিলাম একটানে মা সব খেয়ে নিল আমিও।
আমি- উম কি করা লাগছে বলে গ্লাস রাখলাম।
মা- সত্যি করা লাগল গলা কেমন করল।
আমি- চিকেন মায়ের হাতে দিলাম ও নিজে নিলাম ছিরে খেতে লাগলাম।
মা- তোর বাবার সাথে খেয়েছি এভাবে অনেকদিন পর গেল পেটে।
আমি- হম বলে আবার এক পেগ বানালাম এবং চিকেন খেয়ে আবার মায়ের হাতে দিলাম।
মা- ধরে একটানে মেরে দিল আর বলল এবার ঠিক আছে এমন হাল্কা করবি। মজা লাগছে বাবা।
আমি- আমিও খেয়ে নিয়ে হুম মা এবার ঠিক আছে বলে তরকা রুটি মাকে দিলাম