মায়ের সাথে হানিমুন। - অধ্যায় ১৩
মা- আমি তো থাকবই তবুও বিয়ে করতে হয় সোনা আমার। মা এই সোনা আমার কাছে এসে বস দূরে কেন বাবা।
আমি- ঘুরে মায়ের কাছে গেলাম
মা- এই সোনা রাগ করিস নি তো, আমি তোর সাথে এইসব খাচ্ছি বলে।
আমি- মায়ের হাত ধরে বললাম মা কি বলছ বাবা নেই তোমার কষ্ট হয় আমি বুঝি তবুও তুমি এমন বলছ, তোমার জন্য আমি সব করতে পারি। তুমি যা বলবে আমি না করব না মা।
মা- আমার লক্ষ্মী ছেলে সোনা ছেলে বলে আমার গালে চুমু দিল।
আমি- মাকে জরিয়ে ধরলাম আমার সোনা মা বলে আমিও গালে চুমু দিলাম।
মা- এক টুকরা মাংস তুলে আমার মুখে দিল।
আমি- খেতে খেতে আমিও মায়ের মুখে আরেক টুকরা মাংস মায়ের মুখে দিলাম আর বললাম মা আরেকটু দেব।
মা- দাও সোনা দাও অনেক কষ্ট আমার বুকে, আমার ভালবাসার মানুষ আমাকে ছেড়ে চলে গেছে কি নিয়ে থাকব আমি সোনা।
আমি- আমি তো আছি মা তুমি না থাকলে আমি বাঁচব কি করে মা।
মা- হাতে গ্লাস নিয়ে আবার এক চুমুকে শেষ করে দিল।
আমি- মা আর খেতে হবেনা তুমি সামাল দিতে পারবেনা কিন্তু।
মা- না সোনা কিছু হবেনা তুমি দাও না আমার সোনা।
আমি- আচ্ছা দেব সোনা শান্ত হও তুমি। বলে একটুকরা রুটি আর তরকা দিলাম।
মা- তুমি খাও সোনা বলে মা আমার মুখে তুলে দিল।
আমি- মাকে ধরে আবার খাইয়ে দিলাম। অ আমি নিজে হাতে তুলে নিলাম অ মুখে দিতে যাব মা ওমনি আমার মুখের কাছে মুখ নিয়ে আসল আমার মুখ থেকে কামড়ে নিয়ে নিল। ফলে ঠোঠে ঠোঁট লেগে গেল।
মা- হি হি আমি খেয়ে নিলাম তোমার থেকে সোনা।
আমি- আবার একটুকরা মুখে নিয়ে মায়ের মুখের সাথে মুখ লাগালাম মা ধরে কামড়ে ধরল এবার আমাদের মা ছেলের মুখে মুখ।
মা- আমার ঠোঁট কামড়ে ধরল ও চুক চুক করে চুষে দিল।
আমি- আমিও সুযোগের সদ ব্যবহার করলাম আমিও মায়ের ঠোঁটে চুমু দিলাম।
কিছুখনের মধ্যে মা ঠোঁট ছারিয়ে নিল আর বলল কি করছ সোনা।
আমি- ছোট পাখি বড় পাখিকে খাইয়ে দিচ্ছিল সোনা।
মা- আমার গাল টেনে দিল আর বলল দুষ্ট সোনা আমার।
আমি- উম মা তুমি না এত ভাল কে জানে বলে আবার মাকে খাইয়ে দিলাম।
মা- আর কতটা আছে সোনা
আমি- এখনো দু পেগ হবে মা।
মা- কটা বাজে সোনা
আমি- মোবাইল দেখে সোনা এইত সারে ১১ টা মাত্র।
মা- অনেক রাত হল এবার আরেকটু দাও তো খাই।