মায়ের সাথে হানিমুন। - অধ্যায় ১৯
আমি- আচ্ছা দেখি এখানে পাওয়া যাবে কিনা।
মা- যা পাশ নিয়ে আয়।
আমি- হ্যাফ প্যান্ট পরে গেলাম কিন্তু মনে একটা শয়তানী বুদ্ধী এল দোকানে গিয়ে বললাম মহিলাদের সেক্সের ট্যাবলেট দিতে আর গ্যাসের দিতে। সাথে আমি ও নিলাম সেক্সের ট্যাবলেট। নিয়ে ফিরে এলাম। আমি মায়ের হাতে দিলাম দুটো ট্যাবলেট আর আমিও নিলাম দুজনে জল দিয়ে খেয়ে নিলাম এবং পেগ বানালাম।
মা- দে দে এবার খাই বলে গ্লাস নিয়ে চুমুক দিল।
আমি- নিজেও নিলাম। মাকে চিকেন দিলাম আমিও নিলাম।
মা- আঃ কি সুখ রে বলে চিকেন খাচ্ছে।
আমি- আবার পেগ বানালাম মাকে দিলাম ও নিজে নিলাম।
মা- কিরে ভাবছিস মা এমন কেন করছে কি করব বল কিছুই যে ভাল লাগেনা একা একা থাকতে। তাই এমন করছি।
আমি- মা তোমরা ফুলশয্যা কেমন হয়েছিল।
মা- হেঁসে সে আর বলিস না আমাদের ঘরে ঢুকতে রাত দেড়টা বেজে গেছিল। সবাইকে খাইয়ে বিদায় করে তোর বাবা ঘরে এসেছে অত রাতে নিজের হাতে গুছিয়ে। আমার যা রাগ হচ্ছিল না তোকে কি বলব।
আমি- তারপর কি হল।
মা- যা দুষ্ট তারপর আর কি সে তোকে বলা যায়।
আমি- বাবা তোমাকে আদর করেনি।
মা- করেছে আর আমিও করেছি আর কি।
আমি- থাক বলতে হবে না তোমাকে খুলে। তবে বাবা তোমাকে কিছু দেয় নি।
মা- হাত দেখিয়ে এই সেই আংটি এখনো পরে আছি
আমি- আমাকে বললে তোমাকে একটা কিছু দিতে পারতাম।
মা- সে তুই দিস পরে দিতে পারবি সময় তো চলে যাচ্ছেনা।
আমি- না আজ শুভ দিনে কিছু দিলে আমার ভালো লাগত।
মা- আর শুভ বললাম না সে নেই তো কিছু নেই কি দরকার আর আমার জিনিস।
আমি- আজকেও তো তোমাদের ফুলশয্যা হত কি বল।
মা- হুম হত
আমি- মা সেটাই তোমার বড় মিস কি বল।
মা- গুম মেরে হয়ত তার জন্য তোর সাথে এলাম এখানে তুই তো আনন্দ দিচ্ছিস আমাকে।
আমি- আরেক পেগ বানিয়ে এই নাও মা খাও বলে মায়ের হাতে দিলাম।
মা- এই চিয়ার্স করা হয়নি এই আয় বলে আমার সাথে চিয়ার্স করল।
আমি- হুম বলে চিয়ার্স করে এক চুমুকে শেষ করলাম।
মা- কেমন লাগছে এখন তোমার।
মা- খুব ভালো তবে মাথা ঝিম ঝিম করছে চোখ নীল নীল লাগছে। কেমন যেন লাগছে তবে ভালো।
আমি- আমার ও মা খুব ভালো লাগছে। তোমার সাথে সঙ্গ দিতে।
মা- কালকের ঘটনা মনে পড়লে হাঁসি আয় মানুষ এত নিরলজ্য।
আমি- কোনটা কালকে রাতের ঘটনা তো।
মা- হ্যা রে ওরা কি করে আমাদের সামনে বসে করল আমি একটা মহিলা তুই আমার ছেলে যা করার রুমে এসে কর।
আমি- আমি আরে ওরা ভাড়া করা হয়ত কাজ করে আবার চলে যাবে।
মা- তাই বলে রাস্তায় দাড়িয়ে ছি ছি ঘরে বসে কর।
আমি- মা সামাজের নোংরা ওরা বুকে তুলে নেয় বুঝলে টাকার বিনিময়ে উন্মাদ্দের ঠাণ্ডা করে ওরা। মেয়ে গুলর দোষ দিয়ে লাভ নেই।
মা- কত নারী কষ্ট পায় আবার কত পুরুষ ও কষ্ট পায়।
আমি- বুঝি মা বুঝি এখন আমি বড় হয়েছি ।
মা- ছেলে যত বড় হোক না কেন বাবা মায়ের কাছে বড় হয় না বুঝলি। আদরের থাকে।
আমি- হ্যা মা তোমার কষ্ট আমি বুঝি কিন্তু কি করব।