মায়ের সুখের অধ্যায় - অধ্যায় ১৮
আচ্ছা সোনা কাটবোনা, বলে ফোন রেখে দিলো, তারপর সন্জয় আবার সেই ব্যস্ততা কলেজ তারপর দেখতে দেখতে শনিবার এসে গেল সন্জয় কলেজ থেকে বের হলো একটায় সেদিন ছিল হাফ ক্লাস রবিবার বন্ধ তাই কলেজ থেকে সরাসরি বাস টার্মিনাল এ গেলো বাড়িতে যাবার জন্য, বাসের টিকেট কাটার সময় দেখলো ওর মায়ের মতো এ্কজন মহিলা * পরে দারিয়ে আছে শরীরের গঠন দেখতে সরমার মতোই পাহাড়ের মতো উচু দুটো মাই কলসির মতো চওরা পাচা আর আর মায়ের মতোই গঠন, ও মহিলার দিকে তাকিয়ে আছে একমনে হঠাত মহিলা ওকে ইশারা করছে হাত দিয়ে আসেন ও বুঝতে পারলো না মহিলা কাকে ডাকছে তারপর ওর বয়সি একটা ছেলে এসে মহিলাকে কি যেন বললো আর মহিলা ওর বয়সি ছেলেটাকে নিয়ে ওখান থেকে চলে গেলো,সন্জয় বাসে ওঠে চিন্তা করতে থাকলো মহিলা ওকে ডাকলো কেন, নাকি ও ভুল ভাবসে এসব ভাবতে ভাবতে বাস ছারলো আর ৩:৩০ এ সন্জয় ওদের গ্রামের বাজারে নামলো, বাজারে নেমে সন্জয় ওর বাবাকে দেখলো ওদের পারার আরো কিছু কাকুদের সাথে ওর বাবা আড্ডা দিচ্ছে, পাশ থেকে একজন বললো দিনেশ দা তোমার ছেলে এসেছে শহর থেকে বাবা আমাকে দেখে খুব খুশি কারন আমার জন্য হলেও বাবাকে লোকজন সম্মান করে। তারপর বাবা আমাকে বললো চল বাবা তোকে বাড়িতে দিয়ে আসি আমি বললাম থাক বাবা আমি একাই যাই তুমিতো কাকুদের সাথে গল্প করছিলে, বাবা বললো তোর মা আবার রাগ করবে আমি বললাম ও আমি মেনেজ করে নিবো তোমায় কিছুই বলবে না, তারপর বাবাকে রেখে আমি ভ্যানে করে বারিতে গেলাম বারি গিয়ে ঘরে গেলাম দেখলাম মা আমার ঘরে সুয়ে আছে আমি রুমে গিয়ে চেন্জ করে লুঙ্গিপরে মার পাশে সুয়ে পরলাম কিন্তু মাকে জাগালাম না আস্তে করে মাকে জরিয়ে ধরলাম আমি মায়ের স্তনে হাত দিলাম দেখলাম মা ব্রা পরেনি শুধু ব্লাউজ পরে আছে আমি নিজিকে অনেক কন্ট্রোল করার চেষ্টা করলাম কিন্তু পারলাম না আস্তে করে দুধ একটা চাপ দিলাম আর তাতেই মা জেগে গিয়ে ধরমরিয়ে উঠে পরলো আর আমাকে দেখে খুব খুশি হলো আর বললো কখন আসলি সোনা আমাকে ডাকিসনি ককেন, আমি আর কোন কথা বলার সুযোগ না দিয়ে মায়ের ঠোট এ নিজের ঠোট গুজে দিলাম, আর ঠোট চুসতে চুসতে জিহৃবা দিয়ে জিহৃবা টেনে টেনে চুসতে লাগলাম আর মা সুখে উউউমমম উউউবাবু উউউমমম শুরু করলো কতোক্ষন চললো বলতে পারবো না হুস ফিরলো দরজায় কেউ একজন ডাকছে মাকে।