রাতের আঁধারে মা ও ছেলের ভালোবাসা - অধ্যায় ১০
আমি বের হলাম মনে মনে বিশ্ব জয়ের আনন্দ। সাথে মাথায় একটা চিন্তা কে হতে পারে এই সময় তো বাড়িতে বাইরের লোক আসবে না তবে কি আমার ছোট বোন টাই ছিলো।
আমি: এই রিনি, কোথায় গেলি ভাত খাবি না আয় রান্না হয়ে গেছে তো।
মা: সাকিব তোর বোন মনে হয় দেখে ফেলছে, তুই কতো সময় রেখেছিস জানিস, তুই ভাত টা তোর বোন উপুর করে দিয়েছে।
আমি: মা এতো চিন্তা করো না তো কিছু হবে না।মা: হ্যা তোর সাথে যে কেনো এইগুলো করতে গেলাম না জানি কি হয় আমার এখন
আমি: মা কিচ্ছু হবে না চিন্তা করো না আমি তো আছি
মা: হুম বুঝলাম তুই আছিস, আমি কি তোর বিয়ে করা বউ যে কেউ দেখে ফেললে সমস্যা হবে না।
আমি: মা দেখো কিছু হবে না। প্রয়োজনে কাজি অফিসে গিয়ে আমরা বিয়ে করে তোমাকে আমার বৌ করে নিবো।
মা: হুম হইছে। এসব আজগুবি কথা রাখো। না হলেই ভালো। খেয়ে নে, খেয়ে ঘুৃমা ঘরে গিয়ে।আমি: আচ্ছা। এর মাঝে বোন আসলো কেমন আড় চোখে তাকালো আমার সন্দেহ হলো। মা দাদি কে খাবার দিতে গেলো বোন আমায় টিকারি মারলো।
বোন: মায়ের প্রতি যেনো বেশি ভালোবাসা দেখাচ্ছিস আজ কি ব্যপার।
আমি: সে কি আমি মা কে ভালোবাসতে পারি না
বোন : তা পারিস কিন্তু
আমি: বল কিন্তু কি
বোন : না থাক সময় হলে বলা যাবে এখন না।
খাওয়া শেষ করে ঘরে গিয়ে চিন্তা করতে লাগলাম কি করতে হবে কি হবে এর মাঝে আমার ঘরে মা আসলো এই তোর দাদির অবস্থা বেশি ভালো না হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ছে তাড়াতাড়ি আয় আর তোর বাবা কে খবর দে। আমি বাবাকে ফোন দিলাম বাবা আসলো হাসপাতালে নিয়ে গেলাম আমার দাদীর সাথেই ২ দিন হাসপাতালে থাকা লাগলো। দাদি তৃতীয় দিন চলে গেলেন বাড়িতে এনে সব কাজ শেষ করে সন্ধায় বাড়িতে এসে গোসল করলাম। বাড়িস সবাই কেমন নিঃস্তব্ধ হয়ে গেছে। মা কে ডাকলাম একটু কথা বলার জন্য
মা: কি হলো।
আমি: আমি বললাম একটু বসো কি হলো এটা অল্প কয়েদিনেই দাদু, দাদী চলে গেলো।
মা: কান্না জুড়ে দিলো আবার। আমি মাকে জড়িয়ে সান্ত্বনা দিলাম।