তারপর - অধ্যায় ৮
তারেক দ্যাখে সবকিছু। ২৪ বছরের তরুন তারেক ৪২ বছরের মহুয়ার পুরো শরীর নগ্ন করে তাড়িয়ে তাড়িয়ে দ্যাখে। ছুয়ে দেয়। চেটে দেয়। যে জায়গাগুলোতে ইতোমধ্যে কামড়ের দাগ রয়েছে, সেখানে আবার আবার কামড়ে দেয়।
মহুয়া উপুর হয়ে পড়ে থাকে মরার মত। তার লজ্জা লাগে খুব। পাশের ঘরেই ছেলে রয়েছে। এই ভর সন্ধ্যায় দরজা বন্ধ করে নিজের কচি নাগরের সামনে উপর হয়ে নগ্ন শুয়ে থাকতে তার লজ্জা লাগে খুব। আবার ভালোও লাগে। তারেকের প্রতিটা ছোয়ায় কেপে কেপে ওঠে সে। তারেকের হাত তার পিঠে ঘুরে ঘুরে নিচে নেমে যায়। আর জিহবা তার পিঠে চেটে চেটে উপরের দিকে ওঠে। শিরশির করে মহুয়ার শরীর। সে পড়ে থাকে মরার মত। চোখ বন্ধ করে। টের পায় না, বাইরে থেকে নব ঘুরিয়ে দরজা কিছুটা খুলে দিয়েছে কেউ৷ উকি দিয়ে দেখছে শরীরে তারেকের বিচরন।
টের তারেকও পায় না। মধ্যবয়সী নারীর চওড়া ভারি মাদি শরীর তার সামনে উন্মুক্ত এখন। সে যা চায় করতে পারে। সে জানে, সে যাই করুক, বাধা দেবে না এই নারী৷ সে এখন ভোগ করবে এই নারীকে।
দরজার অল্প ফাক দিয়েও আকাশ দেখতে পায় বিছানার উপর দুই অসমবয়সী নগ্ন নরনারী-কে। সে দেখতে পায় তার মায়ের অন্য রুপ। তার মায়ের উপুর হয়ে থাকা উলঙ্গ শরীরের উপর উলঙ্গ হয়েই চরে বসেছে তারেক ভাই। দরজার দেয়ালের সমান্তরালে থাকায় কোন কিছুই নজর এড়ায় না আকাশের। সে দ্যাখে তার মায়ের হালকা কেপে কেপে ওঠা মুখ। যতবার তারেক ভাইর হাত তার মায়ের নিতম্বে এসে পৌছায়, নিজের ঠোট কামড়ে ধরেন মহুয়া।
তারপর।
মায়ের শরীর থেকে হাত সরায় তারেক ভাই। একটু উপু হয়। আর মুঠো করে ধরে নিজের ধন। মহুয়ার ঘারে এক হাতের ভর রেখে আরেক হাতে নিজের ধনের মাথা সেট করে মহুয়ার দুই থাইয়ের মাঝে।
মাথা উচু করে নিজের সুখ জানান দিতে চায় মহুয়া৷ আর তখন আকাশের সাথে চোখাচোখি হয় তার। আকাশ সরে যায় চট করে। নি:শব্দে টেনে দেয় দরজা।
মহুয়া বোঝে। ছেলের মনের ভাব তার অজানা নয়। তাকে এ অবস্থায় দেখে ছেলের প্রতিক্রিয়া যাই হোক, তা সামাল দেয়ার উপায় মহুয়ার জানা আছে।